বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > কেন হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে? জেনে নিন ডার্বিতে লাল-হলুদের ব্যর্থতার কারণগুলো
জঘন্য খেলে হেরেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।
জঘন্য খেলে হেরেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

কেন হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে? জেনে নিন ডার্বিতে লাল-হলুদের ব্যর্থতার কারণগুলো

  • প্রথম ম্যাচ থেকে দেখা গিয়েছে লাল-হলুদের রক্ষণ অত্যন্ত খারাপ। জামশেদপুরের বিরুদ্ধেও প্রথমে এগিয়ে থেকেও গোল হজম করতে হয়েছিল তাদের। রক্ষণের জমাট ভাবটাই নেই। যে কারণে এটিকে মোহনবগানের শক্তিশালী স্ট্রাইকার লাইনআপকে সামলানোর মতো স্পর্ধাটাই দেখাতে পারেনি দিয়াজ ব্রিগেড।

ডার্বির লড়াইটা দুই দলের কাছেই আত্মসম্মানের লড়াই ছিল। কিন্তু সেই লড়াই একেবারে ল্যাজেগোবরে হল এসসি ইস্টবেঙ্গল। হতশ্রী ফুটবল খেলে আরও একটি ডার্বি হারল তারা। আর আইএসএলে ডার্বি জয়ের হ্যাটট্রিক করল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে গোল করলেন রয় কৃষ্ণ, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসো। ম্যাচের সেরা হলেন জনি কাউকো।

কেন বার বার এটিকে মোহনবাগানের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ছে লাল-হলুদ ব্রিগেড? শনিবার কোথায় খামতি থেকে গিয়েছিল তাদের? কোথায় পিছিয়ে পড়ল তারা? চৌম্বকে যে কারণগুলো উঠে আসছে, সেগুলো হল:

১) ইস্টবেঙ্গল টিমের মধ্যে এখনও কোনও রকম বোঝাপড়া নেই। পুরো ম্যাচেই তারা ছন্নছাড়া ফুটবল খেলল। যেন কোনও লক্ষ্যই ছিল না তাদের সামনে।

২) প্রথম ম্যাচ থেকে দেখা গিয়েছে লাল-হলুদের রক্ষণ অত্যন্ত খারাপ। জামশেদপুরের বিরুদ্ধেও প্রথমে এগিয়ে থেকেও গোল হজম করতে হয়েছিল তাদের। রক্ষণের জমাট ভাবটাই নেই। যে কারণে এটিকে মোহনবগানের শক্তিশালী স্ট্রাইকার লাইনআপকে সামলানোর মতো স্পর্ধাটাই দেখাতে পারেনি দিয়াজ ব্রিগেড।

৩) খেলা তৈরি হওয়ার জন্য যে গভীরতা থাকা উচিত একটা টিমের মধ্যে, তার ছিটেফোঁটাও খুঁজে পাওয়া গেল না লাল-হলুদের মধ্যে। এত জঘন্য ফুটবল যে ডার্বিতে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, সেটা বোধহয় দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি লাল-হলুদ সমর্থকরা।

৪) অরিন্দম ভট্টাচার্য সিনিয়র গোলকিপার হয়েও যে ভাবে তৃতীয় গোলটি হজম করলেন, সেটা মানা যায় না। প্রথম দু'টি গোল রক্ষণ এবং মাঝমাঠের ভুলে হলে, তৃতীয়টির জন্য বেশি দায়ী অরিন্দম।

৫) রক্ষণ, মাঝমাঠের পারফরম্যান্স জিরো। যে কারণে বলের সাপ্লাই লাইনও ছিল না, গোল হওয়ার সুযোগটাই তাই তৈরি হয়নি। ব্যর্থ পুরো টিমই। নির্দিষ্ট একজন প্লেয়ার নয়। মোহনবাগান যেমন টিমগেম খেলে সাফল্য পেয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পুরো টিম আবার চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে।

৬) কোচের ভুল স্ট্র্যাটেজিও বড় ভূমিকা নিয়েছে। দিয়াজের ৩-৪-৩ স্ট্র্যাটেজি একেবারে ফ্লপ। যেখানে শক্তিশালী এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নড়বড় রক্ষণ নিয়ে দিয়াজের বেশি জোর দেওয়া উচিত ছিল ডিফেন্সে। পরে অবশ্য রক্ষণে চার জন ডিফেন্ডার রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন লাল-হলুদ কোচ। ততক্ষণে অনেকটাই দেরী হয়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা, টিমটাই এখনও তৈরি করে উঠতে পারেননি দিয়াজ। যে কারণে হতশ্রী ফুটবল খেলে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গলও।

বন্ধ করুন