বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > তিন দশক পরে নির্বাচন হবে মহমেডানে!
মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের টেন্ট (ছবি: গুগল)
মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের টেন্ট (ছবি: গুগল)

তিন দশক পরে নির্বাচন হবে মহমেডানে!

  • মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবে নির্বাচন হওয়ার ইঙ্গিত আসছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ক্লাবের ১৩০০ সদস্যের কাছে ক্লাবের নতুন কমিটিকে বেছে নেওয়ার সুযোগ আসবে। 

বিরোধীদের দাবি আপাতত খারিজ করল আদালত, মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবে নির্বাচন হওয়ার ইঙ্গিত আসছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ক্লাবের ১৩০০ সদস্যের কাছে সুযোগ থাকবে, তারা বেছে নিতে পারবেন তাদের প্রিয় কর্তাদের। তারা নির্বাচিত করতে পারবেন সেই কর্তাদের, যাদের হাতে তারা নিজেদের প্রিয় ক্লাবের দায়িত্ব তুলে দেবেন। 

শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ এনেছিলেন বহিষ্কৃত সচিব ওয়াসিম আক্রম। আসন্ন নির্বাচনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করার পাশাপাশি ক্লাব পরিচালনার ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ করার আবেদনও করেছিল বিরোধী গোষ্ঠী। সেই আবেদন আপাতত মঞ্জুর করেননি বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য। ফলে পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুসারে একজন পর্যবেক্ষককে সামনে রেখে দীর্ঘ ৩০ বছর পরে নির্বাচন হতে পারে কলকাতা ময়দান ও বাংলা তথা ভারত ও বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যশালী মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবে। 

বুধবার মহমেডানের বিরোধী গোষ্ঠীর নেতা ওয়াসিম আক্রমের সব দাবি উড়িয়ে দিলেন হাই কোর্টের মহামান্য বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য। সাদা-কালো শিবিরে নতুন কমিটি গড়ার জন্য আগামী ৩ জুলাই নির্বাচনের ডাক দিয়েছিল শাসক গোষ্ঠী। ২৩ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। 

আদালতের নির্দেশ আসার পর থেকে নির্বাচন নিয়ে তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে শাসক গোষ্ঠী। প্রায় ৩০ বছর পর সাদা-কালো শিবিরে নির্বাচন হতে চলেছে। মনোনয়নপত্র তোলার কাজ শুরু হয়ে যাবে। ক্লাবের সদস্য সংখ্যা ১৮০০-র বেশি হলেও, আপাতত প্রায় ১৩০০ সদস্য ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন। দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের মতো ‘কাম, কালেক্ট, কাস্ট’-এর মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে।

মহামান্য বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ২৩ জুন শাসক গোষ্ঠীকে ক্লাবের সদস্যদের তালিকা ও আয়-ব্যায়ের বাৎসরিক হিসেবে দিতে বলেছে আদালত। এই বিষয়ে শাসক গোষ্ঠীর আইনজীবী রবিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আদালতের রায় এখনও পর্যন্ত শাসক গোষ্ঠীর বিপক্ষে যায়নি। কারণ মহামান্য আদালত নির্বাচনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা ও ক্লাব পরিচালনার ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ করার পক্ষে এখনও রায় দেয়নি।’

বন্ধ করুন