বাংলা নিউজ > ময়দান > Jhulan Goswami: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫-৭ বছর টিকতেই ফিটনেসের জন্য লাগবে বাড়তি পরিশ্রম: ঝুলন গোস্বামী

Jhulan Goswami: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫-৭ বছর টিকতেই ফিটনেসের জন্য লাগবে বাড়তি পরিশ্রম: ঝুলন গোস্বামী

ঝুলন গোস্বামী (PTI)

ভারতীয় দলের হয়ে খেলা থেকে বিশ্বমঞ্চে একাধিক নজির গড়া ঝুলনের স্পষ্ট বক্তব্য ছোটবেলাতেই বুঝেছিলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫-৭ বছর টিকতে গেলেই ফিটনেস নিয়ে বাড়তি পরিশ্রম করতে হবে।

শুভব্রত মুখার্জি: ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটকে যে কয়েকজন বিশ্বের দরবারে পরিচিতি দিয়েছেন তাদের‌ অন্যতম ঝুলন গোস্বামী। বলা ভাল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের পেস বোলিং বিভাগকে বিশ্বের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন এক বঙ্গ তনয়া। দীর্ঘকায় 'চাকদা এক্সপ্রেস' ঝুলন গোস্বামীর হাত ধরেই তা বাস্তবে সম্ভব হয়েছিল। কয়েকমাস আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে শেষ হওয়া মহিলা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায় থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। তারপর থেকেই জল্পনা বেড়েছিল ঝুলনের অবসর নিয়ে। তবে আপাতত সেইসব নিয়ে মাথাই ঘামাতে রাজি নন ঝুলন। বরঞ্চ নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে বাড়তি উদ্যমে রোজ লড়াই চালাচ্ছেন।

চাকদা থেকে লোকাল ট্রেনে রোজ কলকাতা। সেখানে এসেই অনুশীলন। ফের ট্রেন ধরেই বাড়ি। এইভাবে দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে কেটেছে ঝুলনের প্রথম জীবন। পরবর্তী অধ্যায়টা প্রায় সকলের জানা। ভারতীয় দলের হয়ে খেলা থেকে বিশ্বমঞ্চে একাধিক নজির গড়া ঝুলনের স্পষ্ট বক্তব্য ছোটবেলাতেই বুঝেছিলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫-৭ বছর টিকতে গেলেই ফিটনেস নিয়ে বাড়তি পরিশ্রম করতে হবে। ছ’ফুট এক ইঞ্চি লম্বা বঙ্গ তনয়া ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়িকা বিভিন্ন বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমে তার খোলাখুলি মত ব্যক্ত করেছেন।

চলতি বছরের নভেম্বরে ৪০-এ পা দেবেন তিনি। অথচ তাঁর ফিটনেস এখনও ঈর্ষণীয়। এর নেপথ্যের পরিশ্রম আড়ালেই রয়ে গিয়েছে। ফিট থাকাটা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন ঝুলন। পাশাপাশি সেই পরিশ্রম করাটাও জরুরি বলে জানিয়ে দিলেন তিনি। ঝুলন আনন্দবাজার অনলাইনকে জানিয়েছেন 'আমার যে বয়স হচ্ছে তা ফিল্ডিং করতে গিয়ে বুঝতে পারি। মনে হয় ফিট থাকার আসলে কোনও বয়স হয় না। সুস্থ-সবল থাকতে চাওয়ার ইচ্ছেটাই বড়। সেই ইচ্ছেকে বাস্তবায়িত করতে যা যা করা প্রয়োজন, ধারাবাহিক ভাবে তা মেনে চলা উচিত। আমি ছোট থেকেই বুঝেছিলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অন্তত ৫-৭ বছর টিকে থাকতে হলেবাড়তি ট্রেনিং, কঠোর পরিশ্রম করে যেতে হবে। আমিও সেটাতেই বেশি করে সময় দিয়েছি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রুটিন বদলেছে। ট্রেনিং পদ্ধতি বদলেছে। ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়েনি কখনও। আমি রোজ সকালে উঠে মাঠে দৌড়াতে যাই। জিম করি। অনেক দিন পর্যন্ত খেলতে চাইলে এগুলি মেনে চলতেই হবে।’

বন্ধ করুন