বাংলা নিউজ > ময়দান > আর্চারির মাঠই ক্রিকেট মাঠে পরিণত হয়ে যাচ্ছে, হতাশ দীপিকাকে আশ্বস্ত করলেন গম্ভীর
গৌতম গম্ভীর এবং দীপিকা কুমারী।
গৌতম গম্ভীর এবং দীপিকা কুমারী।

আর্চারির মাঠই ক্রিকেট মাঠে পরিণত হয়ে যাচ্ছে, হতাশ দীপিকাকে আশ্বস্ত করলেন গম্ভীর

  • ২০১০ সালে কমনওয়েলথের তীরন্দাজির ইভেন্টগুলো হয়েছিল যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে। তখন দীপিকা টিনেজার। সেই কমনওয়েলথে সোনা পেয়ে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। তীর-ধনুক হাতে এটাই জীবনের প্রথম বড় সাফল্য ছিল দীপিকার।

যে যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে জীবনের প্রথম সবচেয়ে বড় সাফল্যটা পেয়েছিলেন দীপিকা কুমারী, সেই স্পোর্টস কমপ্লেক্স নাকি ক্রিকেট মাঠ হয়ে যাবে। আর এটা জেনেই যন্ত্রণায় ছটফট করে ওঠেন দীপিকা কুমারী। তিনি প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং বিজেপি-র নেতা গৌতম গম্ভীরের টুইট দেখে কাতর মিনতি জানিয়ে বলেন, যে যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের সঙ্গে তাঁর জীবনের প্রথম সুন্দর স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে, সেই মাঠটাকে যেন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে পরিণত না করা হয়।

আসলে বুধবার যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের একটি ৩২ সেকেন্ডের ভিডিয়ো দিয়ে গৌতম গম্ভীর টুইটে লিখেছিলেন, ‘ভাল ভাবনা এবং কঠোর পরিশ্রম, এর কোনও বিকল্প হয় না। পূর্ব দিল্লি প্রো-ক্রিকেটের জন্য তৈরি।’

এই টুইট দেখেই খুবই কষ্ট পান ভারতের অন্যতম সেরা মহিলা তীরন্দাজ দীপিকা কুমারী। এই মাঠেই ২০১০ সালে কমনওয়েলথের তীরন্দাজির ইভেন্টগুলো হয়েছিল। তখন দীপিকা টিনেজার। সেই কমনওয়েলথে সোনা পেয়ে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। তীর-ধনুক হাতে এটাই জীবনের প্রথম বড় সাফল্য ছিল দীপিকার।

দীপিকা পাল্টা টুইট করে লিখেন, ‘২০১০ কমনওয়েলথ গেমসে এই মাঠেই আমি দীপিকা হয়েছিলাম। প্লিজ আর্চারির এই গ্রাউন্ডকে ক্রিকেট গ্রাউন্ড করবেন না। এটা এশিয়ার অন্যতম সেরা অর্চারি গ্রাউন্ড। আন্তর্জাতিক আর্চারি টুর্নামেন্ট এই মাঠে হয়ে থাকে।’ এই টুইটে তিনি ট্যাগ করেছেন পিএমওইন্ডিয়া এবং কিরেণ রিজিজুকেও।

দীপিকার এই টুইটের পাল্টা  টুইট করে তাঁকে চিন্তামুক্ত করেছেন গৌতম গম্ভীর। তিনি সেই টুইটে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘যমুনা স্পোর্টস গ্রাউন্ডকে পাল্টিয়ে দেওয়া হচ্ছে না, এর শুধু উন্নতি করা হচ্ছে। তীরন্দাজি এবং অন্য খেলাও এখানে একই ভাবে হবে, যেমন আগে হত। আমি নিজে একজন ক্রীড়াবিদ, তাই কখনও চাইব না, কোনও ক্রীড়াবিদের উন্নতিতে সমস্যা হোক!’

গম্ভীরের এই উত্তরে অবশ্য নিশ্চিন্ত হয়েছেন, দীপিকা। তিনি পাল্টা লিখেছেন, ‘এটা শুনে আমি খুব আশ্বস্ত হলাম। এই মাঠটা আমার কাছে অনেক কিছু। আমাদের আবেগকে বোঝার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।’

এই বছর অলিম্পিক্সে একমাত্র মহিলা তিরন্দাজ হিসেবে টোকিও-তে যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়েছেন দীপিকা কুমারী। তিনি প্যারিসে অনুষ্ঠিত তীরন্দাজি বিশ্বকাপে তিনটি সোনা পেয়েছেন। ভারতের পুরুষ দলও ইতিমধ্যেই অলিম্পিক্সের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছে। সেই দলে রয়েছেন দীপিকার স্বামী অতনু দাসও।

বন্ধ করুন