বাংলা নিউজ > ময়দান > Padma Shri: ভারতকে একাধিক তারকা উপহার দিয়েছেন; পদ্মশ্রী পেলেন আজাদ, জাদেজা, কার্তিকদের 'স্যার'

Padma Shri: ভারতকে একাধিক তারকা উপহার দিয়েছেন; পদ্মশ্রী পেলেন আজাদ, জাদেজা, কার্তিকদের 'স্যার'

সম্মান পেতে চলেছেন গুরচরণ সিং। ছবি টুইটার

৮৭ বছর বয়সে এসে এই অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন গুরচরণ সিং। উল্লেখ্য নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারে তিনি কোনওদিনও জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাননি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেই শেষ হয়েছিল ক্রিকেটার গুরচরণ সিংয়ের ক্রিকেট কেরিয়ার।

শুভব্রত মুখার্জি: পদ্মশ্রী সম্মান পেলেন জনপ্রিয় ক্রিকেট কোচ গুরচরণ সিং। দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় ক্রিকেটের কোচ হিসেবে এই সম্মান পেতে চলেছেন তিনি। উল্লেখ্য ১৯৮৬ সালে দ্রোণাচার্য পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। দেশপ্রেম আজাদের পরবর্তীতে তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে দ্রোণাচার্য পুরস্কার এবং পদ্মশ্রী পুরস্কার পেতে চলেছেন। পাতিয়ালার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্পোর্টস থেকে কোচিংয়ের ডিপ্লোমা করেছেন তিনি। এরপর দিল্লি-সহ ভারতের একাধিক ক্রিকেটারকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি দিল্লির সাই কেন্দ্রের প্রধান কোচের দায়িত্বে রয়েছেন।

৮৭ বছর বয়সে এসে এই অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন গুরচরণ সিং। উল্লেখ্য নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারে তিনি কোনওদিনও জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাননি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেই শেষ হয়েছিল ক্রিকেটার গুরচরণ সিংয়ের ক্রিকেট কেরিয়ার। ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে খেলেছেন এমন ১২ জন ক্রিকেটারকে তৈরি করার অবদান রয়েছে তাঁর। ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর প্রায় ১০০-রও বেশি ছাত্র রয়েছে যাঁরা ক্রিকেটের ২২ গজকে মাতিয়েছেন বা এখনও মাতাচ্ছেন।

গুরচরণ সিংয়ের যেসব ছাত্ররা আন্তর্জাতিক মঞ্চে সফলতার সঙ্গে খেলেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কীর্তি আজাদ, অজয় জাদেজা, মনিন্দর সিং, মুরলি কার্তিকের মতো ক্রিকেটাররা। ২০১৫ সালে তাঁকে সম্মান‌ জানাতে দিল্লি এবং ভারতের হয়ে খেলা ক্রিকেটাররা একত্রিত হয়েছিলেন একটি প্রর্দশনী টি-২০ ম্যাচ খেলার জন্য। দিল্লিতেই খেলা হয়েছিল এই বিশেষ ম্যাচটি। গুরচরণ সিংয়ের ৮০ বছরের জন্মদিন পালন করতেই খেলা হয়েছিল এই ম্যাচ। দিল্লিতে দ্রোণাচার্য ক্রিকেট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। এছাড়াও দিল্লি ব্লুজ এবং ন্যাশনাল ক্রিকেট সেন্টার নামক দুটি ক্রিকেট ক্লাবও চালান।

তাঁর অন্যতম কৃতী ছাত্র মনিন্দর সিং জানিয়েছেন 'আমাদের কোচ হওয়ার পাশাপাশি উনি আমাদের জীবনের গুরুও। মনে আছে আমি ক্রিকেট খেলাটা ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম। স্যার নিজের বাইকে চেপে আমার বাড়ি চলে এসেছিলেন। আমাকে মাঠে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।'

বন্ধ করুন