বাংলা নিউজ > ময়দান > পিসিবি অন্যায় করেছিল, ১১-র সেমিফাইনালে খেললে সচিনদের আউট করতাম: আখতার
১১-র সেমিফাইনালে খেললে সচিনদের আউট করতাম: আখতার

পিসিবি অন্যায় করেছিল, ১১-র সেমিফাইনালে খেললে সচিনদের আউট করতাম: আখতার

  • এত বছর পরেও সেই হারটা বেদনা দেয় শোয়েবকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। স্পোর্টসক্রীড়ার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে শোয়েব জানিয়েছেন ম্যানেজমেন্ট তার সঙ্গে একেবারেই সঠিক ব্যবহার করেনি।

শুভব্রত মুখার্জি: ২২ গজ হোক কিংবা তার বাইরে বরাবরের বর্ণময় চরিত্র শোয়েব আখতার। তিনি মুখ খুললেই বিভিন্ন সময়ে উস্কে দিয়েছেন বিতর্ক। বিভিন্ন সময় কোনও রাখঢাক না করেই মন্তব্য করেছেন তিনি। স্পর্শকাতর বিষয়েও নিজের মতামত জানাতে পিছপা হননি। এবারও মুখ খুলে কার্যত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধেই তোপ দেখে বসলেন। তার স্পষ্ট বক্তব্য ২০১১ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে তিনি খেললে সচিন, সেওয়াগদের উইকেট নিতেন বলে তার দাবি। খেলার সুযোগ না দিয়ে পাকিস্তান যে তার সঙ্গে অন্যায় করেছে সে কথাও তিনি জানাতে ভোলেননি।

প্রসঙ্গত ২০১১ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মোহালিতে ভারতের কাছে হেরে গিয়েছিল পাকিস্তান। সেবার ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ২৮ বছর পরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। এত বছর পরেও সেই হারটা বেদনা দেয় শোয়েবকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। স্পোর্টসক্রীড়ার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে শোয়েব জানিয়েছেন ম্যানেজমেন্ট তার সঙ্গে একেবারেই সঠিক ব্যবহার করেনি।

শোয়েব বলেন 'মোহালির স্মৃতি এখনও আমাকে বেদনা দেয়। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সেই স্মৃতি এখনও কষ্ট দেয়। আমাকে ওদের (টিম ম্যানেজমেন্টের) অবশ্যই খেলানো উচিত ছিল। আমার সঙ্গে টিম ম্যানেজমেন্ট অন্যায় করেছিল। আমি জানতাম আমার আর মাত্র দুটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। আমার মনের মধ্যে ইচ্ছে ছিল যাতে করে ওয়াংখেড়েতে পাকিস্তানের পতাকা সবার উপরে ওড়াতে পারি এবং দল ফাইনালে খেলুক। আমি জানতাম ভারত প্রচণ্ড চাপে রয়েছে। গোটা দেশ, মিডিয়ার নজর ছিল দলের প্রতি। যার মানে আমরা আন্ডারডগ ছিলাম। সেই কারণেই আমি মনে করি আমাদের চাপ নেওয়ার কোনও প্রয়োজনীয়তাই ছিল না।'

তিনি আরও যোগ করেন 'ওরা (ম্যানেজমেন্ট) আমাকে বলেছিল আমি আনফিট। তবে আমি ওয়ার্ম আপের সময় টানা ৮ ওভার বল করেছিলাম। আমি ওই ম্যাচে খেললে নিশ্চিতভাবেই সচিন, সেওয়াগকে আউট করতাম। ফলে ডাগ আউটে ৫-৬ ঘণ্টা বসে পাকিস্তানের হার দেখাটা খুব কঠিন ছিল। এতটাই দুঃখী ছিলাম যে সাজঘরে কিছু জিনিস ভেঙেও ফেলি। আমি জানতাম ম্যাচের ওই প্রথম ১০টা ওভার ম্যাচের রং বদলে দিতে পারত। গোটা দেশের মতন আমিও অত্যন্ত রেগে ছিলাম, দুঃখী ছিলাম।'

বন্ধ করুন