বাংলা নিউজ > ময়দান > ব্যাকিং পেলে ৫৫০ উইকেট নিতাম, অবসর নিয়েই ধোনির বিরুদ্ধে সরব হরভজন
শুক্রবারই অবসর ঘোষণা করেন হরভজন সিং। ছবি- এএনআই। (ANI)
শুক্রবারই অবসর ঘোষণা করেন হরভজন সিং। ছবি- এএনআই। (ANI)

ব্যাকিং পেলে ৫৫০ উইকেট নিতাম, অবসর নিয়েই ধোনির বিরুদ্ধে সরব হরভজন

  • ২০১৬ সালের পর আর জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলার সুযোগ হয়নি হরভজনের।

১৯৯৮ সালে ভারতের হয়ে টিনএজার হরভজন সিং অভিষেক ঘটানোর পর ১০৩টি টেস্ট, ২৩৬টি ওয়ান ডে এবং ২৮টি ওয়ান ডে খেলেছেন জাতীয় দলের হয়ে। তবে শুক্রবারই (২৪ ডিসেম্বর) নিজের ২৩ বছরের বর্ণময় ক্রিকেট কেরিয়ারে ইতি টানেন হরভজন। টেস্টে ৪০০-র অধিক উইকেট নিলেও একটু সমর্থন পেলেই তা ৫০০-র উর্ধ্বে যেতেই পারত বলে আক্ষেপ কিংবদন্তি ভারতীয় স্পিনারের গলায়।

২০০৭, ২০১১ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের অংশ হরভজন নিজের ভেল্কির জালে বিশ্বক্রিকেটের তাবড় তাবড় ব্যাটারকে কুপোকাত করেছেন। তবে ২০২১ এসে অবসর নিলেও ২০১১ বিশ্বকাপের পর থেকেই হরভজনের ভারতীয় দলে জায়গা টলমল হতে শুরু করে। বিশ্বকাপ জয়ের বছরে প্রথমে ওয়ান ডে এবং পরে টেস্ট দল থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। ২০১২ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দলে পুনরায় সুযোগ পেলেও, তেমন সাফল্য না পাওয়ায় আবার ছাঁটাই হন ভাজ্জু। দলের ভিতরে-বাইরে হতে হতে ২০১৬ সালের পর আর জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলার সুযোগ হয়নি হরভজনের।

২০১২ সালের খারাপ ফর্মের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় দলের একটু সমর্থন পেলেই তাঁর টেস্টে উইকেট সংখ্যাটা ৫০০-র ওপরেই গিয়ে দাঁড়াত বলে বিশ্বাস হরভজনের। Dainik Jagran-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হরভজন আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘সব ক্রিকেটারই দলের তরফে সমর্থনের আশা করে। আমার মতে আমি যদি সঠিক সময়ে সমর্থনটা পেতাম, তাহলে ৫০০ থেকে ৫৫০ উইকেট নেওয়ার পর অনেক আগেই অবসর নিয়ে নিতাম। আমি তো মাত্র ৩১ বছর বয়সে ৪০০ উইকেট নিই। আর তিন-চার বছর খেললেই আমি ৫০০ উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছে যেতাম, তবে দুর্ভাগ্যবশত তা হয়নি।’

অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জমানায় উত্থান হরভজনের। সৌরভের থেকে সমর্থন পেলেও ২০১২ সালে তৎকালীন ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি যে তাঁকে ব্যাক না করায় রুষ্ট হয়েছেন ভাজ্জি তা বুঝতে কারুরই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এই বিষয়ে হরভজন বলেন, ‘এর পিছনে অনেক কারণ ছিল এবং সেই বিষয়ে কথা বলতে গেলে অনেক কিছু হারাতে হবে। যদি ৪০০ উইকেট নেওয়ার পর কারুর সমর্থনের প্রয়োজন হয়, তাহলে আমি জানি না আমরা নিজেদের ক্রিকেটারদের কী নজরে দেখি। সমর্থন করা বা না করাটা নির্দিষ্ট কয়েকজনের ওপর নির্ভরশীল। ২০০১-০২ সালে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সমর্থনের পর ২০১২ সালে আমার ব্যাকিংয়ের দরকার ছিল। সেটা পেলে আমার কেরিয়ার আরও ভাল হতে পারত।’

বন্ধ করুন