বাংলা নিউজ > ময়দান > মানসিক ক্লান্তি কাটাতে পূর্ণ সময়ের ক্রীড়া মনোবিদ নিয়োগের পক্ষে সওয়াল হরমনপ্রীতের
হরমনপ্রীত কউর। ছবি- পিটিআই (PTI)

মানসিক ক্লান্তি কাটাতে পূর্ণ সময়ের ক্রীড়া মনোবিদ নিয়োগের পক্ষে সওয়াল হরমনপ্রীতের

  • ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-২০ ম্যাচ খেলতে নামার আগে তার বক্তব্য 'দল হিসেবে আমরা সবসময় এই বিষয়টা (মানসিক ক্লান্তি) নিয়ে আলোচনা করে থাকি। তোমার পারফরম্যান্স কখনও উঠবে কখনও নামবে।

শুভব্রত মুখার্জি: বিশ্বের যে কোনও খেলাতেই খেলোয়াড়দের উপর মানসিক চাপ বা ক্লান্তি একটা বড় বিষয়। তাবড় তাবড় স্পোর্টসম্যান বা ওম্যান এই সমস্যায় আগেও ভুগেছেন এখনও ভুগছেন। নাওমি ওসাকা থেকে বেন স্টোকস এমনকি বিরাটও এই কথা জনসমক্ষে স্বীকার করে নিয়েছেন। টানা খেলা। দিনের পর দিন চাপের মধ্যে থেকে খেলার ফলে মানসিক ক্লান্তি আসাটাও স্বাভাবিক। আর সেই বিষয়টাই এবার সামনে আনলেন ভারতীয় সিনিয়র মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়িকা হরমনপ্রীত কৌর। তার পাশাপাশি দলের জন্য সর্বক্ষণের ক্রীড়া মনোবিদ নিয়োগের পক্ষে সওয়ালও করেছেন তিনি।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-২০ ম্যাচ খেলতে নামার আগে তার বক্তব্য 'দল হিসেবে আমরা সবসময় এই বিষয়টা (মানসিক ক্লান্তি) নিয়ে আলোচনা করে থাকি। তোমার পারফরম্যান্স কখনও উঠবে কখনও নামবে। ওই সময়ে বিরতি নেওয়াটা উচিত। নিজেকে আরো বেশি পুশ না করাই উচিত। দল হিসেবে আমরা সেই ক্রিকেটারকে সবসময় সাহায্য করতে চাই। ক্রিকেটারদের বিশ্রাম নেওয়ার বিষয়তে আমরা বেশ উদার। মানসিক ক্লান্তি থাকলে তুমি যেভাবে চাইছ কোনও সময় সেইভাবে তুমি পারফরম্যান্স করতে পারবে না।'

উল্লেখ্য ভারত বনাম ইংল্যান্ড মহিলা দলের টি-২০ সিরিজ শুরুর আগেই ইংল্যান্ডের মহিলা ক্রিকেটার ন্যাট স্কিভার এই মানসিক ক্লান্তির কারণে সরে দাঁড়িয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বলতে গিয়ে হরমনপ্রীত বলেন 'গত বছর আমার ঠিক এমনটাই হয়েছিল। পরপর ক্রিকেট খেলার ফলে আমাকে এই পর্যায়টার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল। এই বছরও কমনওয়েলথ গেমসের পরেই ছিল দ্য হান্ড্রেড। তবে আমি বিশ্রাম নিতে চেয়েছিলাম। পরপর খেলা মানসিকভাবে প্রভাব ফেলে। ফলে মাঝে মধ্যে বিশ্রাম নেওয়াটা দরকার রয়েছে। নিউজিল্যান্ড সফরে আমরা বাভারের (ড: মুগ্ধা বাভারে) খুব সাহায্য পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমি আশা করব ভবিষ্যতেও আমরা ওনাকে আমাদের সঙ্গে পাব। কারণ এই মুহূর্তে আমরা অতিরিক্ত নজর দিচ্ছি আমাদের শারীরিক ফিটনেস এবং খেলার স্কিলের প্রতি। তবে মানসিক স্কিলকেও আমাদের সিরিয়াসলি নিতে হবে। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার চাপটাই আলাদা। কারণ আমাদের উপর আলাদা করে প্রত্যাশা থাকে। সেই সময়তে মানসিক চাপ বাড়ে। তখন এমন একজনকে চাই যে আমাদেরকে এই চাপ কমিয়ে সঠিক দিশা দেখাতে পারে। তাহলে বিষয়টা অনেকটা সহজ হয়। তুমি কত বড় খেলোয়াড় হয়ে যাওনা কেন এটা তোমার দরকার পড়বে। মুগ্ধা আমাকে খুব সাহায্য করেছে। এমন কেউ দলের সঙ্গে সবসময় থাকা খুব জরুরি।'

বন্ধ করুন