বাংলা নিউজ > ময়দান > জিম্বাবোয়ে ক্রিকেটারের করুণ আর্জিতে দ্রুতই মিটল দীর্ঘ দিনের সমস্যা
আঠা দিয়ে জুতো লাগিয়ে চালাতে হচ্ছে কাজ। ছবি- টুইটার।
আঠা দিয়ে জুতো লাগিয়ে চালাতে হচ্ছে কাজ। ছবি- টুইটার।

জিম্বাবোয়ে ক্রিকেটারের করুণ আর্জিতে দ্রুতই মিটল দীর্ঘ দিনের সমস্যা

  • জিম্বাবোয়ের অলরাউন্ডার রায়ান বার্লের কাতর আর্জি সোশ্যাল মিডিয়ায়।

করোনাকালে কম বেশি সব ক্রিকেট বোর্ডেরই আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তবে জিম্বাবোয়ে ক্রিকেটের দশা যেন সবচেয়ে করুণ। শুধু করোনার জন্য নয় বহুদিন আগে থেকেই জিম্বাবোয়ে ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়।

এই কারণেই ব্রেন্ডন টেলর, ব্লেসিং মুজারাবানিসহ দেশের একাধিক ভাল ক্রিকেটার বাধ্য হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে গিয়ে ইংল্যান্ড বা অন্যান্য দেশে নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আর্থিকভাবে নিজের প্রাপ্য না পাওয়ার দিকেই ইঙ্গিত করে ২০১৫ বিশ্বকাপের পর কাউন্টি ক্রিকেট খেলার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবোয়ের তারকা ক্রিকেটার ব্রেন্ডন টেলর। ছয় বছর পরে দেশের ক্রিকেটের আবারও সেই বেহাল দশা ধরা পড়ল অলরাউন্ডার রায়ান বার্লের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে।

বার্ল একটি ছবি পোস্ট করেন যেখানে তিনি নিজের জুতো আঠা দিয়েই মেরামত করছেন। পোস্টে বার্ল করুণ সুরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, এক জুতো প্রস্তুতকারী সংস্থাদের ট্যাগ করে আর্জি জানান, ‘কোনভাবে কোন স্পনসর পাওয়া সম্ভব, যাতে প্রতি সিরিজের পর আর আমাদের আঠা দিয়ে নিজের জুতো আটকাতে না হয়?’ মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। একাধিক ক্রিকেট ভক্ত তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসলেও, অনেকে নানাবিধ প্রশ্নও তোলেন।

এক সমর্থক জানান তিনি বার্ল ও তাঁর সতীর্থদের স্পনসর না হতে পারলেও, তাঁদের সকলের জুতো তিনি স্পনসর করতে ইচ্ছুক। তো কেউ কেউ আবার বিসিসিআইকে তাঁদের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার আর্জি জানায়, যাতে টিভি স্বত্ব থেকে তাঁরা কিছু উপার্জন করতে পারে। আবার অনেকে তাঁদের পারফর্ম্যান্স ভালো করারও কড়া উপদেশ দেন।

তবে অবশেষে কিছুটা পরে হলেও মিলেছে আশ্বাস। বার্লের ডাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসছে এক ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা। বার্লের টুইটের জবাবে তাঁরা লেখেন, ‘আঠা সরিয়ে রাখার সময় চলে এসছে। আমরা তোমাদের এ বিষয়ে দেখাশোনার দায়িত্ব নিলাম।’ জবাবে সেই সংস্থাকে ধন্যবাদ জানাতেও ভোলেননি বার্ল।

বন্ধ করুন