বাংলা নিউজ > ময়দান > দল থেকে বাদ পড়ে বন্ধ করেছিলেন সুইপ খেলা, ১৫ বছর বাদে সেই শটেই কামাল অশ্বিনের
সুইপ করছেন রবি অশ্বিন (PTI)
সুইপ করছেন রবি অশ্বিন (PTI)

দল থেকে বাদ পড়ে বন্ধ করেছিলেন সুইপ খেলা, ১৫ বছর বাদে সেই শটেই কামাল অশ্বিনের

  • ১৯ বছরে বয়সে ছেড়েছিলেন সুইপ খেলা। 

স্পিন সহায়ক উইকেটে স্পিনকে কাউন্টার করতে ব্যাটসম্যানদের সবথেকে বড় অস্ত্র সুইপ। কোনো কোনো ব্যাটসম্যান ট্র্যাডিশানাল সুইপ খেলে ,আবার কেউ রিভার্স সুইপ খেলে স্পিনারদের বিপাকে ফেলার দেওয়ার চেষ্টা করেন । সচিনের মতন কিংবদন্তি ক্রিকেটার আবার ওয়ার্নের মতন বোলারের স্পিনকে কাউন্টার করতে প্যাডেল সুইপের আশ্রয় নিয়েছিলেন। চেন্নাইয়ে প্রথম টেস্টে জো রুট এই সুইপ শটের আশ্রয় নিয়ে ভারতীয় বোলারদের শাসন করেন।

দ্বিতীয় টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে পরপর বেশ কয়েকটি উইকেট পড়ে যাওয়ার পরে একটা সময় বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিল ভারত। এরপর বিরাট - অশ্বিন জুটি ভারতকে টেনে নিয়ে যেতে থাকেন। বিরাট অর্ধশতরান করার পরে আউট হয়ে গেলেও অশ্বিন অসাধারণ ব্যাটিংয়ের পরিচয় দিয়ে ‌তার জীবনের পঞ্চম শতরান সম্পন্ন করে ভারতকে বেশ ভাল জায়গায় পৌঁছে দেন।

ম্যাচ শেষে তাঁর ইনিংসের উপর আলোকপাত করতে গিয়ে এক অজানা কাহিনি সকলের সামনে তুলে ধরলেন অশ্বিন। জানালেন প্রায় ১৫ বছর বাদে তিনি ফের ২২ গজে স্পিনারের বিরুদ্ধে খেললেন সুইপ। আর এই শটের মাধ্যমেই করে ফেললেন কামাল। রুটদের প্রথম ইনিংসে পাচ উইকেট নেওয়ার পরে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে এক অসাধারণ শতরানের ইনিংস খেলেন তিনি। এই বিষয় বলতে গিয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিন জানান ' শেষ টেস্টের পরে আমরা চিন্তা ভাবনা করছিলাম কিভাবে লিচের বোলিংকে কাউন্টার করতে করব। তখন আমরা আমাদের খেলায় সুইপ শটকে নিয়ে আসার ভাবনা চিন্তা করি।আমার যতদূর মনে পড়ে আমার বয়স যখন ১৯ তখন আমি শেষবার সুইপ শট খেলেছিলাম। শট খেলতে গিয়ে আউট হয়ে যাই। তারপর টিম থেকে আমাকে বসিয়ে দেওয়া হয়। তারপর কোনদিন আর এই শটটা খেলিনি। আমি এই শটটা শেষ এক সপ্তাহ বা ১০ দিন ধরে অনুশীলন করছিলাম। আমি ১৩-১৪ বছর বাদে আজ এই শটটা খেললাম।।' 

এই সুইপ খেলতে যে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন ব্য়াটিং কোচ বিক্রম রাঠোর, সেটাও বলেন তিনি। তাঁকে যে ভিন্ন ভিন্ন শট খেলতে উৎসাহিত করা হয়েছে, সেই কথাও বলেন অশ্বিন। প্রসঙ্গত, এর আগে চারটি শতরান থাকলেও গত কয়েক বছর ধরে ক্রমশ ম্লান হয়ে যাচ্ছিল অশ্বিনের ব্য়াটিং। সিডনিতে বিহারীর সঙ্গে ম্যাচ বাঁচানোর পর তিনি যে আত্মবিশ্বাস পেয়েছেন, সেটারই ঝলক দেখা গেল ঘরের মাঠে, এটা হলফ করে বলা যায়।

 

স্পিন সহায়ক উইকেটে স্পিনকে কাউন্টার করতে ব্যাটসম্যানদের সবথেকে বড় অস্ত্র সুইপ। কোনো কোনো ব্যাটসম্যান ট্র্যাডিশানাল সুইপ খেলে ,আবার কেউ রিভার্স সুইপ খেলে স্পিনারদের বিপাকে ফেলার দেওয়ার চেষ্টা করেন । সচিনের মতন কিংবদন্তি ক্রিকেটার আবার ওয়ার্নের মতন বোলারের স্পিনকে কাউন্টার করতে প্যাডেল সুইপের আশ্রয় নিয়েছিলেন। চেন্নাইয়ে প্রথম টেস্টে জো রুট এই সুইপ শটের আশ্রয় নিয়ে ভারতীয় বোলারদের শাসন করেন।

দ্বিতীয় টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে পরপর বেশ কয়েকটি উইকেট পড়ে যাওয়ার পরে একটা সময় বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিল ভারত। এরপর বিরাট - অশ্বিন জুটি ভারতকে টেনে নিয়ে যেতে থাকেন। বিরাট অর্ধশতরান করার পরে আউট হয়ে গেলেও অশ্বিন অসাধারণ ব্যাটিংয়ের পরিচয় দিয়ে ‌তার জীবনের পঞ্চম শতরান সম্পন্ন করে ভারতকে বেশ ভাল জায়গায় পৌঁছে দেন।

ম্যাচ শেষে তাঁর ইনিংসের উপর আলোকপাত করতে গিয়ে এক অজানা কাহিনি সকলের সামনে তুলে ধরলেন অশ্বিন। জানালেন প্রায় ১৫ বছর বাদে তিনি ফের ২২ গজে স্পিনারের বিরুদ্ধে খেললেন সুইপ। আর এই শটের মাধ্যমেই করে ফেললেন কামাল। রুটদের প্রথম ইনিংসে পাচ উইকেট নেওয়ার পরে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে এক অসাধারণ শতরানের ইনিংস খেলেন তিনি। এই বিষয় বলতে গিয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিন জানান ' শেষ টেস্টের পরে আমরা চিন্তা ভাবনা করছিলাম কিভাবে লিচের বোলিংকে কাউন্টার করতে করব। তখন আমরা আমাদের খেলায় সুইপ শটকে নিয়ে আসার ভাবনা চিন্তা করি।আমার যতদূর মনে পড়ে আমার বয়স যখন ১৯ তখন আমি শেষবার সুইপ শট খেলেছিলাম। শট খেলতে গিয়ে আউট হয়ে যাই। তারপর টিম থেকে আমাকে বসিয়ে দেওয়া হয়। তারপর কোনদিন আর এই শটটা খেলিনি। আমি এই শটটা শেষ এক সপ্তাহ বা ১০ দিন ধরে অনুশীলন করছিলাম। আমি ১৩-১৪ বছর বাদে আজ এই শটটা খেললাম।।' 

এই সুইপ খেলতে যে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন ব্য়াটিং কোচ বিক্রম রাঠোর, সেটাও বলেন তিনি। তাঁকে যে ভিন্ন ভিন্ন শট খেলতে উৎসাহিত করা হয়েছে, সেই কথাও বলেন অশ্বিন। প্রসঙ্গত, এর আগে চারটি শতরান থাকলেও গত কয়েক বছর ধরে ক্রমশ ম্লান হয়ে যাচ্ছিল অশ্বিনের ব্য়াটিং। সিডনিতে বিহারীর সঙ্গে ম্যাচ বাঁচানোর পর তিনি যে আত্মবিশ্বাস পেয়েছেন, সেটারই ঝলক দেখা গেল ঘরের মাঠে, এটা হলফ করে বলা যায়।

|#+| 

বন্ধ করুন