বাংলা নিউজ > ময়দান > মাঠে বসে Euro Final দেখতে চেয়েছিলেন, নিজে হেরেও দেশের জয়ে শোক ভুললেন বেরেত্তিনি
মাতেয়ো বেরেত্তিনি।
মাতেয়ো বেরেত্তিনি।

মাঠে বসে Euro Final দেখতে চেয়েছিলেন, নিজে হেরেও দেশের জয়ে শোক ভুললেন বেরেত্তিনি

  • উইম্বলডনের ফাইনালে নোভক জকোভিচের কাছে হেরে স্বপ্ন ভঙ্গ হয় বেরেত্তিনির। আর তাঁর সেই স্বপ্ন ভঙ্গের রাতে ইতিহাস গড়লেন চেলিনিরা।

উইম্বলডনের মঞ্চ যখন হতাশ করেছে ইতালিকে, সে দিন রাতেই আবার আজুরিদের ভাঁড়ার সাফল্যে পূরণ করে দিয়েছে ইউরো কাপ। একই দিনে হতাশা এবং বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাসের সাক্ষী থেকেছে ইতালি। সেই উচ্ছ্বাসে সামিল হয়েছেন ২৫ বছরের মাতেয়ো বেরেত্তিনি। নোভক জকোভচের সঙ্গে হারের পরেও জিয়োর্জিও চেলেনিদের সাফল্যে আবেগ প্রবণ হয়ে পড়েছেন ইতালির তারকা টেনিস প্লেয়ার।

রবার্তো মানচিনির ছেলেদের মতোই রবিবার উইম্বলডনের ঘাসের কোর্টে ইতিহাস তৈরি করতে পারতেন বেরেত্তিনি। কিন্তু ফাইনালে নোভক জকোভিচের কাছে হেরে স্বপ্ন ভঙ্গ হয় তাঁর। আর বেরেত্তিনির সেই স্বপ্ন ভঙ্গের রাতে অবশ্য ইতিহাস গড়লেন চেলিনিরা। পেনাল্টি শ্যুট আউটে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ৫৩ বছর পর দ্বিতীয় বার ইউরো কাপের খেতাব জিতে আজ্জুরিরা ইতিহাস তৈরি করেছে।

বেরেত্তিনি বলছিলেন, ‘হতাশাকে কাটিয়ে ওঠার জন্য আমি ম্যাচটি লাইভ দেখতে চেয়েছিলাম। খুব মজা হত। উইম্বলডনের ফাইনালের সময়ে আমার বাবা-মায়ের চেয়ে আমিই বেশি নার্ভাস ছিলাম।’

২৫ বছরের টেনিস তারকা উইম্বলডনের ফাইনালের শুরুটা খারাপ করেননি। প্রথম সেট ৭-৬ (৭-৪) জিতেও নেন। কিন্তু দ্বিতীয় সেট থেকে জোকার ঘুরে দাঁড়ান। তার পর আর কিছু করে উঠতে পারেননি বেরেত্তিনি। জকোভিচ ঝড়ে কার্যত তিনি উড়ে যান। ৪-৬, ৪-৬, ৩-৬-এ হেরে যান ইতালির টেনিস তারকা।

বন্ধ করুন