বাংলা নিউজ > ময়দান > WTC Final-এ নিয়মিত আবহাওয়ার খবর পৌঁছে দেওয়া পরও গালি খেতে হয়েছে ‘ওয়েদারম্যানকে’
দীনেশ কার্তিক।
দীনেশ কার্তিক।

WTC Final-এ নিয়মিত আবহাওয়ার খবর পৌঁছে দেওয়া পরও গালি খেতে হয়েছে ‘ওয়েদারম্যানকে’

  • এই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে সুনীল গাভাস্কর ছাড়া ভারতীয় ধারাভাষ্যকরদের মধ্যে ছিলেন একমাত্র দীনেশ কার্তিক। প্রথম বার ধারাভাষ্য দিয়ে উচ্ছ্বসিতও ছিলেন কার্তিক। ধারাভাষ্য দেওয়ার পাশাপাশি নিয়ম করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবহাওয়ার খবরও দিতেন তিনি। যার ফলে ডিকে-কে নিয়ে বেশ চর্চাও শুরু হয়ে গিয়েছিল।

সাউদাম্পটনে বৃষ্টিবিঘ্নিত বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল চলার সময়ে নিয়ম করে আবহাওয়ার খবর ক্রিকেট ভক্তদের কাছে পৌঁছে দিতেন দীনেশ কার্তিক। তাঁর নতুন নামকরণও হয়েছিল। ‘ওয়েদারম্যান’ বলেই তিনি পরিচিত হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু নিয়ম করে খবর পৌঁছে দেওয়ার পর কিন্তু তাঁকে ক্রিকেট ভক্তদের কাছেে গালিও খেতে হয়েছিল। এমনটা নিজেই জানিয়েছেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান দীনেশ কার্তিক।

এই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে সুনীল গাভাস্কর ছাড়া ভারতীয় ধারাভাষ্যকরদের মধ্যে ছিলেন একমাত্র দীনেশ কার্তিক। প্রথম বার ধারাভাষ্য দিয়ে উচ্ছ্বসিতও ছিলেন কার্তিক। ধারাভাষ্য দেওয়ার পাশাপাশি নিয়ম করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবহাওয়ার খবরও দিতেন তিনি। যার ফলে ডিকে-কে নিয়ে বেশ চর্চাও শুরু হয়ে গিয়েছিল। দীনেশ কার্তিকের থেকে সাউদাম্পটনের আবহাওয়ার খবর পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহেই অপেক্ষা করতেন ক্রিকেট ভক্তরা। তবে এর জন্য তিনি কিন্তু বাঁশও খেয়েছেন।

দীনেশ কার্তিক বলছিলেন, ‘ওয়েদারম্যান আমার কাছে একটা সময়ে যন্ত্রণারই হয়ে গিয়েছিল। প্রথম দিন অনেক প্রশংসা পেয়েছি। দ্বিতীয় দিন খুব খুশি হয়েছে (নেটিজেনরা)। তৃতীয় দিন আমাকে গালি দিতে শুরু করে। ইয়ার আমি ঘুমোতে চাই। প্রতিদিন আবহাওয়ার খবর দেওয়ার জন্য সকাল ৬টায় আমি উঠতে পারব না। আসলে এটা সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলে খুব সিরিয়াসলি নিয়েছিল। সকালে উঠতে না পরলেই আমাকে গালি দেওয়া শুরু হত, এবং বলা হত, উঠে পড়ো! কী করছো এখনও? সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারিনি বলে যা যা শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা আমি বলতেও পারব না। এমন কী বৃষ্টি হচ্ছে বলার পরেও আমি গালি খেয়েছি।’

এর সঙ্গেই আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রাক্তন ক্রিকেটার আরও বলেছেন, ‘আমার মনে হচ্ছিল, এটা কী হচ্ছে! আমি তো যা ঘটছে তাই বলছি। কাউকে খুশি করার মতো কথা তো আমি বানিয়ে বলতে পারব না। তবে হ্যাঁ, এটা এই সোশ্যাল মিডিয়ারই একটি অঙ্গ।’

বন্ধ করুন