বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > ইংল্যান্ড ম্যাচ অতীত, অজিদের বধ করতে অস্ত্রে শান দিয়ে রেখেছেন বলে দাবি নিশামের
জিমি নিশাম। ছবি: পিটিআই
জিমি নিশাম। ছবি: পিটিআই

ইংল্যান্ড ম্যাচ অতীত, অজিদের বধ করতে অস্ত্রে শান দিয়ে রেখেছেন বলে দাবি নিশামের

  • অজিদের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে নিজেদের মোটিভেট করে চলেছেন কিউয়িরা। সেই সঙ্গে ইংল্যান্ডকে হারানোর আত্মতুষ্টি যাতে দলের মধ্যে না আসে, সেই চেষ্টাই নিউজিল্যান্ড করে চলেছে। অজিদের বধ করতে নিজেদের সব অস্ত্রেই শান দিয়ে রেখেছে নিউজিল্যান্ড। এমনই দাবি জিমি নিশামের।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ডের যে লড়াইটা একটা সময়ে খুব কঠিন বলে মনে হচ্ছিল, সেই লড়াইটাই সহজ করে দিয়েছিলেন জিমি নিশাম। ৪ ওভারে ৫৭ রান বাকি ছিল। সেখান থেকে ১৭তম ওভারে নিশামের দু'টো ছয় এবং একটি চার রানই ম্যাচের রং পাল্টে দেয়। সেই ওভারে নিউজিল্যান্ড মোট ২৩ রান করে। সেই সঙ্গে ইংল্যান্ডের হাত থেকে ম্যাচ বের করে নেয় কিউয়ি ব্রিগেড।

২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচ ড্র হওয়ার পরেও বেশি চার মারার কারণে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। আইসিসি-র এই নিয়মটাই মানতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। এই ভাবে ফাইনালে হারটা হজম করতে পারেনি তারা। আর সেটারই সম্ভবত বহিঃপ্রকাশ হয় এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।

তবে এখন সেমিফাইনাল এখন অতীত। সামনে বড় লক্ষ্য, অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার। মাস কয়েক আগেই ভারতকে হারিয়ে টেস্টে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। তবে অজিদের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে নিজেদের মোটিভেট করে চলেছেন কিউয়িরা। সেই সঙ্গে ইংল্যান্ডকে হারানোর আত্মতুষ্টি যাতে দলের মধ্যে না আসে, সেই দিকেও নজর রয়েছে কিউয়ি ব্রিগেডের। অজিদের বধ করতে নিজেদের সব অস্ত্রেই শান দিয়ে রেখেছে নিউজিল্যান্ড। এমনই দাবি জিমি নিশামের।

জিমি নিশাম বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, আমাদের অভিজ্ঞতা রয়েছে। গত পাঁচ, ছয় বছর ধরে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে আমরা ধারাবাহিকতা দেখিয়ে চলেছি। ম্যাচ হারি বা জিতি, সেটা থেকে খুব দ্রুত বের হয়ে পুনরায় নিজেদের উজ্জীবিত করে নতুন একটা দিন কী ভাবে শুরু করা যায়, সেটা আমরা জানি।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া এবংনিউজিল্যান্ড মাত্র এক বার মুখোমুখি হয়েছে। সেই ম্যাচ হেরেছে অস্ট্রেলিয়া। তবে সব টুর্নামেন্টে এবং সিরিজ মিলিয়ে মোট ১৪টি ম্যাচ খেলেছে এই দুই দল। অস্ট্রেলিয়া ৯টি জিতেছে। ৫টি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড। এ বার ফাইনালে কারা জেতে, সেটাই দেখার।

বন্ধ করুন