বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > ছেলের খেলা দেখবেন বলে চাকরিই ছেড়ে দিয়েছিলেন ডারিল মিচেলের বাবা
ছেলের খেলা দেখতে চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন ডারিল মিচেলের বাবা।
ছেলের খেলা দেখতে চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন ডারিল মিচেলের বাবা।

ছেলের খেলা দেখবেন বলে চাকরিই ছেড়ে দিয়েছিলেন ডারিল মিচেলের বাবা

  • জন মিচেল আবার ইংল্যান্ডের রাগবি দলের সহকারি ছিলেন। একবার ছেলের খেলার দেখার জন্য হেড কোচ এডি জোন্সের কাছে ছুটির আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেই ছুটি খারিজ করে দেন এডি জোন্স। এই ঘটনায় আঘাত পেলেও হাত গুটিয়ে চুপ করে বসে থাকেননি জন মিচেল। চাকরিটাই তিনি ছেড়ে দিয়েছিলেন।

আর একটা ম্যাচ। সেটা জিততে পারলেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের শিরোপা উঠবে নিউজিল্যান্ডের মাথায়। বছরের শুরুতে টেস্টে বিশ্বসেরা দল হয়েছে নিউজিল্যান্ড। এ বার ক্রিকেটের সব থেকে ছোট ফরম্যাটে সেরার হওয়ার লড়াই। নিউজিল্যান্ড টিমটার মধ্যে বিশাল মাপের হাইপ্রোফাইল ক্রিকেটার রয়েছেন, এমনটা কিন্তু নয়। তবে তাদের বড় বৈশিষ্ট্য হল, কিউয়ি ব্রিগেড একটা টিম হিসেবে খেলে। ডারিল মিচেলও তেমনই একজন ক্রিকেটার। যাঁর নামের পাশে তারকার স্ট্যাটাস নেই। কিন্তু আছে স্বপ্ন দেখার সাহস। যে সাহসে ভর করেই শেষ তিন ওভারে ৫৭ রান তুলে টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিট কেটেছেন ডারিল মিচেলরা।

ডারিল মিচেলের বাবা জন মিচেল ক্রিকেট ভালো খেলতে পারেন না। তিনি ছিলেন নামী রাগবি প্লেয়ার। তবে ক্রিকেট খেলাটা তাঁর খুব পছন্দের। জন মিচেল আবার ইংল্যান্ডের রাগবি দলের সহকারি ছিলেন। একবার ছেলের খেলার দেখার জন্য হেড কোচ এডি জোন্সের কাছে ছুটির আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেই ছুটি খারিজ করে দেন এডি জোন্স। এই ঘটনায় আঘাত পেলেও হাত গুটিয়ে চুপ করে বসে থাকেননি জন মিচেল। চাকরিটাই তিনি ছেড়ে দিয়েছিলেন। ঘটনা ২০২১ সালের শুরু দিকে। ইংল্যান্ড রাগবি দলের সহকারি কোচের পদ ছেড়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন লেন্সবেরি ক্লাবের মাঠে। সেখানেই খেলছিলেন তাঁর ছেলে। সে দিন ছেলের খেলা দেখেছিলেন। যেমন দেখলেন বুধবার, আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে।

নিউজিল্যান্ডের নতুন তারকা ডারিল মিচেল। যাঁর অপরাজিত ৭২ রানে ভর করে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল নিউজিল্যান্ড। মজার বিষয় হল, যে ইংল্যান্ড দলের কোচের পদ ছেড়ে চলে এসেছিলেন, সেই ইংল্যান্ডকেই বিশ্বকাপ থেকে ছুটি করে দিল তাঁর ছেলের ব্যাট।  এক ইন্টারভিউয়ে বাবা জন সম্পর্কে ডারিল বলেছিলেন, ‘আমার মনে আছে, ছেলেবেলায় বাড়িতে বাবার সঙ্গে ক্রিকেট খেলার কথা। ভালো খেলতে না পারলেও বাবা ক্রিকেট খুব ভালোবাসেন। আমার আর আমার বোনের সব থেকে বড় সমর্থক বাবা।’

বন্ধ করুন