বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > মনের কষ্ট? সর্বদা থাকবে সাহায্যের হাত টি-২০ বিশ্বকাপের বায়ো-বাবলে
আইসিসি লোগো
আইসিসি লোগো

মনের কষ্ট? সর্বদা থাকবে সাহায্যের হাত টি-২০ বিশ্বকাপের বায়ো-বাবলে

  • সেই সময় তাদের যাতে কোন রকম মানসিক অবসাদমূলক সমস্যা না হয়, সেই দিকে দেখছে আইসিসি। তার কথা মাথায় রেখেই বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। ক্রিকেটারদের সুবিধার জন্য ২৪ ঘন্টাই থাকবেন 'সাইকোলজিক্যাল' সহায়ক অর্থাৎ মনোবিদ।

শুভব্রত মুখার্জি: করোনা আবহে বায়ো বাবলে থেকেই বিভিন্ন টুর্নামেন্ট খেলতে হচ্ছে ক্রীড়াবিদদের। ক্রিকেট তার ব্যতিক্রম নয়। সামনেই টি-২০ বিশ্বকাপ শুরু হতে চলেছে। বিশ্বকাপ চলাকালীন ক্রিকেটারদের বায়ো বাবলেই থাকতে হবে। সেই সময় তাদের যাতে কোন রকম মানসিক অবসাদমূলক সমস্যা না হয়, সেই দিকে দেখছে আইসিসি। তার কথা মাথায় রেখেই বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। ক্রিকেটারদের সুবিধার জন্য ২৪ ঘন্টাই থাকবেন 'সাইকোলজিক্যাল' সহায়ক অর্থাৎ মনোবিদ।

আসন্ন বিশ্বকাপের বায়ো বাবল তৈরি এবং তার সুরক্ষা সম্বন্ধীয় আলোচনাতে এই বিষয়টি নিয়ে আইসিসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বায়ো বাবলে থাকাকালীন কোন দেশের কোন ক্রিকেটার, কোচ বা কোচিং স্টাফের মানসিক কোন সমস্যা, ক্লান্তি দেখা দিলে তাকে ২৪ ঘন্টা সহায়তা করার জন্য থাকবেন ওই সাইকোলজিক্যাল সহায়ক। ১৭ ই অক্টোবর থেকে আমিরশাহি এবং ওমানে বসতে চলেছে টি-২০ বিশ্বকাপের আসর।

আইসিসির হেড অফ ইন্টিগ্রিটি অ্যালেক্স মার্শাল যিনি এই বায়ো বাবলের বিষয়টি দেখভাল করছেন তিনি জানান, 'বেশ কিছু ক্রিকেটার দীর্ঘদিন একাধিক বায়ো বাবলে রয়েছেন। আমাদেরকে এটা মানতেই হবে যে একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে তারা দীর্ঘদিন থাকার ফলে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে কোন ব্যক্তির বিশ্বকাপ চলাকালীন কোন মনোবিদের সাহায্যের দরকার হলে, আইসিসি তার জন্য ২৪ ঘন্টার সহায়তার ব্যবস্থা করেছেন। নিজের দল বা স্কোয়াডের সঙ্গে তারা নিজেদের মেডিক্যাল স্টাফকেও নিয়ে আসছেন। এর পাশাপাশি আমরা এই ব্যবস্থাটা রাখছি।' মানসিক স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে বায়ো বাবলের নিয়মের কঠোরতার ক্ষেত্রেও কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ক্রিকেটারদের আউটডোর ক্রিয়াকলাপের ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। যাতে তারা 'বন্দিদশা' থেকে কিছুটা সময়ের জন্য মুক্তি অনুভব করেন।

বন্ধ করুন