বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > হিন্দুদের মধ্যে মাঠে নমাজ পড়েছেন রিজওয়ান, সেটাই সবথেকে ভালো লেগেছে: ওয়াকার
হিন্দুদের মধ্যে মাঠে নমাজ পড়েছেন রিজওয়ান, সবথেকে ভালো লেগেছে সেটা: ওয়াকার। (ছবি সৌজন্য পিটিআই এবং রয়টার্স ফাইল)
হিন্দুদের মধ্যে মাঠে নমাজ পড়েছেন রিজওয়ান, সবথেকে ভালো লেগেছে সেটা: ওয়াকার। (ছবি সৌজন্য পিটিআই এবং রয়টার্স ফাইল)

হিন্দুদের মধ্যে মাঠে নমাজ পড়েছেন রিজওয়ান, সেটাই সবথেকে ভালো লেগেছে: ওয়াকার

  • ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীনই মহম্মদ রিজওয়ানের নমাজ পড়ার একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে।

ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীনই মহম্মদ রিজওয়ানের নমাজ পড়ার একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। তা নিয়ে পাকিস্তানি ওপেনারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন প্রাক্তন তারকা ওয়াকার ইউনিস। সেইসঙ্গে বললেন, হিন্দুদের মধ্যে থেকে নমাজ পড়েছেন রিজওয়ান। যে মন্তব্যের জেরে বিতর্কের মুখে পড়েছেন প্রাক্তন তারকা।

সোমবার পাকিস্তান সংবাদমাধ্যমে এআরওয়াই নিউজের একটি অনুষ্ঠানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলছিলেন ওয়াকার এবং শোয়েব আখতার। সেই অনুষ্ঠানে ওয়াকার বলেন, ‘সবথেকে ভালো কাজ রিজওয়ান যেটা করেছে, মাঠের মধ্যেই নমাজ পড়েছে। হিন্দুদের মধ্যে থেকে (নমাজ পড়েছে)। সেটা আমার খুবই স্পেশাল বিষয়।’

রবিবার দুবাইয়ে ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়ে দেন বাবর আজমরা। তার ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার ভারতকে হারানোর স্বাদ পায় পাকিস্তান। তারপর থেকেই উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন পাকিস্তানের মানুষরা। তারইমধ্যে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের মন্ত্রী, প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। পাকিস্তানের ঐতিহাসিক জয়ের পর টুইটারে একটি ভিডিয়োবার্তায় মন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদ বলেন, ‘আজ আমাদের কাছে ফাইনাল ছিল। ভারত-সহ দুনিয়ার মুসলিমদের সমর্থন পাকিস্তানের প্রতি ছিল।’ সেইসঙ্গে দাবি করেন, পাকিস্তান যে জিতেছে, তা আদতে ‘ইসলামের জয়’।

উল্লেখ্য, রবিবারের আগে পর্যন্ত কোনও বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে জিততে পারেনি পাকিস্তান। একদিনের বিশ্বকাপে সাতবারই ভারতের বিরুদ্ধে হেরেছিল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ১০০ শতাংশ জয়ের রেকর্ড ছিল ভারতের। সেই রেকর্ডই ভেঙে যায় রবিবার। ১৩ তম সাক্ষাতে পাকিস্তানের সামনেই দাঁড়াতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। প্রথমে ব্যাট করে সাত উইকেটে ১৫১ রান তোলেন বিরাটরা। জবাবে ১৩ বল বাকি থাকতেই ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতে যান বাবররা। ম্যাচের পর বিরাট বলেন, ‘যেভাবে বিষয়গুলি পরিকল্পনা করেছিলাম, তা প্রয়োগ করতে পারিনি। কিন্তু কৃতিত্ব প্রাপ্য পাকিস্তানের। ওরা আজ আমাদের পুরো উড়িয়ে দিয়েছে। যখন ২০ রানের মধ্যে তিন উইকেট চলে যায়, তখন সেই ম্যাচে ফিরে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়। বিশেষত আপনি জানেন যে শিশির পড়তে শুরু করবে। ব্যাটিংয়েও ওরা একেবারে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে।’ সঙ্গে বিরাট জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ইনিংসে কিছুটা ব্যাটিংয়ের সহায়ক হয়ে উঠেছিল দুবাইয়ের পিচ। ‘তাই আপনি যখন জানেন যে ম্যাচ যত এগোবে, তত অবস্থার পরিবর্তন হবে, তখন বাড়তি ১০-২০ রানের দরকার হয়।কিন্তু পাকিস্তানের দারুণ বোলিংয়ের কারণে আমরা হাত খুলতে পারিনি। (তবে) আমরা এমন দল নয় যে (একটি হারের পরই) আতঙ্কিত হয়ে পড়ব। এটা টুর্নামেন্টের সবে শুরু। মোটেও শেষ নয়।’

বন্ধ করুন