বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > স্কুলের প্রাণের বন্ধুই আজ বড় প্রতিপক্ষ, T20 WC ফাইনালে মুখোমুখি মিচেল-স্টোইনিস
স্টোইনিস এবং মিচেল আজ একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।
স্টোইনিস এবং মিচেল আজ একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।

স্কুলের প্রাণের বন্ধুই আজ বড় প্রতিপক্ষ, T20 WC ফাইনালে মুখোমুখি মিচেল-স্টোইনিস

  • ২০০৯ সালে স্কারবরোর হয়ে ফার্স্ট গ্রেড প্রিমিয়ারশিপ জিতেছিলেন ড্যারেল মিচেল এবং মার্কাস স্টোইনিস। সেই সময় তাঁদের কোচ ছিলেন জাস্টিন ল্যাঙ্গার। ঘটনাচক্রে তিনি এখন অস্ট্রেলিয়ার হেড কোচ। সেই সময় স্কুলকে জেতাতে বড় অবদান ছিল এই দুই ক্রিকেটারের।

আজ থেকে ১২ বছর আগে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাঁরা একসঙ্গে লড়াই করেছিলেন। তাঁদের দলকে জেতাতে একই সঙ্গে মরিয়া ছিলেন তাঁরা। কিন্তু এই ১২ বছরে জীবনের অনেক কিছু বদলে গিয়েছে। আজ তাঁরা একে অপরের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ। একে অপরকে হারাতে মরিয়া হয়ে রয়েছেন।

কথা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার মার্কাস স্টোইনিস এবং নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান ড্যারিল মিচেলের। ১২ বছর আগে তাঁরা একই স্কুলে পড়তেন। স্বাভাবিক ভাবেই একই সাজঘর ভাগ করে নিতেন তাঁরা। নিজেদের স্কুল টিমকে জেতাতে একই সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। 

২০০৯ সালে স্কারবরোর হয়ে ফার্স্ট গ্রেড প্রিমিয়ারশিপ জিতেছিলেন ড্যারেল মিচেল এবং মার্কাস স্টোইনিস। সেই সময় তাঁদের কোচ ছিলেন জাস্টিন ল্যাঙ্গার। ঘটনাচক্রে তিনি এখন অস্ট্রেলিয়ার হেড কোচ। সেই সময় স্কুলকে জেতাতে বড় অবদান ছিল এই দুই ক্রিকেটারের। সেমিফাইনালে স্টোইনিস করেছিলেন ১৮৯ রান। আর ফাইনালে বল হাতে মাত্র ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন মিচেল।

এক-দু'বছর নয়, দীর্ঘ পাঁচ বছর একসঙ্গে খেলেছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তার পরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার জন্য দু’জনেই পার্থ ছাড়েন। স্টোইনিস মেলবোর্নে গিয়ে ভিক্টোরিয়ায় যোগ দেন। অন্য দিকে ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে নিউজিল্যান্ডে পাড়ি দেন মিচেল। সেখানে গিয়ে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের হয়ে খেলা শুরু করেন তিনি।

সেমিফাইনালে মিচেলের ৪৭ বলে ৭২ রানের সুবাদে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। অন্য দিকে শেষ চারে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শেষ দিকে ৩১ বলে ৪০ করেছেন স্টোইনিস। দু’জনেই অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন। এখন দেখার ফাইনালে দুই বন্ধুর টক্কর কেমন হয়।

বন্ধ করুন