বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হেলাফেলা করা যাবেনা, সতর্ক করলেন ইরফান
ইরফান পাঠান (ছবি:গেটি ইমেজ)
ইরফান পাঠান (ছবি:গেটি ইমেজ)

বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হেলাফেলা করা যাবেনা, সতর্ক করলেন ইরফান

  • ১৪ বছর পরে আবার কি বাজিমাত করতে পারবে টিম ইন্ডিয়া, আবার কি ট্রফি ঘরে তুলতে পারবে ভারত। সব প্রশ্নের উত্তর কয়েকদিনের মধ্যেই পাওয়া যাবে। তবে বিরাটদের প্রথম বাধা টপকাতে হবে ২৪ তারিখ।

২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তবে তার আগে ১৪ বছরের স্মৃতির পাতায় ডুব দিলেন ভারতের প্রাক্তন অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান। তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্সের ফলে ২০০৭ সালে প্রথম টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছিল টিম ইন্ডিয়া। ১৪ বছর পরে আবার কি বাজিমাত করতে পারবে টিম ইন্ডিয়া, আবার কি ট্রফি ঘরে তুলতে পারবে ভারত। সব প্রশ্নের উত্তর কয়েকদিনের মধ্যেই পাওয়া যাবে। তবে বিরাটদের প্রথম বাধা টপকাতে হবে ২৪ তারিখ। 

যদিও পাকিস্তান ক্রিকেট বর্তমানে সেই রকম শক্তিশালী নয়। তবুও বাবর আজমদের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে গেলে যে বেশ সতর্কতার সঙ্গে নামতে হবে তা জানাতে ভোলেননি ২০০৭ সালের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নায়ক ইরফান পাঠান। তাঁর মতে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ব্যাপারে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। ইরফান পাঠান ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ পারফরম্যান্স করেছিলেন। ২০২১ সালের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করার আগে ২০০৭ সালের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা বলেন ইরফান। 

২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসর। উদ্বোধনী আসরের মুকুট জিতে নিয়েছিল ভারত। এরপর হয়েছে আরও পাঁচটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে আজও স্মরণীয় ২০০৭ বিশ্বকাপ। জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে হাই ভোল্টেজ ফাইনালে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত। গৌতম গম্ভীরের ৫৪ বলে ৭৫ রানের ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৫৭ রান সংগ্রহ করেন ধোনিরা। ১৫৮ রান তাড়া করতে নেমে ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারায় পাকিস্তান। যেখানে শোয়েব মালিক ও শাহিদ আফ্রিদিকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে বড় ‘ধাক্কা’ দিয়েছিলেন ইরফান পাঠান।

পরে ইয়াসির আরাফাতকে ফিরিয়ে ফাইনালে নিজের তৃতীয় উইকেট নিয়েছিলেন ইরফান। পাকিস্তানের ব্যাটিং আগ্রাসনকে বলতে গেলে একাই থামিয়ে দিয়েছিলেন ইরফান। ৪ ওভার বল করে দিয়েছিলেন কেবল ১৪ রান। ইকনোমি ৪ করে। উইকেট নিয়েছেন ৩টি। যে কারণে গম্ভীরের ৭৫ রানকেও ম্যাচ সেরার জন্য বিবেচনায় আনা হয়নি। শুধু ফাইনালেই নয়, টুর্নামেন্ট জুড়েই ইরফান ছিলেন দুর্দান্ত। প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিয়েছিলেন ১০ উইকেট, যেখানে ডারবানের কিংসমিডে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিয়েছিলেন ব্র্যাড হজ ও অ্যান্ড্রু সায়মন্ডসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। একই মাঠ কিংসমিডে সুপার এইটে ‘বাঁচা মরার ম্যাচে’ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিয়েছিলেন তিন উইকেট, যে ম্যাচটি যুবরাজ সিং স্মরণীয় করে রেখেছেন স্টুয়ার্ট ব্রডকে এক ওভারে ছয় ছক্কা হাঁকিয়ে।

তবে ইরফান পাঠানের কথা অনুসারে ২০০৭ বিশ্বকাপ ও ২০২১ বিশ্বকাপ একেবারে আলাদা। তাকর মতে এই বিশ্বকাপ বিরাট কোহলির কাছে একেবারেই আলাদা হতে চলেছে। শুরু হয়ে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মহারণ। ওমানের আল আমিরাত ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওমান-পাপুয়া নিউগিনি ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে চার-ছক্কার ধুম-ধাড়াক্কা লড়াই। এবার আয়োজন হচ্ছে সপ্তম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এখন দেখার ১৪ বছর পরে কি ভারত আবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে।  

বন্ধ করুন