বাংলা নিউজ > ময়দান > অতীতে বারবার ভুগিয়েছে লেগস্পিন, কী ভাবে বশ করলেন জাম্পাকে, ফাঁস কোহলির রণ নীতি

অতীতে বারবার ভুগিয়েছে লেগস্পিন, কী ভাবে বশ করলেন জাম্পাকে, ফাঁস কোহলির রণ নীতি

বিরাট কোহলি। ছবি: পিটিআই

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রান পাননি কোহলি। অ্যাডাম জাম্পার বলে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু এ দিন তিনি রানে ফিরতে একেবারে মরিয়া ছিলেন। তার জন্য হায়দরাবাদে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শুরুর দেড় ঘণ্টা আগেই মাঠে চলে এসেছিলেন তিনি। গোটা দল আসার আগেই। তার মধ্যে নেটে অনুশীলন করেছেন আধ ঘণ্টা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই ফের নিজের ছন্দে ফিরেছেন কিং কোহলি। যা ভারতীয় শিবিরে স্বস্তির বিষয়। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে দায়িত্ব নিয়ে ভারতের পায়ের তলার জমি শক্ত করলেন বিরাট। তাঁর সঙ্গে সমান তালে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন সূর্যকুমার যাদবও।

হায়দরাবাদের পিচে অস্ট্রেলিয়ার ১৮৬ রানটা মোটেও খারাপ স্কোর ছিল না। তার উপরে দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে যায়। ৩০ রানে ২ উইকেট হারানোর পরে প্রত্যাঘাতটা করেন বিরাট কোহলি এবং সূর্যকুমার যাদব।

কোহলি যথেষ্ট আগ্রাসী আর ইতিবাচক ভঙ্গিতে ইনিংস শুরু করেছিল। কিন্তু সূর্যকে মারতে দেখে নিজেকে একটু গুটিয়ে নিল। এক রান নিয়ে সূর্যকে স্ট্রাইক দিচ্ছিল। সোজা কথায়, ভারতের তরুণ ব্যাটসম্যানকে খেলাচ্ছিল কোহলি। দু’জনের জুটিতে উঠল ১০৪ রান। কোহলি করল ৪৮ বলে ৬৩। সূর্যকুমারের সংগ্রহ ৩৬ বলে ৬৯।

আরও পড়ুন: প্রথম বলে চার মারি বা আউট হই, একই ভাবে খেলতে চাই-আত্মবিশ্বাসী ম্যাচের সেরা সূর্য

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রান পাননি কোহলি। অ্যাডাম জাম্পার বলে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু এ দিন তিনি রানে ফিরতে একেবারে মরিয়া ছিলেন। তার জন্য হায়দরাবাদে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শুরুর দেড় ঘণ্টা আগেই মাঠে চলে এসেছিলেন তিনি। গোটা দল আসার আগেই। তার মধ্যে নেটে অনুশীলন করেছেন আধ ঘণ্টা। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সতীর্থ জাম্পার বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রস্তুতি এ দিন আগে থেকেই নিয়েছিলেন কোহলি।

আরও পড়ুন: অনেক জায়গায় উন্নতি প্রয়োজন, বিশেষ করে ডেথ বোলিংয়ে- অজিদের হারিয়েও চিন্তায় রোহিত

ম্যাচের পরে বিসিসিআই তাদের টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছে, যাতে বিরাট কোহলিকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘বিশ্রাম নিয়ে ফিরে আসার পর ব্যাটিংয়ের প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করেছি। এশিয়া কাপেও ভালো খেলেছি। আজ দেড় ঘণ্টা আগে মাঠে চলে এসেছি। ৩০ মিনিট ধরে নেটে অনুশীলন করেছি। যে ভাবে খেলার পরিকল্পনা করছি, সেটা নিয়ে খুশি। ফিটনেস নিয়েও পরিশ্রম করছি। অনুশীলন বা জিমে যাওয়ার ব্যাপারে আগের মতোই আগ্রহ রয়েছে। আগের ম্যাচে ভালো খেলতে না পারার ব্যাপারটা মাথায় ছিল। আজ দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি। বড় রান না পেলে আর হা-হুতাশ করি না। পরের ম্যাচ নিয়েই ভাবতে শুরু করি। এ ভাবেই খেলে যেতে চাই।’

জাম্পাকে সামলাতেই আরও যাতে কোনও ভুল না হয়, তার জন্য শেষ মুহূর্তে নিজেকে ঝালিয়ে নিতেই কোহলির মাঠে আগমন। যে কারণে তিনি বলেছেন, ‘তিনে ব্যাটিং করে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই। শুরুটা ভালো হওয়ার পরেই জাম্পাকে আক্রমণ করা শুরু করি। আজ জাম্পাকে মারব ঠিকই করে রেখেছিলাম। ও ভালো বোলার। অভিজ্ঞতা থেকে বুঝেছি, ও সব সময় চেষ্টা করে আমার রানের গতি কমিয়ে রাখতে স্টাম্প লক্ষ্য করে বল করার। তাই জন্যে আগে থেকে লেগ স্টাম্পে স্টান্স নিয়েছিলাম। আগের ম্যাচের পর একটু হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। তাই আজ মাঝের ওভারগুলোতে মারতে চেয়েছি, যাতে শেষের দিকে দল চাপে না পড়ে। ম্যাচটা এত দূর গড়ানো উচিত হয়নি। শেষ ওভারে ১১-র বদলে আমাদের চার-পাঁচ হয়তো তাড়া করা উচিত ছিল। চেয়েছিলাম অন্তত প্রতি ওভারে একটি চার মারতে।’

বন্ধ করুন