বাংলা নিউজ > ময়দান > হাফ-সেঞ্চুরি হাতছাড়া শেফালির, নিশ্চিত হারা ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ভারত
আগ্রাসী মেজাজে শেফালি ও মন্ধনা। ছবি- আইসিসি।
আগ্রাসী মেজাজে শেফালি ও মন্ধনা। ছবি- আইসিসি।

হাফ-সেঞ্চুরি হাতছাড়া শেফালির, নিশ্চিত হারা ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ভারত

  • ব্যাটে-বলে-ফিল্ডিংয়ে অনবদ্য অবদান রেখে ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন দীপ্তি। 

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে উত্তেজক জয় ছিনিয়ে নিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল ভারত। হোভে ইংল্যান্ডের মেয়েদের ৮ রানের সংক্ষিপ্ত ব্যবধানে পরাজিত করেন হরমনপ্রীত কউররা। সৌজন্যে শেফালি-হরমনপ্রীতের অনবদ্য ব্যাটিং, পুণম-দীপ্তির অসাধারণ বোলিং এবং সার্বিকভাবে ভারতের দুরন্ত ফিল্ডিং।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১৪৮ রান তোলে। শেফালি বর্মা ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন। তিনি ৩৮ বলে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন। আগ্রাসী ইনিংসে শেফালি ৮টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন।

এছাড়া স্মৃতি মন্ধনা ২০, হরমনপ্রীত কউর ৩১, দীপ্তি শর্মা অপরাজিত ২৪, রিচা ঘোষ ৮ ও স্নেহ রানা অপরাজিত ৮ রান করেন। ইংল্যান্ডের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন নাতালি সিভার, ফ্রেয়া ডেভিস, সারা গ্লেন ও ম্যাডি ভিলিয়র্স।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড ২০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১৪০ রানে আটকে যায়। অথচ একটা সময় তারা ১৩.৩ ওভারে ২ উইকেটের বিনিময়ে ১০৬ রানে দাঁড়িয়েছিল। জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের তখন প্রয়োজন ছিল ৩৯ বলে ৪৩ রান। এমনকি সোফিয়া ডাঙ্কলি যখন আউট হন, তখন ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ১৫.৪ ওভারে ৫ উইকেটে ১২০ রান। সুতরাং, ২৬ বলে তাদের দরকার ছিল ২৯ রান।

সেখান থেকে পরপর উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৪ রান দরকার থাকলেও স্নেহ রানার বলে ইংল্যান্ড মাত্র ৫ রান তুলতে সক্ষম হয়। ভারত নিশ্চিত হারা ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নেয় বলা চলে।

ট্যামি বিউমন্ট ৫৯, হেথার নাইট ৩০ ও অ্যামি জোনস ১১ রান করেন। বাকিরা কেউ দু'অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। পুণম ১৭ রানে ২টি ও দীপ্তি ১৮ রানে ১টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নিয়েছেন অরুন্ধতি। ইংল্যান্ডের চারজন ব্যাটারকে রান-আউট করে ভারত। দু'টি রান-আউটের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন দীপ্তি। ব্যাটে-বলে-ফিল্ডিংয়ে অনবদ্য অবদান রেখে ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন দীপ্তি।

বন্ধ করুন