বাংলা নিউজ > ময়দান > Ind vs Eng: ২০১৪-র ভুল সংশোধন করে ২০১৮-তে সাফল্য, পুরনো স্বভাবে ফিরতেই ব্যর্থতার মুখে বিরাট
২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২১ সালে ইংল্যান্ড সফরে বিরাট কোহলির স্টান্স। (ছবি সৌজন্য ভিডিয়ো)
২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২১ সালে ইংল্যান্ড সফরে বিরাট কোহলির স্টান্স। (ছবি সৌজন্য ভিডিয়ো)

Ind vs Eng: ২০১৪-র ভুল সংশোধন করে ২০১৮-তে সাফল্য, পুরনো স্বভাবে ফিরতেই ব্যর্থতার মুখে বিরাট

  • যে ভুলগুলি করা উচিত নয় বলে নিজেই জানিয়েছিলেন, এবার ইংল্যান্ডে ঠিক সেগুলিই করছেন বিরাট।

যে ভুলগুলি করা উচিত নয় বলে নিজেই জানিয়েছিলেন, এবার ইংল্যান্ডে ঠিক সেগুলিই করছেন। বিরাট কোহলির টেকনিকের খুঁটিনাটি ব্যাখ্যা করে এমনটাই জানালেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসের হুসেন। একেবারে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন, কোথায় কোথায় কী সমস্যা হচ্ছে।

এবারের ইংল্যান্ডের সিরিজের শুরু থেকে একেবারে ফর্মে নেই ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক। ফিরে এসেছে অফস্টাম্পের বাইরের বলে আউট হয়ে যাওয়ার ‘রোগ’। তার জেরে পাঁচ ইনিংসে করেছেন মাত্র ৬৯ রান। জেমস অ্যান্ডারসন, স্যাম কারানরা পঞ্চম স্টাম্পে বল করলেই রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ছেন কোহলি। বিস্তারিতভাবে বিরাটের সেই ‘রোগ’-এর বিশ্লেষণ করেছেন নাসের। ২০১৪ সাল এবং ২০১৮ সালের ইংল্যান্ড সফরে বিরাটের স্টান্সের তুলনা করে নাসের জানিয়েছেন, চার বছরের ব্যবধানে নিজের টেকনিকে সামান্য পরিবর্তন করেছিলেন বিরাট। সেজন্য ২০১৮ সালের সফরে প্রচুর রান করেছিলেন।

২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে পাঁচ ম্যাচে করেছিলেন ৫৯৩ রান। (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)
২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে পাঁচ ম্যাচে করেছিলেন ৫৯৩ রান। (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)

কী সেই পরিবর্তন? নাসের জানান, ২০১৪ সালে বিরাটের স্টান্স ছিল অনেক বেশি খোলামেলা। তাঁর কাঁধ এবং নিতম্ব খোলা থাকত। পায়ের আঙুলও কভার পয়েন্টের দিকে যাচ্ছিল। ফলে শরীর সরলরেখায় থাকছিল না। চার বছর পরে অনেক বেশি স্কোয়ারের দিকে চলে যায় বিরাটের স্টান্স। তার ফলে বিরাটের শরীর সরলরেখায় থাকছিল। সেই পরিবর্তনের সৌজন্যে পঞ্চম স্টাম্পের বল খেলতে বা ছেড়ে দিতে পারছিলেন বিরাট। যে সিরিজে পাঁচ ম্যাচে করেছিলেন ৫৯৩ রান। 

চার বছরের ব্যবধানে নিজের টেকনিকে কী কী পরিবর্তন করেছিলেন, তা নাসেরের একটি অনুষ্ঠানে নিজেই জানিয়েছিলেন বিরাট। তিনি জানান, ২০১৪ সালে প্রাথমিকভাবে পায়ের আঙুল পয়েন্টের দিকে যাচ্ছিল না। কভার পয়েন্টের দিকে যাচ্ছিল। স্টান্স খোলামেলা হয়ে যাচ্ছিল। তার ফলে যে চোখের সামনে যে বল সুইং করছিল, তার সঙ্গে টক্কর দেওয়ার সময় পাচ্ছিলেন না। অনেক দেরিতে বুঝতে পারছিলেন যে কী হচ্ছিল। তাই নিজের টেকনিকে পরিবর্তন করেছিলেন। পায়ের আঙুল কভারের দিকে রাখছিলেন। পপিং ক্রিজের সামনে নিজের দু'পায়ের মধ্যে ব্যবধানও বাড়ান।

কিন্তু নাসেরের মতে, এবারের ইংল্যান্ডের সফরে সেই সংশোধন কাজে লাগাচ্ছেন না বিরাট। উলটে যে ভুলগুলি করা উচিত নয় বলেছিলেন, ঠিক সেগুলিই করছেন এবার তাঁর পায়ের আঙুল কভারের দিকে থাকছে না। বল আসার সময় তাঁর শরীর খুলে যাচ্ছে। তার ফলে ২০১৪ সালের মতোই আউট হয়ে যাচ্ছেন বিরাট। পরিসংখ্যানও সেটাই বলছে। ২০১৪ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অফস্টাম্প লাইনে বিরাটের গড় ছিল ৬.৭১। যা ২০১৮ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১৫৯। এবার সেটাই ঠেকেছে ৯.৫-তে।

বন্ধ করুন