বাংলা নিউজ > ময়দান > ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটীয় সম্পর্কের তিন দশক, মাইলস্টোনসূচক দ্বি-পাক্ষিক সিরিজের প্রস্তুতিতে খুশি BCCI

ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটীয় সম্পর্কের তিন দশক, মাইলস্টোনসূচক দ্বি-পাক্ষিক সিরিজের প্রস্তুতিতে খুশি BCCI

কোহলি ও ডি'কক। ছবি- টুইটার।

ওমিক্রন আতঙ্কের মাঝে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ ঘিরে সতর্কতামূলক কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, জানালেন ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ারপার্সন।

শুভব্রত মুখার্জি

করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রনের উপস্থিতির মাঝেই বছর শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শুরু হবে ভারতের। সিরিজ ঘিরে আশঙ্কার মেঘ থাকলেও দুই দেশের বোর্ডের মধ্যে আলোচনার পরবর্তীতে সেই জট কেটেছে। সিরিজ আয়োজনে কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। বায়ো বাবল-সহ একাধিক বিষয়ে আলাদা করে নজর দেওয়া হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ডের তরফে। আর এই আয়োজনে সন্তুষ্ট বিসিসিআই। এমনটাই জানানো হয়েছে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার তরফে।

ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ারপার্সন লসন নাইডুর তরফে জানানো হয়েছে দুই দেশের বোর্ডের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রনের ভ্রুকুটির মাঝেও যে এই সিরিজ হচ্ছে তা দুই দেশের সুসম্পর্ককেই সামনে আনে। তিনি আরও জানিয়েছেন, মাঠে যখন দুই দেশের ক্রিকেটাররা কঠিন লড়াই চালাবেন তখন মাঠের বাইরের সমস্ত পুঙ্খানুপুঙ্খ বিষয় নজরে রাখবেন প্রোটিয়া বোর্ডের কর্তা ব্যক্তিরা।

সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লসন নাইডু জানিয়েছেন, দুই বোর্ডের মধ্যে ৩০ বছরের সুসম্পর্কের উদযাপন করা হবে এই সিরিজের মধ্যে দিয়ে। তিনি বলেন, ‘ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে ৩০ বছরের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের উদযাপন করা হবে এই সিরিজের মধ্যে দিয়ে। ১৯৯১ সালে আইসিসিতে যখন আমাদের প্রত্যাবর্তন ঘটে তখন আমরা প্রথম সিরিজ খেলেছিলাম। ১৯৯২-৯৩ মরশুমে ৪ টেস্ট এবং ৭ ওয়ান ডে ম্যাচের সিরিজ খেলতে ভারতও প্রোটিয়াভূমে এসেছিল। এবার টি-২০ সিরিজ পরে খেলা হবে। তবে আমরা আশা করছি সিরিজে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে।’

তিনি আরও বলেন, 'দুই দেশের সব ক্রিকেটারদের সমস্ত রকমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব আমরা। বায়ো নিরাপত্তার আবহে এই সিরিজ খেলা হবে। চার্টার্ড বিমানে ভারত এই দেশ সফর করবে। হোটেলের স্টাফদের নিয়মিত করোনা পরীক্ষা করা হবে। সিরিজ চলাকালীন তারা হোটেলেই থাকবেন, বাইরে যেতে পারবেন না। টেস্ট সিরিজ শেষ হওয়ার পরে চাটার্ড ফ্লাইটে দুই দল পার্ল পৌঁছে যাবে। আমরা দেখেছি কিভাবে কিছু কিছু দেশ এই আবহে ডবল স্ট্যান্ডার্ড নিচ্ছে। আমরা বিসিসিআইয়ের প্রশংসা করব এইধরনের কোনও কিছুতে তারা পা দেয়নি। এটা আরও একবার দুই বোর্ডের সুম্পর্ককে সামনে তুলে ধরে। আমাদের আয়োজনে বিসিসিআই সন্তুষ্ট।'

বন্ধ করুন