বাংলা নিউজ > ময়দান > IND vs WI: চাপের পরিস্থিতিতে ঠিক কী করেন দ্রাবিড়, ফাঁস করলেন শ্রেয়স

IND vs WI: চাপের পরিস্থিতিতে ঠিক কী করেন দ্রাবিড়, ফাঁস করলেন শ্রেয়স

ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়।

দ্বিতীয় ওডিআই-এ জয়ের হাত ধরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারত তাদের জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে। মোট ১২টি ম্যাচে ক্য়ারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে টানা জয় পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। এই ধারা শুরু হয়েছে ২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে।

দ্বিতীয় ওডিআই-এ রান তাড়া করতে নেমে শ্রেয়স আইয়ার এবং সঞ্জু স্যামসনরা আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। ২০৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে একটু অস্বস্তিতেই ছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই সময়ে দলের হাল ধরেন অক্ষর প্যাটেল।

এমন পরিস্থিতি ছিল যে, ৩১২ রান তাড়া করতে নেমে ভারতের শেষ ১০ ওভারে ১০০ রান দরকার। হাতে ছিল ৫ উইকেট। তবে অক্ষর দুরন্ত ছন্দে ৩৫ বলে ৬৪ করে অপরাজিত থাকেন। আর তাঁর হাত ধরেই শেষ ওভারে একটি চাঞ্চল্যকর জয় পায় ভারত। সেই সঙ্গে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ৩ ম্যাচের সিরিজ ২-০ পকেটে পুড়ে ফেলেন শিখর ধাওয়ানরা।

আরও পড়ুন: ‘২ বছর আগেও সে জানত না যে ভারতীয় দলে সুযোগ পাবেন কিনা,’ তরুণ ক্রিকেটারের প্রশংসায় ইরফান

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটাই ছিল অক্ষরের প্রথম ফিফটি। এই জয়ের হাত ধরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারত তাদের জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে। মোট ১২টি ম্যাচে ক্য়ারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে টানা জয় পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। এই ধারা শুরু হয়েছে ২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে।

রবিবারের ম্যাচকে ঘিরে ছিল টানটান উত্তেজনা। ৩১২ রান তাড়ার সময় ড্রেসিংরুমে যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তার বর্ণনাও দিয়েছেন ২৭ বছরের শ্রেয়স আইয়ার। ভারতের শেষ ৩ বলে ৬ রান দরকার ছিল। আর অক্ষর প্যাটেল ছক্কা মেরে ২ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতিয়ে দেন।

আইয়ার বলেন, ‘সত্যি বলতে এটা মজার ছিল। রাহুল (দ্রাবিড়) স্যার খুব টেনশনে ছিলেন, তিনি মেসেজ দিচ্ছিলেন। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিতেও প্লেয়াররা মাথা ঠাণ্ডা রেখেছিল এবং শান্ত ভাবে বিষয়টি হ্যান্ডেল করে।’

এই সিরিজে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি সহ শীর্ষ তারকাদের অনুপস্থিতিতেও কিন্তু সীমিত ওভারের ক্রিকেটে হিরো খুঁজে পেয়েছে ভারত। ডানহাতি শ্রেয়সও ওয়েস্ট ইন্ডিজে টানা দু'টি হাফ সেঞ্চুরি করে নিজের চেনা মেজাজে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: আমিও ছক্কা মারতে পারি, সিরাজের মস্করা দেখে হাসি চাপতে পারবেন না!

শ্রেয়স আইয়ার তিনে ব্যাট করতে নেমে ৭১ বলে ৬৩ রান করেছিলেন। স্যামসনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ৯৯ রানেক পার্টনারশিপ গড়েন। প্রথম ম্যাচে শ্রেয়স ৫৪ করেছিলেন। সঞ্জু ৫৪-তে রানআউট হন।

খেলার পর শ্রেয়স বলছিলেন, ‘আজ আমি যা স্কোর করেছি, তাতে খুশি ছিলাম। কিন্তু যে ভাবে আউট হয়েছি তাতে সন্তুষ্ট হতে পারছি না। আমি দলকে সহজে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে আমি আমার উইকেট হারিয়েছি। আশা করি, আমি আরও ভালো করতে পারব এবং পরের ম্যাচে সেঞ্চুরি করব।’

তিনি যোগ করেন, ‘আগের ম্যাচেও একটি ভাল ক্যাচ নিয়েছিল ওরা। স্পষ্টতই, আমি বলতে পারি না যে, আমি আমার উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছি। তবে আমার সেঞ্চুরি করা উচিত ছিল। যাইহোক দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে আমি ভালো অনুভব করছি।’

বন্ধ করুন