বাংলা নিউজ > ময়দান > ভারত-পাক নাকি অজি-কিউয়ি, পড়শি দেশেদের লড়াইয়ে কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে এগিয়ে রাখলেন গম্ভীর?
ভারত ও পাকিস্তান ক্রিকেট দলের দুই অধিনায়ক বাবর আজম ও বিরাট কোহলি। ছবি- টুইটার।
ভারত ও পাকিস্তান ক্রিকেট দলের দুই অধিনায়ক বাবর আজম ও বিরাট কোহলি। ছবি- টুইটার।

ভারত-পাক নাকি অজি-কিউয়ি, পড়শি দেশেদের লড়াইয়ে কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে এগিয়ে রাখলেন গম্ভীর?

  • ভারত-পাকিস্তানের জনসংখ্যা থেকে দুই দেশের জনগণের আবেগের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের তুলনা টানেন গম্ভীর।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে খেতাবি লড়াইয়ে দুই পড়শি দেশ মুখোমুখি হলেও তা ভারত-পাকিস্তান নয়, বরং অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড। অজি এবং কিউয়িদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরনো এবং বিভিন্ন খেলায় তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়। তাই অচিরেই এক প্রশ্ন ঘুরপাক খায়। ভারত-পাকিস্তান নাকি অজি-কিউয়ি, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা এগিয়ে এবং কেন।

এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে Times of India-র হয়ে নিজের কলামে গৌতম গম্ভীর লেখেন, ‘কোনোমতেই এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা (অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড) ভারত-পাকিস্তানের প্রতিযোগিতার সমতূল্য নয়। এর পিছনে আমার বেশ কয়েকটি মতামত আছে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার ইতিহাস এই দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মূল কারণ। আমরা দুই দেশ ১৯৪৭ থেকে চারবার লড়াই করেছি এবং বর্ডারে তো লড়াই চলতেই থাকে। এই জিনিসটাই ক্রীড়া বিশেষত ক্রিকেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্ম দিয়েছে। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধারেকাছেও কিছু আসেনা। যেহেতু এর থেকে অর্থ উপার্জন হয়, তাই এটা কেউ মেটাতেও আগ্রহী নয়।’

প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার স্পষ্টভাবে জানিয়ে ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের লোকেরাই আবেগপ্রবণ এবং তারা কোনোভাবেই হারতে পছন্দ করে না। তবে ভারতীয় উপমহাদেশের দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জনপ্রিয়তার পিছনে দুই দেশের সুবিশাল জনসংখ্যাও বিশাল ভূমিকা নেয় বলে মত গম্ভীরের। ‘নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা মিলিয়ে তিন কোটি হবে। সেখানে ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটি এবং পাকিস্তানের ২২ কোটি। দুই দেশের যদি ১০ শতাংশ লোকও খেলা দেখে, তাহলেও তার সংখ্যা অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মিলিত জনসংখ্যার থেকে পাঁচগুন বেশি হবে।’ জানান গৌতি।

বন্ধ করুন