নিউজিল্যান্ডের জয়ের নায়ক (ছবি সৌজন্য এপি)
নিউজিল্যান্ডের জয়ের নায়ক (ছবি সৌজন্য এপি)

Ind vs NZ Ist ODI - টেলরের দুরন্ত শতরান, চার উইকেটে জয় নিউজিল্যান্ডের

৩৪৮ রানের টার্গেট দিয়েছিল ভারত। ১১ বল বাকি থাকতেই জিতে যায় নিউজিল্যান্ড।

এতদিন যে কাজটা করতে পারছিলেন না, আজ সেটাই করলেন। ম্যাচ শেষ করে আসলেন রস টেলর। তাঁর সৌজন্যে প্রথম একদিনের ম্যাচে ১১ বল বাকি থাকতে চার উইকেটে জিতল নিউজিল্যান্ড। তিনিই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন।

এদিন টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। শুরুটা ভালো করলেও বড় রান করতে পারেননি পৃথ্বী শ ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। অর্ধশতরান করেন বিরাট কোহলি। তবে ভারতের বড় রান করার কৃতিত্ব প্রাপ্য দুজনের - শ্রেয়স আইয়ার ও কে এল রাহুলের। ১০৭ বলে ১০৩ রান করেন শ্রেয়স। অন্যদিকে ৬৪ বলে ৮৮ রান করেন রাহুল। শেষের দিকে ১৫ বলে ২৬ রান করেন কেদার যাদব। তাঁদের সৌজন্য নির্ধারিত ৫০ ওভারে চার উইকেটে ৩৪৭ রান তোলে ভারত।

রান তাড়া করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেন কিউয়ি ওপেনাররা। হেনরি নিকোলস ৭৮ রান করেন। তবে কিউয়িদের জয়ের আসল কারিগর হলেন রস টেলর ও টম ল্যাথাম। মাত্র ৪৮ বলে ৬৯ রান করেন কিউয়ি অধিনায়ক। তিনি আউট হওয়ার পরও নিজের ছন্দ ধরে টেলর। তবে শেষের দিকে পরপর তিন উইকেট পড়ে যাওয়ায় টি-টোয়েন্টির স্মৃতি ফিরে আসছিল। শেষপর্যন্ত অবশ্য সহজেই ১১ বল বাকি থাকতে জিতে যায় নিউজিল্যান্ড। ভারতের হয়ে একটি করে উইকেট নেন মহম্মদ শামি ও শার্দুল ঠাকুর। দুটি উইকেট পেয়েছেন কুলদীপ যাদব।

ম্যাচের আপটেডস :

৪৮.১ ওভারে ৩৪৮-৬

অবশেষে জয়ের মুখ দেখল কিউয়িরা। ম্যাচের নায়ক অবশ্যই রস টেলর। তিনি ৮৪ বলে ১০৯ রান করে অপরাজিত থাকেন।

৪৬ ওভারে ৩৩১-৬

দুরন্ত ওভার শামির। মাত্র চার দিয়ে এক উইকেট নেন। পাশাপাশি, ওভারের শেষ বলে রান-আউট হন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম।

৪৫.২ ওভারে ৩২৮-৫

জেমস নিশমকে প্যাভিলিয়নে পাঠালেন মহম্মদ শামি। ১৪ বলে ৯ রান করেছিলেন নিশম।৪৩.১ ওভারে ৩২০-৪

কুলদীপ যাদবের প্রথম বল ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ারে ঠেলে এক রান নিয়ে শতরান পূরণ করেন রস টেলর। চাপের মুখে মাত্র ৭৩ বলে শতরান করেন তিনি।

৪১.৪ ওভারে ৩০৯-৪

টম ল্যাথামকে আউট করলেন কুলদীপ যাদব। মাত্র ৪৮ বলে ৬৯ রান করেন ল্যাথাম।

৪০ ওভারে ২৯২-৩

ক্রিজে রয়েছেন রস টেলর। তিনি ৬৫ বলে ৯৩ রান করেছেন। তাঁকে যোগ্যসঙ্গত দিচ্ছেন টম ল্যাথাম। তিনি ৪৩ বলে ৬২ রান করেছেন।

৩৫ ওভারে ২২২-৩

মাত্র ৩৯ বলে ৫১ রানের পার্টনারশিপ করেছেন ল্যাথাম ও টেলর। আগামী ১৫ ওভারের ১২৬ রান চাই। কঠিন হলেও অসাধ্য নয়। ৩৫ রানে অপরাজিত ল্যাথাম, ৫২ রানে টেলর।

২৯ ওভারে ১৭১-৩

৮২ বলে ৭৮ রান করে রান আউট হেনরি নিকোলস। রস টেলরের সঙ্গে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি, আউট হলেন টেলর। ঝাঁপিয়ে রান আউট করলেন সুপারম্যান কোহলি। ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে এই আউট। অন্যদিকে রস টেলার অপরাজিত ৩৮ বলে ৩৯। ক্রিজে এলেন টম ল্যাথাম।

২৩ ওভারে ১২৫-২

খেলায় বড় মোড়। রস টেলরের ক্যাচ ফেললেন কুলদীপ যাদব। জাদেজার বলে টপ এজ লেগে বল হাওয়ায় গেছিল। ছুটে এসে ধরতে ব্যর্থ হলেন কুলদীপ। খুব সহজ না হলেও এই ক্যাচটি ধরা উচিত ছিল। মাত্র দুই রানে ছিলেন রস টেলর।

১৯.১ ওভারে ১০৯-২

মাত্র নয় রান করেই স্টাম্প আউট হলেন ব্লান্ডেল। কুলদীপের বলে স্টেপ আউট করে মারতে গিয়ে বিপত্তি। ভুল করেননি রাহুল।

১৭ ওভারে ৯১-১

৩২ রান করে শার্দুলের বলে বাউন্ডারিতে ধরা পড়লেন গাপটিল। ক্রিজে ৪৬ রান করে নিকোলস ও তাঁর সঙ্গে ব্লান্ডেল আছেন। রান রেট বাড়াতে হবে কিউয়িদের।

১৩ ওভারে ৬৬-০

ধরে খেলছে নিউ জিল্যান্ড। বড় টার্গেট বলেই তাড়াহুড়ো করছে না তারা। লক্ষ্য, উইকেট বাঁচিয়ে রাখা যাতে পরে ঝড় তোলা যায়। নিকোলস ৩৪ রানে ও গাপটিল ২২ রানে নট আউট

৫ ওভারে ২৭-০

বড় রান তাড়া করতে নেমে সতর্ক শুরু নিউ জিল্যান্ড ওপেনারদের। সামির বলে নিকোলসরে এলবি দেন আম্পায়ার, কিন্তু পরে ডিআরএসে দেখা গেল যে উইকেটের অনেক ওপর দিয়ে যাচ্ছিল বলটি। এর ফলে বাতিল হল আউট।

........................................................................................................

ভারতীয় ইনিংস

৫০ ওভারে ৩৪৭-৪

শেষ পর্যন্ত ৩৪৭ রানে শেষ হল ভারতের ইনিংস। ৮৮ রানে অপরাজিত থাকলেন কেএল রাহল। মাত্র ৬৪ বলে রাহুল এই ইনিংস করে নিউ জিল্যান্ডকে নক আউট পাঞ্চ দিলেন। অন্যদিকে ১৫ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত কেদার। তবে ইনিংসের হাইলাইট নিশ্চিত ভাবেই শ্রেয়স আইআরের ১০৩। প্রথমে কোহলি (৫১) ও পরে রাহুলের সঙ্গে বড় ইনিংসের ভিত গড়লেন তিনি।

নিউ জিল্যান্ডের হয়ে সাউথি ২ উইকেট নিলেও ৮৫ রান খরচ করলেন। এক উইকেট নিলেও এদিন ব্যাটারদের খালি বিব্রত করতে পেরেছিলেন গ্র্যান্ডহোম। কিন্তু তাঁকে দেওয়া হল কেবল আট ওভার। উইলিয়ামসন বিহীন কিউয়িরা কেমন ভাবে উত্তর দেয়, সেটাই দেখার।

৪৬ ওভারে ২৯৮-৪

অবশেষে স্যান্টনারের বলে ১০৩ রান করে সুইপার কভারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট শ্রেয়স আইয়ার। এতে নিজে অনেকটা আত্মবিশ্বাস পাবেন এই মুম্বইকা

৪৫ ওভারে ২৯১-৩

১০৫ বলে ১০৩ রান করে অপরাজিত শ্রেয়স। অনবদ্য খেলছেন তিনি। উইকেটের দুই দিকেই সাবলীলে বোলারদের ওপর রাজত্ব করছেন। চাপে কিউয়িরা। যোগ্য সঙ্গত রাহুলের। এর মধ্যে স্যান্টনারের বলে শ্রেয়সের ক্যাচ ফেলেন গ্র্যান্ডহোম। কতটা ক্ষতি হবে তা

৩৯.২ ওভারে ২৪৫-৩

এদিন মিডল অর্ডারে এসেও ঝড় তুললেন কেএল রাহুল। কোহলিকে আউট করার পর যখন একটু হাঁপ ছাড়তে চাইছে কিউয়িরা, তখনই রাহুল ঝড়ের সামনে বেসামাল তারা। ৩৪ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত তিনি। অন্যদিকে ৮৬ বলে ৭০ রানে অপরাজিত শ্রেয়স।

৩৩ ওভারে ১৭৭-৩

অর্ধশতরান পূরণ করলেন শ্রেয়স আইয়ার। ৩৩ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে এক রান নিয়ে একদিনের কেরিয়ারে পঞ্চম অর্ধশতরান করেন তিনি।

৩০ ওভারে ১৬২-৩

বিরাট কোহলি আউট হওয়ার পর দলকে বড় স্কোরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব শ্রেয়স আইয়ারের কাঁধে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন কে এল রাহুল।

২৮.৪ ওভারে ১৫৬-৩

অর্ধশতরানের পরই আউট হয়ে গেলেন বিরাট কোহলি। লেগস্পিনার ইশ সোধির বলে বোল্ড হন তিনি। ৬৩ বলে ৫১ রান করেন বিরাট। এটি তাঁর ওডিআই কেরিয়ারে ৫৮ তম অর্ধশতরান।

২৫ ওভারে ১৩৪-২

বাড়তি কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দলের ইনিংস টানছেন বিরাট কোহলি ও শ্রেয়স আইয়ার। ২৫ ওভার শেষে ৫১ বলে ৪১ রান অপরাজিত বিরাট। ৪৮ বলে ২৯ রান করেছেন শ্রেয়স।

২০ ওভারে ১০৭-২

বিরাট কোহলি ও শ্রেয়স আইয়ার দুজনেরই স্টার্ট পেয়েছেন। এবার তাঁদের লক্ষ্য, বড় রান করে বড় স্কোর খাড়া করা। ২০ ওভার শেষে ৩৫ বলে ২৬ রান অপরাজিত বিরাট। ৩৪ বলে ১৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন শ্রেয়স। রানরেট ৫.৩৫।

১০ ওভারে ৭৯-২

পরপর দু'উইকেটের ধাক্কা সামলে ভারতের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বিরাট কোহলি ও শ্রেয়স আইয়ার। ২৫ বলে ১৬ রান করেছেন বিরাট। ১৪ বলে বলে ৬ রান করেছেন শ্রেয়স।১০ ওভারে ৫৫-২

ভালো শুরু করেও আউট হয়ে গেলেন পৃথ্বী শ ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। থার্ড ম্যানে বল ঠেলতে গিয়েছিলেন পৃথ্বী। কিন্তু শরীরের খুব কাছে ছিল বল। ফলে বল পৃথ্বীর ব্যাটের কোণায় ছুঁয়ে টম লাথামের হাতে জমা পড়ে।২১ বলে ২০ রান করেন পৃথ্বী। চার বল পরেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন মায়াঙ্ক। টিম সাউদির শর্ট বলে আউট হন তিনি। ৩১ বলে ৩২ রান করেন মায়াঙ্ক।

৬ ওভারে ৩৭-০

বল পিচ থেকে মুভ করছে। এর ফলে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে ভারতীয় ওপেনারদের। তবে বড় কথা হল এখনও টিকে আছেন তারা। মণীশ পাণ্ডে কেন প্রথম একাদশে নেই, এই নিয়ে ক্ষিপ্ত নেটিজেনরা। এরমধ্যেই বেনেটের ওভারে এল ১১।

৩ ওভারে ১১-০

সাবধানী ভাবে শুরু করেছে পৃথ্বী ও মায়াঙ্ক। দুজনেই প্রচন্ড চালিয়ে খেলতে পারেন, কিন্তু পিচের সঙ্গে সড়গড় হয়ে নিচ্ছেন প্রাথমিক ভাবে।

টসে জিতে ব্যাটিং কিউয়িদের

টি-২০ সিরিজের ব্যর্থতার কথা ভুলে নতুন করে শুরু করতে বদ্ধপরিকর নিউ জিল্যান্ড। অন্যদিকে নিজেদের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে চায় ভারত। বুধবার হ্যামিলটনে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিলেন নিউ জিল্যান্ডের অস্থায়ী অধিনায়ক টম ল্যাথাম। কেন উইলিয়ামসন চোটের জন্য ওডিআই সিরিজ খেলতে পারছেন না বলে ল্যাথাম অধিনায়ক। টি-২০ সিরিজে চোট লাগায় ছিটকে গিয়েছেন ভারতীয় সহ-অধিনায়ক রোহিত শর্মাও। এরফলে অভিষেক হল পৃথ্বী শ ও মায়াঙ্ক আগরওয়ালের।

এই দুই মারকুটে প্লেয়ার এর আগে টেস্টে নিজেদের জাত চিনিয়েছেন। ধাওয়ান ও রোহিতের অনুপস্থিতিতে আজ আনকোরা ওপেনিং জুটি ছিল টিম ইন্ডিয়ার।

দল বিন্যাস-

ভারত- পৃথ্বী শ, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, বিরাট কোহলি, কে এল রাহুল, কেদার যাদব, শ্রেয়স আইয়ার, রবীন্দ্র জাদেজা, শার্দুল ঠাকুর, কুলদীপ যাদব, মহম্মদ শামি, জসপ্রীত বুমরাহ।

নিউ জিল্যান্ড- গাপটিল, নিকোলস, ব্লান্ডেল, টেলর, ল্যাথাম, নিশম, গ্র্যান্ডহেোম, স্যান্টনার, সোধি, সাউথি, বেনেট।

বন্ধ করুন