অকল্যান্ডে দলকে জিতিয়ে শ্রেয়স (ছবি সৌজন্য এপি)
অকল্যান্ডে দলকে জিতিয়ে শ্রেয়স (ছবি সৌজন্য এপি)

শ্রেয়স-রাহুলের দাপটে অকল্যান্ডে কিউয়ি বধ ভারতের

কে এল রাহুল ও শ্রেয়স আইয়ার দুরন্ত ব্যাটিং করেন। তাঁদের সৌজন্যে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।

কে এল রাহুল ও শ্রেয়স আইয়ারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে জয় দিয়ে নিউজিল্যান্ড সফর শুরু করল ভারত। অকল্যান্ডে এক ওভার বাকি থাকতেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ২০৪ রান তুলে নেয় ভারত।

আজ টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রত্যাশামতোই তিন পেসারে নামে ভারত। তবে তাঁরা একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। বরং বিধ্বংসী শুরু করেন মার্টিন গাপ্টিল ও কলিন মুনরো।

অষ্টম ওভারেই স্কোর ৮০ রান তুলে ফেলেন কিউয়িরা। সেই ওভারের পঞ্চম বলে রোহিত শর্মার দুরন্ত রিলে ক্যাচে প্যাভিলিয়নে ফেরেন গাপ্টিল। তাতে অবশ্য কিউয়িদের রানের গতিতে ছেদ পড়েনি। অর্ধশতরান পূরণ করেন মুনরো।

এরপর পরপর মুনরো ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের উইকেট তুললেও ভারতকে ম্যাচে ফেরার কোনও সুযোগ দেননি কেন উইলিয়ামসন ও রস টেলর। ব্যাটিংয়ের ধ্রুপদী শিল্পী উইলিয়ামসন কোনও ভারতীয় বোলারকেই বেয়াত করেননি। উলটোদিকে টেলরও দুরন্ত ছন্দে খেলতে থাকেন। তাঁদের সৌজন্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ৪২ বলে ৫৯ রান করেন মুনরো। মাত্র ২৬ বলে ৫২ রান করেন কিউয়ি অধিনায়ক। কম যাননি টেলরও। ২৭ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই রোহিত শর্মাকে হারায় ভারত। তারপর ইনিংসের হাল ধরেন রাহুল ও বিরাট। দুজনেই দ্রুত গতিতে রান তুলতে থাকেন। তবে ভাগ্যের সহায়তা পান রাহুল-কোহলি। পঞ্চম ওভারের দুজনকেই রান আউটের সুযোগ হাতছাড়া করে নিউজিল্যান্ড। সেই সুযোগের পুরো ফায়দা তোলেন তাঁরা।

পরে আবার নবম ওভারে বিরাটের ক্যাচ ফস্কায় নিউজিল্যান্ড। সেই ওভারেই ১০০ রানের গণ্ডি টপকে যায় ভারত। অর্ধশতরানও পূরণ করেন রাহুল। যদিও কিছুক্ষণ পরেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন ভারতীয় ওপেনার। ২৭ বলে ৫৬ রান করেন তিনি। এরপর বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বিরাটের ইনিংস। ৩২ বলে ৪৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ভারতীয় অধিনায়ক।

এরপর ক্রিজে আসেন শিবম দুবে। চাপের মুখে নিজের জাত চেনানোর আদর্শ মঞ্চ ছিল তাঁর। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তরুণ অলরাউন্ডার। ১৩ রান করে আউট হন তিনি। তা অবশ্য শ্রেয়সের খেলায় কোনও প্রভাব পড়েনি। কোনও কিউয়ি বোলার তাঁর সামনে দাঁড়াতে পারেননি। ১৯ তম ওভারের শেষ বলে টিম সাউদিকে মাঠের বাইরে ফেলে ম্যাচ শেষ করেন শ্রেয়স।

দুরন্ত শ্রেয়স (ছবি সৌজন্য এপি)
দুরন্ত শ্রেয়স (ছবি সৌজন্য এপি)

২৯ বলে ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তিনটি ছয় ও পাঁচটি চারে সাজানো ছিল ইনিংস। ম্যাচে জেতানোর ইনিংসের জন্য ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন শ্রেয়স।

বন্ধ করুন