বিরাটের মন্তব্যে অসন্তোষ বোর্ডের (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
বিরাটের মন্তব্যে অসন্তোষ বোর্ডের (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

India vs New Zealand- 'বোর্ডে না জানিয়ে মিডিয়ায় কেন?', বিরাটের ঠাসা সূচি মন্তব্যে উষ্মা BCCI কর্তার

  • এক বোর্ড কর্তা বলেন, 'সত্যি কথা বলতে, একটা বিরতির পর ছেলেদের একসঙ্গে আসার তুলনায় বেঙ্গালুরু থেকে অকল্যান্ডে উড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত অনেক ভালো।'

ভারতের ঠাসা সূচি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। কিন্ত বোর্ডকে না জানিয়ে সংবাদমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করার বিষয়টি একেবারেই ভালোভাবে নিচ্ছে না বিসিসিআই। তা হাবেভাবে বুঝিয়ে দিলেন এক বোর্ড কর্তা।

বেঙ্গালুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচ খেলার পর নিউজিল্যান্ডের বিমান ধরেছিল বিরাট বাহিনী। পাঁচদিনের মধ্যে শুক্রবার অকল্যান্ডে খেলতে নামছে টিম ইন্ডিয়া। ভিন্ন টাইম জোন ও নিউজিল্যান্ডের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বিরাট। বলেন, 'বিমান থেকে সরাসরি মাঠে নামার দিকেই এগোচ্ছে।'

আর এনিয়েই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এক বোর্ড কর্তা। ওই কর্তা জানান, যে কোনও বিষয়ে বিরাট নিজের আপত্তি জানাতেই পারেন। কিন্তু বোর্ডের সঙ্গে নিজেদের সমস্যার বিষয়ে না জানিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কেন তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন? নাম গোপন রাখার শর্তে ওই কর্তা বলেন, 'যে কোনও বিষয় উত্থাপন করার অধিকার আছে ওঁর (বিরাট)। তবে সত্যি কথা বলতে খেলোয়াড়দের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে সব সূচি বানানো হয়। যদি আপনারা দেখেন, বিশ্বকাপের পর যখন আমরা ঘরে খেললাম তখন আমরা যতটা সম্ভব ব্যবধান রাখার চেষ্টা করেছিলাম। দীপাবলিতেও ছেলেদের ছুটি দেওয়া হয়েছিল। সত্যি কথা বলতে, একটা বিরতির পর ছেলেদের একসঙ্গে আসার তুলনায় বেঙ্গালুরু থেকে অকল্যান্ডে উড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত অনেক ভালো।'

তবে ভারতের সূচি যে পুরো ঠাসা তা স্বীকার করে নিয়েছেন ওই বোর্ড কর্তা। যদিও তাতে কোনও সমস্যা দেখছেন না তিনি। তাঁর কথায়, 'সিওএ-এর অধীনে ও সিইওয়ের পর্যবেক্ষণে যখন সূচি বানানো হয়েছে, তখন সমস্যাটা যে কোথায় তা বুঝতে পারছি না। এই বিষয়টি কি তাঁদের সামনে (সিইও এবং সিওএ) উত্থাপন করা উচিত ছিল না, বিশেষত তাঁরা তো একে অপরের স্পিড ডায়াল লিস্টে থাকেন?'

প্রয়োজনে বোর্ডের সেক্রেটারি জয় শাহকেও বিষয়টি জানানো যেত বলে দাবি করেন ওই বোর্ড কর্তা। তাঁর কথায়, 'বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারির সঙ্গে আলোচনা করলে বিষয়টি মিটে যেতে পারত। বিরাট নিজের ইচ্ছা মতো মন্তব্য করতেই পারেন, তবে সমস্যা মেটানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট সিস্টেম মেনে চলা উচিত। সেই সিস্টেমের ভিত্তি হল - যোগাযোগ।'


বন্ধ করুন