বাংলা নিউজ > ময়দান > লকডাউনে পেটের টানে ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করছেন ভারতের মহিলা ফুটবলার
প্রতীকী ছবি। - রয়টার্স।
প্রতীকী ছবি। - রয়টার্স।

লকডাউনে পেটের টানে ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করছেন ভারতের মহিলা ফুটবলার

  • জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন চিঠি লিখে ঝাড়খণ্ড সরকারকে সাহায্যের অনুরোধ জানান।

এক বছরেরও কম সময়ে করোনা মহামারির জন্য দু'বার লকডাউন আর যাই হোক, দিন এনে দিন খাওয়া মানুষদের জন্য যে রীতিমতো অভিশাপ, সেটা বুঝতে অসুবিধা হয় না। তাই বলে লকডাউনের এমন কঠিন সময়ে রুজির টানে ২০ বছরের সঙ্গীতা কুমারি ইটভাটায় দিন মজুরের কাজ করছেন, এটা মেনে নেওয়া সম্ভব হয়নি অনেকের পক্ষেই।

রোজ কত মানুষ পেটের টানে ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করেন। তা নিয়ে ভাবার সময় ক'জনের আছে। তবে যাঁরা খেলাধুলো নিয়ে খবর রাখেন, তাঁদের কাছে নামটা চেনা চেনা মনে হতেও পারে। আসলে সঙ্গীতা হলেন ভারতের মহিলা ফুটবলাররা, যাঁকে ধানবাদের ইটভাটায় মাথায় করে ইট বইতে হচ্ছে লকডাউনে সংসার চালানোর জন্য।

জাতীয় মহিলা কমিশানের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা বিষটি নজরে আনেন ঝাড়খণ্ড সরকারের। তিনি অবিলম্বে সঙ্গীতাকে সাহায্য করার জন্য ঝাড়খণ্ড সরকারের কাছে অনুরোধ করেন। তিনি জানান, সঙ্গীতার মতো একজন ক্রীড়াবিদকে ইটভাটায় কাজ করতে দেখা জাতীর লজ্জা।

ঝাড়খণ্ড সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই সঙ্গীতাকে আর্থিক সহায়তার কথা জানানো হয়েছে। স্পোর্টস সেক্রেটারি পূজা সিংঘাল জানিয়েছেন যে, রাজ্যের কোনও একটি স্পোর্টস স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় নিয়ে আসা হবে সঙ্গীতাকে।

সঙ্গীতা অবশ্য সরকারী উপেক্ষা নিয়ে মোটেও অভিমানী নন। তিনি বলেন, ‘গত বছর লকডাউন অন্যরকম ছিল। পরিস্থিতি খুব খারাপ ছিল। কড়া লকডাউন থাকায় কেউ দিনমজুরের কাজও করতে পারেনি। সবরাই টাকা দরকার ছিল, অথচ কারও হাতে কাজ ছিল না। এবার কড়া লকডাউন নয়। আমি যতগুলি ইট বয়ে নিয়ে যাই, প্রত্যেকটার জন্য টাকা পাই। ১০ থেকে ৫টা পর্যন্ত কাজ করে ১৫০-২০০ টাকা হাতে আসে।’

বন্ধ করুন