বাংলা নিউজ > ময়দান > ভারতীয় ফুটবলাররা কি আনফিট, স্টিমাচের স্বীকারোক্তিতে উঠে গেল প্রশ্ন
ভারতীয় দলের অবস্থান নিয়ে চিন্তিত ইগর স্টিমাচ (ছবি: গুগল)
ভারতীয় দলের অবস্থান নিয়ে চিন্তিত ইগর স্টিমাচ (ছবি: গুগল)

ভারতীয় ফুটবলাররা কি আনফিট, স্টিমাচের স্বীকারোক্তিতে উঠে গেল প্রশ্ন

  • নিজের দল ও উদ্যোক্তাদের কর্মকান্ডে বেশ চোটেছেন ক্রোয়েশিয়ান কোচ। কাতারে গিয়ে খুব সমস্যায় পড়েছেন স্টিমাচ। নিজের মুখেই সেই কথা জানালেন ভারতীয় ফুটবলের প্রধান কোচ।

৩রা জুন কাতারের দোহায়, জাসিম বিন হামাদ স্টেডিয়ামে, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচে কাতারের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ভারত। তবে তার আগে বেশ বিরক্ত সুনীল ছেত্রীদের হেড স্যার ইগর স্টিমাচ। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৭ই জুন ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ই জুন খেলতে নামবে ভারত। তার আগে নিজের দল ও উদ্যোক্তাদের কর্মকান্ডে বেশ চোটেছেন ক্রোয়েশিয়ান কোচ। 

বর্তমানে নিজেদের গ্রুপের পাঁচ দলের লড়াইয়ে ভারত রয়েছে চার নম্বরে। বাংলাদেশের ঠিক উপরে। পাঁচ ম্যাচের শেষে দ্য ব্লু টাইগাররা তিন পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পেরেছে। কঠিন জায়গায় অবস্থান করছে স্টিমাচের ছেলেরা। এমন অবস্থায় কাতারে গিয়ে খুব সমস্যায় পড়েছেন স্টিমাচ। নিজের মুখেই সেই কথা জানালেন ভারতীয় ফুটবলের প্রধান কোচ। 

স্টিমাচ এদিন ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে বোমা ফাটালেন। তিনি প্রথমে জানালেন, ‘আমাদের অবস্থা ভালর থেকে অনেক দূরে। পরের কয়েকটা ম্যাচের জন্য কাতার দল সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ১০ই মে মরসুম শেষ হওয়ার কারণে বাংলাদেশের ফুটবলাররা অনেকটাই বেশি প্রস্তুত। ২৮জন আফগান ফুটবলারের মধ্যে ২৩জন খেলোয়াড় ইউরোপ এবং আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে খেলেছে। তারা প্রত্যেকে লড়াই করার জায়গায় রয়েছেন এবং তারা মাঠে নামার জন্য সম্পূর্ণ তৈরি রয়েছেন। অন্যদিকে, আপনারা জানেন আমাদের দলের অবস্থা। কিন্তু আমি আপনাকে কথা দিতে পারি যে আমাদের খেলোয়াড়রা তাদের নিজেদের শক্তির শেষ বিন্দুটাও এই খেলায় উজাড় করে দেবেন।’

তিনি জানান, ‘বেশির ভাগ ক্লাব, ফেব্রুয়ারিতে তাদের আইএসএল খেলা শেষ করেছে। কিছু সংখ্যক খেলোয়াড়া প্লেঅফে ওঠার কারণে মার্চেরদ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত নিজেদের খেলা চালিয়ে গেছেন। এরপরে আমরা আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের দুবাইযে নিয়ে এসেছি। একটা ছোট ক্যাম্প ও দুটো প্রীতি ম্যাচ খেলিয়ে তাদের এতো বড় একটা প্রতিযোগিতায় এতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামাচ্ছি। আসল বুদ্ধির কাজ হত যদি আমরা আমাদের খেলোয়াড়দের দুই সপ্তাহ ছুটি দিতাম ও তারপরে তাদের অনুশীলনে ফিরিয়ে যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচের জন্য তৈরি করতাম। কিন্তু সেটা করা সম্ভব হয়নি। এখন অবস্থা এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে যে, আমাদের কাছে খুব কম সংখ্যক খেলোয়াড় রয়েছে যারা ১২ দিনের মধ্যে তিনটে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলার জন্য ঠিকঠাক অবস্থায় রয়েছেন।’  

বন্ধ করুন