বাড়ি > ময়দান > IPL 2020: চিনা লগ্নি সত্ত্বেও ড্রিম ১১ ‘ভারতীয়’, ২০২১ ও ২০২২-এর স্বত্ব বাতিল সংস্থার
আইপিএল বিবৃতিতে ড্রিম ১১-কে মুম্বইয়ের 'ভারতীয় সংস্থা' হিসেবে উল্লেখ করা হল (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
আইপিএল বিবৃতিতে ড্রিম ১১-কে মুম্বইয়ের 'ভারতীয় সংস্থা' হিসেবে উল্লেখ করা হল (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

IPL 2020: চিনা লগ্নি সত্ত্বেও ড্রিম ১১ ‘ভারতীয়’, ২০২১ ও ২০২২-এর স্বত্ব বাতিল সংস্থার

  • এক বোর্ড কর্তা বলেন, 'ভিভোর সঙ্গে আমাদের চুক্তি এখনও আছে। আমরা তা বন্ধ করিনি, শুধু আটকে রাখা হয়েছে।'

চিনা সংস্থার বিনিয়োগ আছে। যদিও বিবৃতিতে ড্রিম ১১-কে মুম্বইয়ের 'ভারতীয় সংস্থা' হিসেবে উল্লেখ করল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে বোর্ডের তরফে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে, ত্রয়োদশ আইপিএলের জন্য চুক্তি হয়েছে।

বুধবার আইপিএলের তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ড্রিম ১১-কে ২০২০ সালের আইপিএলের টাইটেল বা মূল স্পনসর হিসেবে ঘোষণা করেছে লিগের গভর্নিং কাউন্সিল। যে ড্রিম ১১ (স্পোর্টা টেকনোলজিস প্রাইভেট লিমিটেড) একটি ভারতীয় সংস্থা এবং সদর দফতর মুম্বইয়ে। 

যদিও স্পোর্টস ফ্যান্টাসি অ্যাপে চিনা সংস্থা টেনসেন্টের (Tencent) বিনিয়োগ আছে। তা স্বীকার করেছেন ভারতীয় বোর্ডের এক কর্তাও। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে তিনি জানিয়েছিলেন, ড্রিম ১১ অ্যাপে চিনা সংস্থার ১০ শতাংশেরও কম লগ্নি আছে। অধিকাংশ শেয়ার আছে একাধিক ভারতীয় সংস্থার হাতে। আইপিএলের তরফে অবশ্য বিষয়টি পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। ফলে বিতর্কের রেশ বজায় আছে। 

সেই বিতর্কের মধ্যেই মঙ্গলবার একটি মহল থেকে শোনা যাচ্ছিল, যদি চতুর্দশ সংস্করণে ভিভো ফিরে না আসে, সেটা অবশ্য তখনই সম্ভব হবে। সেক্ষেত্রে ২০২১ এবং ২০২২ সালেও আইপিএলের মূল স্পনসর থাকবে ড্রিম ১১। ওই দুটি সংস্করণের জন্য ২৪০ কোটি টাকা করে দেবে ভারতীয় সংস্থাটি। তবে ভারতীয় বোর্ডের একটি সূত্র উদ্ধৃত করে পিটিআই জানিয়েছে, তিন বছরের চুক্তি নিয়ে দু'পক্ষের আলোচনা হয়েছে। বোর্ডের পরিষ্কার করে দিয়েছে, সেক্ষেত্রে পরবর্তী দুই সংস্করণে চুক্তির অঙ্ক বাড়াতে হবে।

নাম গোপন রাখার শর্তে ওই বোর্ড কর্তা বলেন, ‘ড্রিম ১১ সবথেকে বেশি মূল্যের বিড করেছিল। কিন্তু পরের দু'বছরে যখন করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আমরা আশা করছি, তখন বিসিসিআই কেন ২৪০ কোটি টাকায় স্বত্ব দেবে?  ভিভোর সঙ্গে আমাদের চুক্তি এখনও আছে। আমরা তা বন্ধ করিনি, শুধু আটকে রাখা হয়েছে। যদি আমার ৪৪০ কোটি টাকা পাই, তাহলে আমরা কেন ২৪০ কোটি টাকায় রাজি হব?’

বোর্ডের একটি অংশের খবর, আগামী বছর যদি ভিভো ফিরে না আসে, সেক্ষেত্রে নতুন করে মূল স্পনসর খোঁজার কাজ করবে বিসিসিআই। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে ৪০০ কোটি টাকার নীচে কোনও অঙ্কে বোর্ড রাজি হবে না বলে সংশ্লিষ্ট মহলের খবর।

বন্ধ করুন