বাড়ি > ময়দান > IPL 2020: এবারের IPL-এর মূল স্পনসর Dream11, চুক্তির অঙ্ক কমল ৫০ শতাংশ
এবারের IPL-এর মূল স্পনসর Dream11, চুক্তির অঙ্ক কমল ৫০ শতাংশ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
এবারের IPL-এর মূল স্পনসর Dream11, চুক্তির অঙ্ক কমল ৫০ শতাংশ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

IPL 2020: এবারের IPL-এর মূল স্পনসর Dream11, চুক্তির অঙ্ক কমল ৫০ শতাংশ

  • প্রাথমিকভাবে মূল স্পনসর হওয়ার দৌড়ে সামিল হয়েছিল টাটা সনস, রিলায়েন্স জিয়ো, পতঞ্জলি, বাইজু'স, আনঅ্যাকাডেমি এবং ড্রিম ইলেভেন।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মূল স্পনসরশিপের লড়াইয়ে জিতল ড্রিম ১১ (Dream11)। ২২২ কোটি টাকার বিনিময়ে সেই স্পনসরশিপের ফ্যান্টাসি স্পোর্টস প্ল্যাটফর্ম। আইপিএল চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল উদ্ধৃত করে একথা জানিয়েছে সংবাদসংস্থা পিটিআই।

গালওয়ান সংর্ঘষের পর থেকেই দেশের অভ্যন্তরে চিন-বিরোধী ভাবাবেগ তৈরি হয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রাথমিকভাবে টাইটেল বা প্রধান স্পনসর ভিভো ইন্ডিয়ার (Vivo) সম্পর্ক ছিন্ন করার হাঁটতে অস্বীকার করেছিল ভারতীয় বোর্ড (বিসিসিআই)। কিন্তু পরে প্রবল চাপের মুখে পড়ে চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা নিজেরাই এবারের আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ায়। তারপর থেকেই স্পনসর খোঁজার কাজ শুরু করেছিল ভারতীয় বোর্ড।

প্রাথমিকভাবে মূল স্পনসর হওয়ার দৌড়ে সামিল হয়েছিল টাটা সনস, রিলায়েন্স জিয়ো, পতঞ্জলি, বাইজু'স, আনঅ্যাকাডেমি এবং ড্রিম ইলেভেন। সেই দৌড়ে কিছুটা এগিয়েছিল টাটা সনস। যদিও শেষপর্যন্ত চূড়ান্ত বিড থেকে টাটা সনস সরে দাঁড়ায় বলে জানিয়েছে পিটিআই। ২০১ কোটি টাকার বিড করেছিল বাইজু'স। আনঅ্যাকাডেমির তরফে ১৭০ কোটি টাকার চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেই দৌড়ে বাজিমাত করে ড্রিম ১১। সাড়ে চার মাসের জন্য ২২২ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে। 

তাতে অবশ্য ভারতীয় বোর্ডের লক্ষ্য পূরণ হয়নি। কারণ ভিভোর সঙ্গে চুক্তির অঙ্কের কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ তুলে নিতে চেয়েছিল বোর্ড। যে সংস্থার সঙ্গে বোর্ডের বার্ষিক ৪৪০ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল। যদিও আইপিএলের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে এই চুক্তিতে আমরা খুশি। মাত্র সাড়ে চার মাসের জন্য এই চুক্তি এবং শুধু এবারের আইপিএলের জন্য।’

বন্ধ করুন