বাড়ি > ময়দান > IPL 2020: BCCI-কে ধাক্কা দিয়ে এবারের IPL থেকে সরে যেতে পারে স্পনসর Vivo : রিপোর্ট
BCCI-কে ধাক্কা দিয়ে এবারের IPL থেকে সরে যেতে পারে স্পনসর Vivo : রিপোর্ট
BCCI-কে ধাক্কা দিয়ে এবারের IPL থেকে সরে যেতে পারে স্পনসর Vivo : রিপোর্ট

IPL 2020: BCCI-কে ধাক্কা দিয়ে এবারের IPL থেকে সরে যেতে পারে স্পনসর Vivo : রিপোর্ট

  • তুমুল চাপের মধ্যেও পিছু হটেনি ভারতীয় বোর্ড (বিসিসিআই)।

দেশের অভ্যন্তরে চিন-বিরোধী ভাবাবেগ সত্ত্বেও সম্পর্ক ছিন্ন করার পথে হাঁটেনি ভারতীয় বোর্ড (বিসিসিআই)। কিন্তু চলতি বছরের সংস্করণ থেকে নিজেরাই সরে যেতে চাইছে আইপিএলের (IPL 2020) টাইটেল বা প্রধান স্পনসর চিনা সংস্থা ভিভোর (Vivo) ভারতীয় শাখা।

ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফে বাকি সাত ফ্র্যাঞ্চাইজিকে জানানো হয় যে আইপিএল থেকে সরে যাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে আছে টাইটেল স্পনসর ভিভো ইন্ডিয়া। কোন ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফে সেই ‘চিন্তা’-র তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি। তবে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে গেট মানি হারানোয় ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছে যে ফ্র্যাঞ্চাইজি, তারাই সে বিষয়ে জানিয়েছে। তা থেকেই স্পষ্ট, কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি সেই খবর দিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে নিমরাজি থাকলেও আইপিএলে ভিভোর উপস্থিতি নিয়ে চূড়ান্ত 'বার্তা'-র জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করছে ভারতীয় বোর্ড। কিন্তু তারইমধ্যে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির অতি সক্রিয়তা ভালোভাবে নিচ্ছেন না বোর্ডের কর্তারা। তাঁদের বক্তব্য, ‘ফ্র্যাঞ্চাইজির কি উচিত নয় প্রথমে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে আলোচনা করা?’

বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীকালে 'বিশেষ নজর' দেওয়া হবে বলে বিসিসিআই সূত্রে জানানো হয়েছে। যদিও বোর্ডের কর্তাদের মূল চিন্তা হচ্ছে, ভিভো সরে গেলে কোন সংস্থা আইপিএলের টাইটেল স্পনসর হবে? আপাতত সে বিষয়টি নিয়েই মাথা ঘামাচ্ছেন তাঁরা। কারণ এমনিতেই করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অর্থনীতি রীতিমতো ধুঁকছে। সূত্রের খবর, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সরকারিভাবে ভিভোর সরে যাওয়ার বিষয়ে ঘোষণা করা হতে পারে। 

২০১৭ সালে ২,১৯৯ কোটি টাকা দিয়ে টাইটেল স্পনসরশিপ সত্ত্ব কিনেছিল ভিভো ইন্ডিয়া। পাঁচ বছরের সেই চুক্তিতে প্রতি সংস্করণে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা সংস্থাটির। তার আগে ২০১৬ সালে টাইটেল স্পনসরশিপ সত্ত্ব থেকে সরে গিয়েছিল পেপসিকো। ৩৯৬ কোটি টাকা দিয়ে টাইটেল স্পনসরশিপের সত্ত্ব কিনেছিল বহুজাতিক সংস্থাটি। অর্থাৎ ভিভোর দৌলতে প্রায় ৪৫০ শতাংশ প্রিমিয়াম আয় করত আইপিএল। তার জেরে স্বভাবতই আর্থিক ধাক্কা খাবে বোর্ড। একইসঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বন্ধ করুন