বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল ২০২০ > RCB vs MI: আনফিট সৌরভের পরিবর্তে খেলে ট্র্যাজিক হিরো ইশান, রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জয় বিরাটদের
আনফিট সৌরভের পরিবর্তে খেলে ট্র্যাজিক হিরো ইশান (ছবি সৌজন্য এএনআই)
আনফিট সৌরভের পরিবর্তে খেলে ট্র্যাজিক হিরো ইশান (ছবি সৌজন্য এএনআই)

RCB vs MI: আনফিট সৌরভের পরিবর্তে খেলে ট্র্যাজিক হিরো ইশান, রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জয় বিরাটদের

  • সুপার ওভারে নভদীপ সাইনির নিখুঁত বলে কার্যত কিছু করতে পারেননি পোলার্ড ও হার্দিক পান্ডিয়া।

যদি না সৌরভ তিওয়ারি আনফিট থাকতেন, তাহলে খেলার সুযোগ পেতেন না। আর সেই ইশান কিষানই ব্যাঙ্গালোরের গ্রাস থেকে কার্যত ম্যাচ বের করে নিয়েছিলেন। কিন্তু কয়েক গজের জন্য হিরো হতে পারলেন না, ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে মাঠ ছাড়তে হল বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানকে।

১৯.৫ ওভারে যখন তিনি আউট হন, তখন মুম্বইয়ের দু'বলে দরকার ছিল পাঁচ রান। আগের দুটো বলের মতোই ছক্কা মারতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ডিপ মিড-উইকেটের বাউন্ডারি পার হওয়ার আগে বল দেবদূত পাড়িক্কালের হাতে জমা পড়ে যায়। তার ফলে মাত্র এক রানের জন্য শতরান ফস্কান কিষান। শুধু তাই নয়, মুম্বইকে জেতার লাইনও পার করতে পারেননি। 

RCB vs MI ম্যাচে কখন, কী হয়েছে, দেখে নিন এখানে

কিন্তু তারপর তাঁকে সুপার ওভারে নামানো হয়নি। তা নিয়ে ভ্রূ কুঁচকেছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। যদিও ম্যাচ শেষে রোহিত শর্মা দাবি করেন, ইশানকে ‘ফ্রেশ’ লাগছিল না। সেই যুক্তিতে অবশ্য অনেকেই সন্তুষ্ট নন। তাঁদের প্রশ্ন, যে ছেলেটা প্রথম দিকে স্পিনারদের বিরুদ্ধে খেলতে না পারলেও পেসারদের অনায়াসে মাঠের বাইরে ফেলছিলেন বা যে ছেলেটা সদ্য ৫৮ বলে ৯৯ করে উঠেছেন, তিনি ছ'টা বল খেলতে পারতেন না?

মুম্বইয়ের সেই পরিকল্পনার মতো টসে জিতে রোহিতের বল করতে চাওয়ার সিদ্ধান্তেও অবাক হয়েছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। মাঠেও খুব একটা সফল হয়নি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের পরিকল্পনা। বরং এবি ডি'ভিলিয়ার্সের অপরাজিত ৫৫ রান (২৪ বল) শিব দুবের অপরাজিত ২৭ রানের (১০ বল) সৌজন্যে ২০ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ২০১ রান তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। তার আগে অ্যারন ফিঞ্চ ৫২ ও দেবদূত পাড়িক্কাল ৫৪ রান করে বড় রানের ভিত গড়ে দিয়ে গিয়েছিলেন। মাঝের কিছুটা সময়ে রাহুল চাহার ছাড়া কোনও মুম্বই বোলারই তেমন দাগ করতে পারেননি। বিশেষত জসপ্রীত বুমরাহ বেধড়ক মারেন ডি'ভিলিয়ার্স।

আইপিএলের যাবতীয় আপডেট, লাইভ স্কোর দেখুন

একইভাবে বিরাট কোহলির দলের বোলিংকে আক্রমণের পরিকল্পনা নিয়েছিল মুম্বই। কিন্তু দুবাইয়ের বড় মাঠে রান তাড়া করতে মেনে ওয়াশিংটন সুন্দরের দাপটে সেই কাজ করতে পারেননি রোহিতরা। শুরুতেই একের পর পর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যান তাঁরা। সুন্দর তো চার ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে এক উইকেট নিয়েছেন তিনি। তাঁর পাশাপাশি যুজবেন্দ্র চহাল, অ্যাডাম জাম্পারাও ভালো করেন। তার জেরে শেষ পাঁচ ওভারে ৯০ রান দরকার ছিল মুম্বইয়ের। সেখান থেকেই ম্যাচ ঘোরান ইশান ও কায়রন পোলার্ড। কিন্তু ফিনিশিং লাইন পার করতে পারেননি তাঁরা। ৩০ বলে করেন ৮৯ রান তোলেন। জেতার জন্য শেষ বলে মুম্বইয়ের পাঁচ রান দরকার ছিল। শর্ট বলে পোলার্ড চার রান মারেন। ২৪ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

তবে সুপার ওভারে নভদীপ সাইনির নিখুঁত বলে কার্যত কিছু করতে পারেননি পোলার্ড ও হার্দিক পান্ডিয়া। একটা বাউন্ডারির সৌজন্যে এক উইকেট হারিয়ে সাত রান তোলে মুম্বই। তাতে কোনও লাভ হয়নি অবশ্য। বিরাট ও ডি'ভিলিয়ার্স সহজেই সেই রান তুলে দেন। 

বিরাটের চারের পর ব্যাঙ্গালোরের খেলোয়াড়রা মাঠে ঢুকে উচ্ছ্বাস করছিলেন, তখনও প্যাড পরেছিলেন ইশান। হয়তো ভাবছিলেন, কেন তাঁকে নামানো হল না সুপার ওভারে?

বন্ধ করুন