বাংলা নিউজ > ময়দান > IPL 2021 Auction: কী কী ফাঁক পূরণ করতে হবে KKR-কে? শাহরুখ, মরিস, শাকিব-সহ নাইটদের নজরে কারা?
কেকেআরের নজরে থাকতে পারেন মরিস এবং শাকিব। (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার এবং আইপিএল)
কেকেআরের নজরে থাকতে পারেন মরিস এবং শাকিব। (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার এবং আইপিএল)

IPL 2021 Auction: কী কী ফাঁক পূরণ করতে হবে KKR-কে? শাহরুখ, মরিস, শাকিব-সহ নাইটদের নজরে কারা?

  • ভারতীয় ব্যাটসম্যানের অভাব আছে। বিদেশি অলরাউন্ডের বিকল্পের প্রয়োজন।

মোটের উপর প্রথম একাদশ নিশ্চিত আছে। তা সত্ত্বেও দলে একাধিক শূন্যস্থান ভরাট করতে হবে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর)। হাতে বেশি টাকা (১০.৭৫ কোটি টাকা) পড়ে না থাকায় নিলামে নাইটদের পরিকল্পনা করে এগোতে হবে। শক্তিশালী করতে হবে রিজার্ভ বেঞ্চ। সেই পরিস্থিতিতে একনজরে দেখে নিন কেকেআরের কোথায় কোথায় ফাঁক আছে এবং কোন কোন খেলোয়াড়ের জন্য ঝাঁপাতে পারে কেকেআর।

কেকেআরের কোথায় কোথায় ফাঁক রয়েছে?

১) ভারতীয় ব্যাটসম্যানের অভাব। শুভমন গিল, নীতিশ রানা এবং দীনেশ কার্তিক ছাড়া দলে কোনও ভালো ভারতীয় ব্যাটসম্যান নেই। সেই শূন্যস্থান ভরাট করতে হবে।

২) দেশি অলরাউন্ডের অভাব এবং বিদেশি অলরাউন্ডের বিকল্প। আন্দ্রে রাসেল ছাড়া সেই অর্থে দলে দেশি বা বিদেশি অলরাউন্ডার নেই। তার ফলে রাসেলের প্রতি নির্ভরশীলতা অত্যন্ত বেশি। তিনি ফর্মে না থাকলে বা চোট পেলে দলের কম্বিনেশন পুরো তালগোল পাকিয়ে যায়। সুনীল নারিনকে ওপেনে নামানোর প্রতিষেধক সব দলের কাছেই আছে। তাঁকে অলরাউন্ডার তকমা না দেওয়াই ভালো। তাই ভালো মানের বিদেশি অলরাউন্ডার চাই। সঙ্গে ভালো ভারতীয় অলরাউন্ডারেরও প্রয়োজন আছে।

৩) বাড়তি উইকেটরক্ষক। দলে কার্তিক ছাড়া কোনও উইকেটরক্ষক নেই। ফলে কমপক্ষে একজনকে নিতেই হবে। 

৪) পাওয়ার প্লে'তে বোলিংয়ের দুর্বলতা। গত আইপিএলে প্রথম ছ'ওভারে উইকেট নিতে না পারার ফলে অত্যন্ত ভুগতে হয়েছিল। লকি ফার্গুসনকে মূলত মাঝের ওভারে ব্যবহার করা হয়েছিল। ডেথে প্যাট কামিন্স ভালো মার খেয়েছিলেন (ইকোনমি রেট ১১-এর বেশি)। সেই পরিস্থিতিতে  বিদেশি একজন বোলার দরকার। যিনি ইনিংসের শুরু এবং শেষের অভাবে বল করতে পারবেন। একইসঙ্গে বাঁ-হাতি হলে বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্যও আসবে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অভিজ্ঞতার অভাব আছে। প্রসিধ কৃষ্ণা, সন্দীপ ওয়ারিয়রকে ভরসা করা দুষ্কর।

কোন কোন খেলোয়াড়কে নিতে পারে কেকেআর?

১) ঝাই রিচার্ডসন (পেসার, বেস প্রাইজ ১.৫ কোটি টাকা) : এবার বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) সর্বোচ্চ ২৯ টি উইকেট পেয়েছেন। নিয়মিত ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারেন। পাওয়ার প্লে এবং ডেথেও তাঁর উপর ভরসা করা যায়। তবে তাঁর ক্ষেত্রে মূল সমস্যা হল, টাকার অভাব। রিচার্ডসনের জন্য একাধিক দল ঝাঁপাতে পারে। বেশি দর হলে স্বভাবতই অস্ট্রেলিয়ার বোলারের আশা ছাড়তে হবে।

২) কাইল জেমিসন (বোলিং অলরাউন্ডার, বেস প্রাইজ ৭৫ লাখ) : টেস্ট ক্রিকেটের দুনিয়ায় রাজকীয় ঢঙে প্রবেশ করেছেন। বাড়তি এবং পেসের কারণে একাধিক দল কিউয়ি পেসারের জন্য ঝাঁপাবে। সঙ্গে ব্যাট হাতেও তাঁর রেকর্ড ভালো। তবে ভারতে কখনও খেলেননি তিনি।

৩) ক্রিস মরিস (অলরাউন্ডার, বেস প্রাইজ ৭৫ লাখ) : আন্দ্রে রাসেলের উপযুক্ত বিকল্প হতে পারেন। ডেথে যথেষ্ট ভালো পারফরম্যান্স করেছেন। গতবার তিনি খেলার পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বোলিং ঢের ভালো হয়েছিল। তবে তাঁর জন্য ঝাঁপানোর আগে চোট-আঘাত এবং কতদিন পাওয়া যাবে, সেই বিষয়টি দেখতে হবে।

৪) শাকিব-আল-হাসান (অলরাউন্ডার, বেস প্রাইজ ২ কোটি টাকা) : আন্দ্রে রাসেলের মতো ঠিক নন। তবে সুনীল নারিনের পরিবর্তে তাঁকে অনায়াসে প্রথম একাদশে রাখা যায়। এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পরই স্বাভাবিক কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তবে মূল সমস্যা হল যে বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য আগামী ১৯ মে'র পর সম্ভবত তিনি থাকবেন না।

৫) মুস্তাফিজুর রহমান (পেসার, বেস প্রাইজ ১ কোটি টাকা) : আগেরবারই তাঁকে দলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল কেকেআর। কিন্তু বাংলাদেশের বোর্ডের ছাড়পত্র না মেলায় তা সম্ভব হয়নি। এবার তাঁকে নেওয়ার জন্য ঝাঁপাতে পারেন নাইটরা। তবে শাকিবের মতো তাঁকেও কতদিন পাওয়া যাবে, তা গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

৬) জেসন বেহরেনডর্ফ (পেসার, বেস প্রাইজ ১ কোটি টাকা) : দলের বোলিংয়ে বৈচিত্র্য আনতে তাঁকে টার্গেট করতে পারে কেকেআর। তবে তাঁকে নেওয়ার জন্য একাধিক দল ঝাঁপানোর চেষ্টা করবে। সেক্ষেত্রে কেকেআরে হাতে কম টাকা থাকার বিষয়টি সমস্যার হয়ে উঠতে পারে।

৭) শাহরুখ খান (অলরাউন্ডার, বেস প্রাইজ ২০ লাখ টাকা) : শাহরুখ খানের দলেই আসতে পারেন শাহরুখ খান। তেমন বড় রান না করলেও এবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে দীনেশ কার্তিকের অধিনায়কত্বে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। ম্যাচ ফিনিশের দক্ষতাও আছে।

৮) লুকম্যান মেরিওয়ালা (পেসার, বেস প্রাইজ ২০ লাখ টাকা) : আট ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে এবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিকারী হয়েছেন। ইকোনমি রেট ৬.৫৩। ছত্তিশগড়ের বিরুদ্ধে আট রানে নিয়েছিলেন পাঁচ উইকেট।  গতবারের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতেও সাত ম্যাচে ১৬ উইকেট পেয়েছিলেন বাঁ-হাতি বোলার। ইকোনমি রেট ছিল ৬.৩৩। তাঁর হাতে বৈচিত্র্যও ভালো আছে।

৯) অভি ব্যারট (উইকেটরক্ষক, বেস প্রাইজ ২০ লাখ) : কেকেআরকে এমনিতেই এবার ভারতীয় উইকেটকিপার নিতে হবে। সেই হিসেবে ভালো বিকল্প হতে পারেন সৌরাষ্ট্রের ব্যাটসম্যান। সেই সঙ্গে ওপেনও করেছেন। এবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির শুরু থেকেই ভালো ফর্মে ছিলেন। শেষপর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে ২৮৩ রান করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন। স্ট্রাইক রেটও দারুণ - ১৮৪.৯৬। হাঁকিয়েছেন ৩২ টি বাউন্ডারি এবং ১২ টি ছক্কা। তার মধ্যে গোয়ার বিরুদ্ধে ১২২ রান এবং বিদর্ভের বিরুদ্ধে ৯৩ রানের ইনিংস খেলেছেন।

১০) কেদার দেভধর (উইকেটরক্ষক, বেস প্রাইজ ২০ লাখ) : কেকেআরের নজরে থাকতে পারেন বরোদার অধিনায়কও। যিনি বিভিন্ন কারণে সহ-অধিনায়ক দীপক হুডা এবং অধিনায়ক ক্রুনাল পান্ডিয়া দল ছেড়ে যাওয়ার পর বরোদার অধিনায়কত্বের ব্যাটন তুলে নিয়েছিলেন। সেখান থেকে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন। আট ম্যাচে করেছেন ৩৪৯ রান। সেমিফাইনালে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে  ৪৯ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৯৯ রান করেছিলেন। ধারাবাহিকতা থাকলেও তাঁর স্ট্রাইক রেট (১১৩.৬৮) নিয়ে প্রশ্ন আছে। কেকেআরের কাছে ভালো বিকল্প হতে পারেন তিনি। বরোদার হয়ে ওপেন করেছেন। ফলে দেভধরের উপস্থিতিতে কেকেআরের ওপেনিংয়ে বিকল্প বাড়বে। সঙ্গে উইকেটকিপারও তিনি।

১১) রাহুল গহলৌত (ব্যাটসম্যান, বেস প্রাইজ ২০ লাখ) : কেকেআরের ঠাসা মিডল-অর্ডারে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। তবে এবার এবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে ধারাবাহিকতার বিষয়টি বিবেচনা করে তিন নম্বর জায়গায় বিকল্প হিসেবে তাঁকে দলে নিতে পারে কেকেআর। এমনিতে সদ্য সমাপ্ত ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে পাঁচ ম্যাচে ২৪৪ রান করেছেন। তিনি অর্ধশতরানও আছে ঝুলিতে। স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৭৭।

১২) শেলডন জ্যাকসন (উইকেটরক্ষক, বেস প্রাইজ ২০ লাখ) : কেকেআরের এবার একজন ভারতীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লাগবেই। আর নাইটদের ভাগ্য ভালো যে এবার একাধিক ভারতীয় উইকেটরক্ষক সৈয়দ মুস্তাক আলিতে ভালো ফর্মে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন শেলডন জ্যাকসন। পাঁচ ম্যাচে করেছেন ২৪২ রান। স্ট্রাইক রেট ১৫৫.১২। অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেছেন। আর তিন নম্বরে নামতেন। পাশাপাশি কেকেআরেও ছিলেন। সেদিক থেকে তাঁর জন্য নিলামে ঝাঁপাতেই পারে কেকেআর।

আর কোন কোন খেলোয়াড়ের জন্য ঝাঁপাতে পারে কেকেআর? 

১) উমেশ যাদব (পেসার, বেস প্রাইজ ১ কোটি টাকা)।

২) শিবম দুবে (অলরাউন্ডার, বেস প্রাইজ ৫০ লাখ)।

৩) মহম্মদন আজহারউদ্দিন (ব্যাটসম্যান, বেস প্রাইজ ২০ লাখ)।

কেকেআরের কোথায় কোথায় ফাঁক রয়েছে?

১) ভারতীয় ব্যাটসম্যানের অভাব। শুভমন গিল, নীতিশ রানা এবং দীনেশ কার্তিক ছাড়া দলে কোনও ভালো ভারতীয় ব্যাটসম্যান নেই। সেই শূন্যস্থান ভরাট করতে হবে।

২) দেশি অলরাউন্ডের অভাব এবং বিদেশি অলরাউন্ডের বিকল্প। আন্দ্রে রাসেল ছাড়া সেই অর্থে দলে দেশি বা বিদেশি অলরাউন্ডার নেই। তার ফলে রাসেলের প্রতি এত নির্ভরশীলতা যে তিনি ফর্মে না থাকলে বা চোট পেলে দলের কম্বিনেশন পুরো তালগোল পাকিয়ে যায়। সুনীল নারিনকে ওপেনে নামানোর প্রতিষেধক সব দলের কাছেই আছে। তাঁকে অলরাউন্ডার তকমা না দেওয়াই ভালো। তাই ভালো মানের বিদেশি অলরাউন্ডার চাই। সঙ্গে ভালো ভারতীয় অলরাউন্ডারেরও প্রয়োজন আছে।

৩) বাড়তি উইকেটরক্ষক। দলে কার্তিক ছাড়া কোনও উইকেটরক্ষক নেই। ফলে কমপক্ষে একজনকে নিতেই হবে। 

৪) পাওয়ার প্লে'তে বোলিংয়ের দুর্বলতা। গত আইপিএলে প্রথম ছ'ওভারে উইকেট নেওয়ার অত্যন্ত ভুগতে হয়েছিল। লকি ফার্গুসনকে মূলত মাঝের ওভারে ব্যবহার করা হয়েছে। ডেথে প্যাক কামিন্স ভালো মার খেয়েছিলেন (ইকোনমি রেট ১১-এর বেশি)। সেই পরিস্থিতিতে  বিদেশি একজন বোলার দরকার। যিনি ইনিংসের শুরু এবং শেষের অভাবে বল করতে পারবেন। একইসঙ্গে বাঁ-হাতি হলে বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্যও আসবে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অভিজ্ঞতার অভাব আছে। প্রসিধ কৃষ্ণা, সন্দীপ ওয়ারিয়রকে ভরসা করা দুষ্কর।

কোন কোন খেলোয়াড়কে নিতে পারে কেকেআর?

১) ঝাই রিচার্ডসন (পেসার, বেস প্রাইজ ১.৫ কোটি টাকা) : এবার বিশ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) সর্বোচ্চ ২৯ টি উইকেট পেয়েছেন। নিয়মিত ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারেন। পাওয়ার প্লে এবং ডেথেও তাঁর উপর ভরসা করা যায়। তবে তাঁর ক্ষেত্রে মূল সমস্যা হল, টাকার অভাব। রিচার্ডসনের জন্য একাধিক দল ঝাঁপাতে পারে। বেশি দর হলে স্বভাবতই অস্ট্রেলিয়ার বোলারের আশা ছাড়তে হবে।

২) কাইল জেমিসন (বোলিং অলরাউন্ডার, বেস প্রাইজ ৭৫ লাখ) : টেস্ট ক্রিকেটের দুনিয়ায় রাজকীয় ঢঙে প্রবেশ করেছেন। বাড়তি এবং পেসের কারণে একাধিক দল কিউয়ি পেসারের জন্য ঝাঁপাবে। সঙ্গে ব্যাট হাতেও তাঁর রেকর্ড ভালো। তবে ভারতে কখনও খেলেননি তিনি।

৩) ক্রিস মরিস (অলরাউন্ডার, বেস প্রাইজ ৭৫ লাখ) : আন্দ্রে রাসেলের উপযুক্ত বিকল্প হতে পারেন। ডেথে যথেষ্ট ভালো পারফরম্যান্স করেছেন। গতবার তিনি খেলার পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বোলিং ঢের ভালো হয়েছিল। তবে তাঁর জন্য ঝাঁপানোর আগে চোট-আঘাত এবং কতদিন পাওয়া যাবে, সেই বিষয়টি দেখতে হবে।

৪) শাকিব-আল-হাসান (অলরাউন্ডার, বেস প্রাইজ ২ কোটি টাকা) : আন্দ্রে রাসেলের মতো ঠিক নন। তবে সুনীল নারিনের পরিবর্তে তাঁকে অনায়াসে প্রথম একাদশে রাখা যায়। এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পরই স্বাভাবিক কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তবে তাঁকে মূল সমস্যা হল যে বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য আগামী ১৯ মে'র পর সম্ভবত তিনি থাকবেন না।

৫) মুস্তাফিজুর রহমান (পেসার, বেস প্রাইজ ১ কোটি টাকা) : আগেরবারই তাঁকে দলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল কেকেআর। কিন্তু বাংলাদেশের বোর্ডের ছাড়পত্র না মেলায় তা সম্ভব হয়নি। এবার তাঁকে নেওয়ার জন্য ঝাঁপাতে পারেন নাইটরা। তবে শাকিবের মতো তাঁকেও কতদিন পাওয়া যাবে, তা গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

 

অভি ব্যারট (উইকেটরক্ষক, বেস প্রাইজ ২০ লাখ) : কেকেআরকে এমনিতেই এবার ভারতীয় উইকেটকিপার নিতে হবে। সেই হিসেবে ভালো বিকল্প হতে পারেন সৌরাষ্ট্রের ব্যাটসম্যান। সেই সঙ্গে ওপেনও করেছেন। এবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির শুরু থেকেই ভালো ফর্মে ছিলেন। শেষপর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে ২৮৩ রান করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন। স্ট্রাইক রেটও দারুণ - ১৮৪.৯৬। হাঁকিয়েছেন ৩২ টি বাউন্ডারি এবং ১২ টি ছক্কা। তার মধ্যে গোয়ার বিরুদ্ধে ১২২ রান এবং বিদর্ভের বিরুদ্ধে ৯৩ রানের ইনিংস খেলেছেন।

 

২) শেলডন জ্যাকসন (বেস প্রাইজ ২০ লাখ) : কেকেআরের এবার একজন ভারতীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লাগবেই। আর নাইটদের ভাগ্য ভালো যে এবার একাধিক ভারতীয় উইকেটরক্ষক সৈয়দ মুস্তাক আলিতে ভালো ফর্মে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন শেলডন জ্যাকসন। পাঁচ ম্যাচে করেছেন ২৪২ রান। স্ট্রাইক রেট ১৫৫.১২। অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেছেন। আর তিন নম্বরে নামতেন। পাশাপাশি কেকেআরেও ছিলেন। সেদিক থেকে তাঁর জন্য নিলামে ঝাঁপাতেই পারে কেকেআর।

৩) কেদার দেভধর (বেস প্রাইজ ২০ লাখ) : কেকেআরের নজরে থাকতে পারেন বরোদার অধিনায়কও। যিনি বিভিন্ন কারণে সহ-অধিনায়ক দীপক হুডা এবং অধিনায়ক ক্রুনাল পান্ডিয়া দল ছেড়ে যাওয়ার পর বরোদার অধিনায়কত্বের ব্যাটন তুলে নিয়েছিলেন। সেখান থেকে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন। আট ম্যাচে করেছেন ৩৪৯ রান। সেমিফাইনালে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে  ৪৯ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৯৯ রান করেছিলেন। ধারাবাহিকতা থাকলেও তাঁর স্ট্রাইক রেট (১১৩.৬৮) নিয়ে প্রশ্ন আছে।

কেকেআরের কাছে ভালো বিকল্প হতে পারেন তিনি। বরোদার হয়ে ওপেন করেছেন। ফলে দেভধরের উপস্থিতিতে কেকেআরের ওপেনিংয়ে বিকল্প বাড়বে। সঙ্গে উইকেটকিপারও তিনি।

৪) রাহুল গহলৌত (বেস প্রাইজ ২০ লাখ) : কেকেআরের ঠাসা মিডল-অর্ডারে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। তবে এবার এবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে ধারাবাহিকতার বিষয়টি বিবেচনা করে তিন নম্বর জায়গায় বিকল্প হিসেবে তাঁকে দলে নিতে পারে কেকেআর। এমনিতে সদ্য সমাপ্ত ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে পাঁচ ম্যাচে ২৪৪ রান করেছেন। তিনি অর্ধশতরানও আছে ঝুলিতে। স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৭৭।|#+|

 

বন্ধ করুন