বাংলা নিউজ > ময়দান > IPL 2021 Auction: মিনি নিলামে সেরা চাল কোন দলের, IPL-এ হাত কামড়াতে হতে পারে কাদের?

অসংখ্য কৌশল, প্রচুর পরিকল্পনা হয়। কিন্তু মিনি নিলামের টেবিলে সেই কৌশল কতটা সুচারুভাবে প্রয়োগ করা হয়, তার উপর সাফল্য নির্ভর করে। সেইমতো এবারও আট দলের মধ্যে অনেক অঙ্ক ঠিক হয়েছে। কে কীভাবে দল সাজাবে, কাকে নিলে দলের ভারসাম্য তৈরি হবে, সেই পরিকল্পনা নিয়েই চেন্নাইয়ে গিয়েছেন আট টিমের কর্তারা। শেষপর্যন্ত কোন দলের কৌশল খেটে গেল এবং কোন দলের কৌশল নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করল, তা দেখে নিন -

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

গতবার আট কোটি টাকা দিয়ে নাথান কুল্টার-নাইলকে কিনেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মধ্যমানের আইপিএলের পর তাঁকে ছেড়ে দিয়েছিল। এবার তাঁকে পাঁচ কোটি টাকা দলে নিয়েছেন রোহিত শর্মারা। সেইসঙ্গে ৩.২ কোটি টাকায় নিউজিল্যান্ডের অ্যাডাম মিলনেকে দলে নেওয়া হয়েছে। স্পিনারের অভাব মেটাতে ২.৪ কোটি টাকায় পীযূষ চাওলাকে কেনা হয়েছে। ব্যাক-আপ অলরাউন্ডার হিসেবে ৫০ লাখ টাকা দিয়ে জিমি নিশমকে নিয়েছে মুম্বই। 

(দেখে নিন এবারের নিলামে বিক্রিত খেলোয়াড়ের তালিকা)

এমনিতেই মোটামুটি একই দল রেখেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। মিনি নিলামে একেবারে মেপে এগোলেন রোহিত শর্মারা। একেবারে স্বচ্ছ চিন্তাভাবনা ছিল। তা দিয়েই শূন্যস্থান ভরাট করে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গত বছর কুল্টার-নাইলের জন্য যে টাকা খরচ হয়েছিল, তা দিয়েই নিজেদের পেস বিভাগ আরও শক্তিশালী করল মুম্বই। তবে মুম্বইয়ের সবথেকে মাস্টারস্ট্রোক সম্ভবত দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাক্রো জ্যানসেন। মাত্র ২০ লাখ টাকায় কিনেছে মুম্বই। তাঁকে প্রোটিয়াদের অন্যতম উদয়মান ক্রিকেটার হিসেবে ধরা হচ্ছে। একইসঙ্গে তাঁকে দলে নেওয়ার পর মুম্বই শিবিরে যে উচ্ছ্বাস ধরা পড়েছে, তা থেকে ক্রিকেট মহলের মতে, এবার রোহিতদের অস্ত্র হতে চলেছেন ২০ বছরের প্রোটিয়া।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং কাইল জেমিসন - মিনি আইপিএল নিলামে দু'জনের পিছনে কার্যত ফাটকা খেলেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর (আরসিবি)। এমনিতে গত আইপিএলে হতশ্রী পারফরম্যান্স করেছিলেন ম্যাক্সওয়েল। তাঁকে ১৪.২৫ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছে বিরাট কোহলির দল। অন্যদিকে যে জেমিসনের জন্য ১৫ কোটি খসানো হয়েছে। ভারতে কখনও খেলেননি তিনি। পাশাপাশি সেই দু'জনকে নেওয়া হয়েছে যখন, তখন তাঁদের খেলানো হবে। সঙ্গে অপর দুই বিদেশি হলেন জোস ফিলিপে এবং এবি ডি'ভিলিয়ার্স। তার ফলে ব্যাটিং মজবুত হলেও বোলিংয়ে কিন্তু এখনও ফাঁক থেকে গিয়েছে। যা চিরাচরিতভাবে বিরাটদের দুর্বল জায়গা। সেভাবে ভারতীয় অলরাউন্ডারও নেই। সম্ভবত ওয়াশিংটন সুন্দরের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দেখে তাঁর ব্যাটের উপর অত্যন্ত ভরসা করছেন বিরাটরা। সেই পরিকল্পনা খেটে গেলেও পেস বোলিং বিভাগে সমস্যা মেটেনি। তার জেরে আরসিবির নিলাম কৌশল নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

তবে এটাও ঠিক, দু'জনের ফাটকা খেলে গেলে তখন আরসিবি অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তবে একটা বিষয় বিরাটদের নিশ্চয়ই খচখচ করবে, গতবার যে ক্রিস মরিস তাঁদের বোলিংয়ে ভরসা জোগাচ্ছিলেন, তাঁকে ছেড়ে দিলেন। তারপর তাঁর জন্যই ঝাঁপিয়ে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হাতছাড়া করতে হল।

বন্ধ করুন