বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল-2022 > ‘আমায় নিয়ে কারও কোনও আশা ছিল না’, T20 দলে ফিরে আবেগপ্রবণ ৩৭ ছুঁইছুঁঁই RCB কিপার
দীনেশ কার্তিক।

‘আমায় নিয়ে কারও কোনও আশা ছিল না’, T20 দলে ফিরে আবেগপ্রবণ ৩৭ ছুঁইছুঁঁই RCB কিপার

  • কার্তিক এ বার আইপিএলে ১৯১.৩৩ স্ট্রাইক রেটে ২৮৭ রান করেছেন। ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ফিনিশারের ভূমিকায় দুরন্ত পারফরম্যান্স তাঁর। কার্তিক অবশ্য আরসিবি-কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তাঁকে বাছাই করার জন্য এবং তাঁকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। কার্তিককে মেগা নিলামে আরসিবি ৫.৫০কোটিতে কেনে।

দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের জন্য ১৮ সদস্যের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে জায়গা প্রত্যাবর্তনকে দীনেশ কার্তিক স্মরণীয় ফিরে আসা বলে দাবি করেছেন। চলতি আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সিতে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন কার্তিক। যে কারণে অভিজ্ঞ কিপার-ব্যাটারকে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে নেওয়া হয়েছে। ৩৬ বছরের কার্তিক ৩ বছরের বিরতির পরে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন করল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২০১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের জার্সিতে শেষ বার খেলেছিলেন তিনি।

কার্তিক এ বার আইপিএলে ১৯১.৩৩ স্ট্রাইক রেটে ২৮৭ রান করেছেন। ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ফিনিশারের ভূমিকায় দুরন্ত পারফরম্যান্স তাঁর। কার্তিক অবশ্য আরসিবি-কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তাঁকে বাছাই করার জন্য এবং তাঁকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। কার্তিককে মেগা নিলামে আরসিবি ৫.৫০কোটিতে কেনে। এর আগে কার্তিক কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন।।

আরও পড়ুন: ‘আমি নির্বাচক হলে কার্তিককে T20 WC-এর দলে রাখতাম’, দাবি ভাজ্জির

কার্তিককে আরসিবি-র টুইটার হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো পোস্টে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘খুব খুশি, খুব, খুব সন্তোষজনক... অবশ্যই বলতে হবে যে এটি সম্ভবত আমার সবচেয়ে স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন, কারণ অনেক লোক আমাকে নিয়ে আশা ছেড়ে দিয়েছিল।’

তিনি যোগ করেছেন, ‘দলে ফেরার জন্য আমি সব কিছু করেছি। কোচ অভিষেক নায়ারের পরামর্শে খেলায় কিছু পরিবর্তন করেছি। সেটা আমাকে নিলামের সময়ও সুবিধা দিয়েছিল। আমার এই পারফরম্যান্সের জন্য বেঙ্গালুরুর কোচ সঞ্জয় বাঙ্গার এবং ক্রিকেট সংক্রান্ত বিষয়ের নির্দেশক মাইক হেসনেরও কৃতিত্ব প্রাপ্য। ওঁরা আমাকে নিজের খেলা খেলতে দিয়েছেন। আমি শুধু দলের জন্য নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে গিয়েছি। সব মিলিয়ে আমি খুব খুশি।’

অনেক তরুণ ক্রিকেটার উঠে আসা সত্ত্বেও ৩৭ ছুঁইছুঁই কার্তিককে বেছে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নির্বাচক, জাতীয় দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং অধিনায়ক রোহিত শর্মাকেও। তাঁর ভাবনায় যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রয়েছে, তাও জানিয়েছেন। খেলার সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা দেওয়ার ব্যাপারেও তিনি আত্মবিশ্বাসী। তবে ব্যাঙ্গালোর কিপারের চূড়ান্ত লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়ায় এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া।

বন্ধ করুন