বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল-2022 > রায়নার জন্যই তিলক বর্মার মতো তারকাকে পেয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স! গল্পটা বেশ মজার
মূুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্রিকেটার তিলক বর্মা

রায়নার জন্যই তিলক বর্মার মতো তারকাকে পেয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স! গল্পটা বেশ মজার

  • রায়না ১২ বছর বয়সী তিলক বর্মার সাথে পাঁচ মিনিট কথা বলেছিল এবং তার সাথে ছবি তোলার জন্য পোজ দিয়েছিলেন। সেই বৈঠক তিলক বর্মার উপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলেছিল তা আট বছর পরে সকলেই দেখতে পাচ্ছেন।

আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ১৫ বলে ২২ রান করেছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের তিলক বর্মা। পরের ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ৩৩ বলে ৬১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। যদিও দু'টি ম্যাচেই হেরেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তবে নজর কেড়েছেন ১৯ বছরের তরুণ তিলক বর্মা।

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের নেটে তিলকের পারফরম্যান্স দেখে কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে তাঁকে বড় প্রতিভা বলে আগেই উল্লেখ করেছিলেন। শুধু জয়বর্ধনে একা নন,তিলককে নিয়ে এখন থেকেই বাজি ধরেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। তিলক ২০২০ সালের অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এবং গত বছর মুস্তাক আলি ট্রফিতে ২১৫ রান করেছেন ১৪৭.২৬ স্ট্রাইক রেটে। ঘরোয়া টুর্নামেন্টে তাঁর পারফরম্যান্স দেখেই তিলক বর্মাকে ১.৭ কোটি টাকায় সই করায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তবে তিলকের উঠে আসার গল্পটা বেশ মজার।

২০১৪ সালে উপ্পলের এইচসিএ স্টেডিয়ামে সুরেশ রায়না অনুশীলনের সময়ে ক্রিকেট কোচ সালাম বায়াশ ও ১২বছর বয়সী এক খুদে ক্রিকেটারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। সেই ঘটনা অবশ্যই রায়নার মনে থাকবেন না। তার পরের দিনই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মুখোমুখি হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। সেই সাক্ষাতে রায়না ১২বছর বয়সী তিলক বর্মার সাথে পাঁচ মিনিট কথা বলেছিল এবং তার সাথে ছবি তোলার জন্য পোজ দিয়েছিলেন। সেই বৈঠক তিলক বর্মার উপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলেছিল তা আট বছর পরে সকলেই দেখতে পাচ্ছেন।

১২ বছরের সেই ছেলের এখন২০ তে পা রেখেছেন। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তিলক বর্মার ব্যাটিং অবশ্যই রায়নার মুখে খুশি নিয়ে আসবে। তিলক বর্মাও রিভার্স সুইপ দিয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে ছক্কা মেরেছেন। সেই দিনের কথা স্মরণ করে তিলক বর্মার কোচ সালাম বায়েশ বলেন,‘আমার এক বন্ধু স্থানীয় ম্যানেজার ছিলেন। তিনি আমাদের অনুশীলন দেখার অনুমতি পেতে সাহায্য করেন এবং তিলককে আমার সেখানে সাথে নিয়ে যাই।’

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দলে জায়গা পাওয়া নিজের ছাত্র সম্পর্কে এই কোচ বলেন,‘আমার মনে আছে সুরেশ রায়নার ব্যাটিং দেখে তিলক খুব মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি একবারও তার থেকে চোখ সরিয়ে নেননি এবং রায়নার প্রতিটি শটের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। তারপরে আমরা তাঁর সাথে একটি ছবি তুলেছিলাম। আমি মনে করি রায়নার সাথে বিশেষ সাক্ষাৎই তিলকের জীবন বদলে দিয়েছিল। তিলকের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সেই সময়টাই যথেষ্ট ছিল। সে তখনই ঠিক করে নিয়েছিল যে সে ক্রিকেটার হবেন।’

বন্ধ করুন