বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল-2022 > ভেঙে গেল ব্যর্থতার সব নজির, নিজেদের IPL ইতিহাসে সব থেকে বেশি ম্যাচ হারের রেকর্ড মুম্বইয়ের
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবির। ছবি- আইপিএল।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবির। ছবি- আইপিএল।

ভেঙে গেল ব্যর্থতার সব নজির, নিজেদের IPL ইতিহাসে সব থেকে বেশি ম্যাচ হারের রেকর্ড মুম্বইয়ের

  • ১৫ বছরের আইপিএল ইতিহাসে এবারই সব থেকে বেশি ম্যাচে পরাজিত হয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। কোন বছরের রেকর্ড ভাঙলেন রোহিতরা?

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগের ১৫টি মরশুমের মধ্যে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সেরা মরশুম কোনটি, এমন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া মুশকিল হতে পারে। কেননা ইতিমধ্যেই সব থেকে বেশি ৫ বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মুম্বই। ৫টি ট্রফি জয়ই ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে সমান গুরুত্ব পেতে পারে।

তবে যদি জানতে চাওয়া হয় মুম্বইয়ের সব থেকে খারাপ মরশুম কোনটি, তবে সংশয়হীনভাবেই চিহ্নিত করা হবে চলতি মরশুমকে। কেননা পরিসংখ্যানের নিরিখে আইপিএল ২০২২-তেই সব থেকে ব্যর্থ রোহিতরা। তারা এবারই হেরেছে সব থেকে বেশি ম্যাচ।

আরও পড়ুন:- KKR Qualification Criteria: MI-কে উড়িয়ে ভেন্টিলেশন চালু রাখল KKR, কীভাবে প্লে-অফে পৌঁছাতে পারবে? রইল অঙ্ক

সোমবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে পরাজিত হওয়া মাত্রই মুম্বই ভেঙে দেয় ২০০৯ ও ২০১৮ সালের লজ্জাজনক নজির। সেই দু'বছরে সব থেকে বেশি ৮টি করে ম্যাচ হেরেছিল মুম্বই। এবার কলকাতার কাছে হারটি টুর্নামেন্টে রোহিতদের নবম পরাজয়। সুতরাং, মুম্বই পিছনে ফেলে দেয় ব্যর্থতার সব নজিরকে। লিগে এখনও ৩টি ম্যাচ বাকি রয়েছে পল্টনদের। তাই তাদের হারের সংখ্যাটা আরও বেড়ে যাওয়ার বিস্তর সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন:- MI vs KKR: বুমরাহর ৫ উইকেটেও রোগ সারল না মুম্বইয়ের, রোহিতদের হারিয়ে কোনও রকমে টিকে রইল কলকাতা

আইপিএলের ১৫টি মরশুমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সার্বিক পারফর্ম্যান্স:-
২০০৮: ১৪ ম্যাচে ৭টি জয় ও ৭টি হার (১৪ পয়েন্ট)।
২০০৯: ১৪ ম্যাচে ৫টি জয়, ৮টি হার ও ১টি ম্যাচ পরিত্যক্ত (১১ পয়েন্ট)।
২০১০: ১৪ ম্যাচে ১০টি জয় ও ৪টি হার (২০ পয়েন্ট)।
২০১১: ১৪ ম্যাচে ৯টি জয় ও ৫টি হার (১৮ পয়েন্ট)।
২০১২: ১৬ ম্যাচে ১০টি জয় ও ৬টি হার (২০ পয়েন্ট)।
২০১৩: ১৬ ম্যাচে ১১টি জয় ও ৫টি হার (২২ পয়েন্ট)।
২০১৪: ১৪ ম্যাচে ৭টি জয় ও ৭টি হার (১৪ পয়েন্ট)।
২০১৫: ১৪ ম্যাচে ৮টি জয় ও ৬টি হার (১৬ পয়েন্ট)।
২০১৬: ১৪ ম্যাচে ৭টি জয় ও ৭টি হার (১৪ পয়েন্ট)।
২০১৭: ১৪ ম্যাচে ১০টি জয় ও ৪টি হার (২০ পয়েন্ট)।
২০১৮: ১৪ ম্যাচে ৬টি জয় ও ৮টি হার (১২ পয়েন্ট)।
২০১৯: ১৪ ম্যাচে ৯টি জয় ও ৫টি হার (১৮ পয়েন্ট)।
২০২০: ১৪ ম্যাচে ৯টি জয় ও ৫টি হার (১৮ পয়েন্ট)।
২০২১: ১৪ ম্যাচে ৭টি জয় ও ৭টি হার (১৪ পয়েন্ট)।
২০২২: ১১ ম্যাচে ২টি জয় ও ৯টি হার (৪ পয়েন্ট)।

বন্ধ করুন