বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল-2022 > IPL-এ যে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে মুখ খুললেন মরিস
ক্রিস মরিস।

IPL-এ যে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে মুখ খুললেন মরিস

  • ক্রিস মরিস সহ আইপিএলের বিভিন্ন টিমে খেলতে আসা দক্ষিণ আফ্রিকার ১০ জন ক্রিকেটারই সুরক্ষিত ভাবে দেশে ফেরে গিয়েছেন। এখন তাঁদের বাধ্যতামূলত ১০ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

কলকাতা নাইট রাইডার্সের বরুণ চক্রবর্তী এবং সন্দীপ ওয়ারিয়রের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর আসার পরেই তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল রাজস্থান রয়্যালস শিবিরে। জৈব সুরক্ষা বলয় ভেদ করে করোনা হানা দিয়েছে, এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই যেন, সব ক্রিকেটারদের আকাশে আশঙ্কার কালো মেঘ এসে জড়ো হয়েছিল। রাজস্থানের ব্রিটিশ প্লেয়াররা তো রীতিমতো ভীত হয়ে পড়েছিলেন। সুরক্ষিত ভাবে দেশে ফেরার পরই নিজের এবং দলের প্লেয়ারদের আতঙ্কের সেই মুহূর্তগুলির কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিস মরিস।

মরিস সহ আইপিএলের বিভিন্ন টিমে খেলতে আসা দক্ষিণ আফ্রিকার ১০ জন ক্রিকেটারই সুরক্ষিত ভাবে দেশে ফেরে গিয়েছেন। এখন তাঁদের বাধ্যতামূলত ১০ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। ক্রিস মরিস বলছিলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, আমি অনেক স্বস্তি বোধ করছি।’ তবে বরুণ আর সন্দীপের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়ার পর রাজস্থান শিবিরের কী দশা হয়েছিল, সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মরিস জানিয়েছেন, ‘যে মুহূর্তে আমরা শুনলাম, জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকেও প্লেয়াররাও পজিটিভ হয়েছেন, তখনই সকলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। সোমবার যখন ম্যাচ (কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর) বাতিল হয়ে গেল, সেই মুহূর্তে আমরা বুঝেছিলাম, এই টুর্নামেন্ট এগিয়ে যাওয়াটা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।’

শুধু বরুণ আর সন্দীপ নন, তার পরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ঋদ্ধিমান সাহা, দিল্লি ক্যাপিটালসের অমিত মিশ্র, চেন্নাইয়ের সুপার কিংসের লক্ষ্মীপতি বালাজি সহ আর এক সদস্য আক্রান্ত হন। সবার শেষে চেন্নাইয়ের ব্যাটিং কোচ মাইক হাসির করোনা টেস্টের রেজাল্টও পজিটিভ আসে।

ক্রিস মরিস বলছিলেন, ‘আমি তখন আমাদের টিমের ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলছিলাম। সে সময় সাঙ্গাকারা (দলের হেড কোচ) আসেন। তাঁর থেকেই জানতে পারি, টুর্নামেন্টটি হচ্ছে না।’ এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, ‘ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। আসলে ইংল্যান্ডে পৌঁছানোর পর, ওদের আগে কোনও হোটেলে দশ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকাটা বাধ্যতামূলত। কিন্তু সেখানে কোনও হোটেলেই কোনও ঘর ফাঁকা ছিল না।’

অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্ড্রু টাইয়ের পরিবর্ত হিসেবে কয়েক দিন হয়েছিল দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ২০ বছর বয়সী পেসার জেরাল্ড কোয়েটজি। এই ঘটনায় তরুণ ক্রিকেটার রীতিমতো ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। মরিস ওকে ভরসা দেন। মরিস বলছিলেন, ‘আমি ওকে (জেরাল্ড কোয়েটজি) আমার কাছে এনে রেখেছিলাম। যতক্ষণ না আমরা হোটেল ছেড়েছি, ততক্ষণ ভয়ে ভয়ে কাটিয়েছি।’

বন্ধ করুন