বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল-2022 > Rinku Singh: 'মন বলছিল যে KKR-কে জিতিয়ে দেব', RR ম্যাচের আগেই হাতে ‘৫০ নট আউট’ লেখেন রিঙ্কু
ক্রিকেট মাঠে নিজের দাদা নীতিশ রানার সঙ্গে কেকেআরের নয়া ‘স্টার’ রিঙ্কু সিং। (ছবি সৌজন্যে আইপিএল)
ক্রিকেট মাঠে নিজের দাদা নীতিশ রানার সঙ্গে কেকেআরের নয়া ‘স্টার’ রিঙ্কু সিং। (ছবি সৌজন্যে আইপিএল)

Rinku Singh: 'মন বলছিল যে KKR-কে জিতিয়ে দেব', RR ম্যাচের আগেই হাতে ‘৫০ নট আউট’ লেখেন রিঙ্কু

  • আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাত্র ২৩ বলে অপরাজিত ৪২ রান করেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) রিঙ্কু সিং। ম্যাচের আগে থেকেই তাঁর মনে হচ্ছিল যে দীর্ঘ পাঁচ বছরের অপেক্ষা শেষ হতে চলেছে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। একটি ভিডিয়োয় জানান, হাতে '৫০ নট আউট' লিখেও রাখেন। যে ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটা যেন জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রের ‘রিঙ্কুর’ জন্য। যাঁরা জীবনে সহজে কিছু পাননি।

ম্যাচের একটাও বল তখন হয়নি। তবে রিঙ্কু সিংয়ের মনে হচ্ছিল, দিনটা তাঁরই হবে। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) তিনিই ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়বেন। সেজন্য হাতে ‘৫০ নট আউট’ লিখে রাখেন। শেষপর্যন্ত ৫০ রান না হলেও রিঙ্কু সিংয়ের হাত ধরেই হারের ধারায় ইতি টানল কেকেআর।

(IPL 2022 সংক্রান্ত যে কোনও আপডেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন)

সোমবার পাঁচ বল বাকি থাকতেই নাইটরা সাত উইকেট রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে দিয়েছেন। মাত্র ২৩ বলে অপরাজিত ৪২ রান এবং দুটি ক্যাচের জন্য রিঙ্কুকে ম্যাচের সেরা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেই ম্যাচের পর কেকেআরের তরফে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়। সেখানেই ফাঁস হয়ে যায় রিঙ্কুর সেই ‘৫০ নট আউট’ লেখার কাহিনি। দু'জনের মধ্যে কী কথোপকথন হয়, তা দেখে নিন -

রানা: (হাতে) কী লেখা আছে রিঙ্কু?

রিঙ্কু: আমার মনে হচ্ছিল যে আজ আমি রান করব এবং দলকে জেতাব। ম্যাচের সেরা হব। তাই নিজের হাতেই ৫০ লিখেছিলাম। সঙ্গে হৃদপিণ্ডের ছবি এঁকেছিলাম।

রানা: অপরাজিত ৫০ রান? এটা কখন লিখেছিলিস?

রিঙ্কু: ম্যাচের আগে। যখন আমরা একসঙ্গে ছিলাম।

রানা: কেমন লাগছে? কীরকমভাবে মনে হচ্ছিল যে আজ ৫০ রান করবি?

রিঙ্কু: ভিতর থেকে মনে হচ্ছিল। অনেকদিন ধরেই অপেক্ষা করেছিলাম যে কবে ম্যাচের সেরা হব।

রানা: কবে কেকেআরের জন্য ৫০ রান করব। নিজের প্রথম ৫০ রান। কবে ম্যাচ জেতাব?

রিঙ্কু: পাঁচ বছর (হয়ে গিয়েছে)।

রানা: পাঁচ বছর পরে দিনটা এল। একেবারে দুর্দান্তভাবে সেই দিনটা এল।

রিঙ্কুর সেই দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর সাফল্য পাওয়ার তৃপ্তির ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যে ভিডিয়োটা শুধু ক্রিকেট নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের সেই মানুষদের জন্য, যাঁরা আচমকা সাফল্য পাননি,যাঁদের দীর্ঘদিন লড়াই করে যেতে হয়েছে, মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে হয়েছে। সেভাবে সুযোগ আসেনি। সেরকমই হাজার-হাজার রিঙ্কুর কাছে এই ভিডিয়ো যেন বার্তা দিল, ‘হাল ছেড়ো না বন্ধু।’

বন্ধ করুন