বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল-2022 > সৌরভের অবসরের পর টেস্টে যখন সুযোগ পেলাম তখন ক্যানসারে আক্রান্ত হই; আক্ষেপ যুবির
যুবরাজ সিং
যুবরাজ সিং

সৌরভের অবসরের পর টেস্টে যখন সুযোগ পেলাম তখন ক্যানসারে আক্রান্ত হই; আক্ষেপ যুবির

  • যুবরাজ সিং বলেছিলেন,‘এটা শুধু একটা খারাপ ভাগ্য। আমি 24×7 চেষ্টা করেছিলাম। আমি ১০০টি টেস্ট ম্যাচ খেলতে চেয়েছিলাম,সেই ফাস্ট বোলারদের মোকাবেলা করতে চেয়েছিলাম এবং দুই দিন ব্যাট করতে চেয়েছিলাম। এটার জন্য আমি সবটা দিয়েছিলাম।’

সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতের হয়ে খেলা যুবরাজ সিং হলেন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জন্য অন্যতম প্রধান খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। এ ছাড়াও ভারতের ঐতিহাসিক ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন যুবরাজ। এই অলরাউন্ডার ভারতের হয়ে ৩০৪টি ওডিআই এবং ৫৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। তবে লাল বলের ক্রিকেটেও যুবরাজের ভাগ্য সেভাবে সঙ্গ দেয়নি। টেস্টে খুব ভাল কিছু করতে পারেননি তিনি।

২০০৩ সালে মোহালিতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তার অভিষেক হওয়ার পর যুবরাজ ভারতের হয়ে ৪০টি টেস্ট খেলেন। নিজের টেস্ট জীবনে তিনি তিনটি সেঞ্চুরি এবং ১১টি অর্ধশতরান করেন। ৩৩.৯২-এর গড়ে তিনি করেন ১৯০০ রান। সব মিলিয়ে তার ছিল ২৬টি প্রথম শ্রেণির একশো এবং ৩৬টি অর্ধশতক। তবে এই ফর্ম্যাটে বেশি দিন খেলতে পারেননি তিনি।

যুবরাজ টেস্ট খেলা নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন,‘আপনি যদি আজকের যুগের সাথে সেই যুগের তুলনা করেন তাহলে সবটা বুঝতে পারবেন। আপনি দেখতে পাবেন যে খেলোয়াড়রা ১০-১৫টা ম্যাচ খেলতে পেত।’ স্পোর্টস18-এ ‘হোম অফ হিরোস’-এ একটি সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে যুবরাজ জানান,‘আপনি সেই যুগের দিকে তাকান, বীরু যেভাবে শুরু করেছিলেন তাতে আপনি ওপেন করতে পারতেন না। এরপর দ্রাবিড়,সচিন,সৌরভ ও লক্ষ্মণ। আমি লাহোরে সেঞ্চুরি করেছি এবং পরের টেস্টে আমাকে ওপেন করতে বলা হয়েছিল।’

যুবরাজ প্রকৃতপক্ষে মুলতানে পাকিস্তানে তাঁর প্রথম টেস্টে ৫৯ রান করেছিলেন। তারপর লাহোরে ১১২ রান করেন। যুবি নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারে একটি দুর্দান্ত সূচনা করেছিলেন। তিনি ১১৯ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলে রাওয়ালপিন্ডিতে ২০০৪ সালের সফর শেষ করেছিলেন। এক বছর পরে,করাচিতে ১২২ রান করেন এবং তিনি ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৭০ রান করেন।

ভারতের কিংবদন্তি স্বীকার করেছেন যে বেশ কয়েকটি ম্যাচে তিনি তার শুরুকে বড় স্কোরে রূপান্তর করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এই কারণে তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ার সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়। তিনি বলেন,‘অবশেষে, দাদার অবসরের পর যখন আমি টেস্ট ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাই, তখন আমার ক্যান্সার ধরা পড়ে।’ তিনি বলেছিলেন,‘এটা শুধু একটা খারাপ ভাগ্য। আমি 24×7 চেষ্টা করেছিলাম। আমি ১০০টি টেস্ট ম্যাচ খেলতে চেয়েছিলাম,সেই ফাস্ট বোলারদের মোকাবেলা করতে চেয়েছিলাম এবং দুই দিন ব্যাট করতে চেয়েছিলাম। এটার জন্য আমি সবটা দিয়েছিলাম। কিন্তু এটা আর হয়নি।’ যুবরাজ তার শেষ আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন ২০১২ সাল। নিজের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার প্রায় পাঁচ বছর আগে আগে তিনি টেস্টকে বিদায় জানিয়েছিলেন।

বন্ধ করুন