বাড়ি > ময়দান > ধোনিদের জুতো সারাইয়ের দায়িত্ব পেতেন IPL-এ, লকডাউনে রুজিহীন ভাস্করনের পাশে দাঁড়ালেন পাঠান
চিপকের পাশে ভাস্করন। ছবি- টুইটার।
চিপকের পাশে ভাস্করন। ছবি- টুইটার।

ধোনিদের জুতো সারাইয়ের দায়িত্ব পেতেন IPL-এ, লকডাউনে রুজিহীন ভাস্করনের পাশে দাঁড়ালেন পাঠান

  • আইপিএলের ম্যাচ পিছু হাজার টাকা রোজগার হয় ভাস্করনের।

ক্রিকেট বন্ধ। বন্ধ আইপিএলও। তাতে ক্রিকেটারদের রোজগারে টান পড়েছে, এমনটা বলা যথাযথ হবে না। তবে ক্রিকেটের সঙ্গে জুড়ে থাকা বাকিরা রয়েছেন সমস্যায়। বিশেষ করে করোনা মহামারির জন্য দীর্ঘ লকডাউনে স্বাভাবিক রুজি রোজগারের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়েছে আর ভাস্করনের মতো মানুষদের।

গত ২৭ বছর ধরে চিপক স্টেডিয়ামের ঠিক পাশেই তাঁকে দেখা যায়। পেশায় মুচি। স্টেডিয়ামের পাশেই ছোট্ট একটা জায়গায় সরঞ্জাম নিয়ে বসেন। উঠতি ক্রিকেটার থেকে ধোনিদের মতো মহাতারকা, প্রয়োজনে সবারই টুকিটাকি কাজ করে দেন তিনি। কাজ বলতে, জুতো সেলাই থেকে প্যাড, গ্লাভস, হেলমেটের ক্ষত সারাই এই সব।

ভারতীয় দল চেন্নাইয়ে খেলতে গেলে টিম ইন্ডিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত মুচি হিসেবে কাজ করেন ভাস্করন। গত ১২ বছর ধরে তিনি এই কাজে চেন্নাই সুপার কিংসের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সাধারণ দিনে কাজ করে ৫০০ টাকা মতো রোজগার হয় ভাস্করনের। খেলার দিনগুলিতে ম্যাচপিছু হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে তাঁর জন্য। প্রতিটা আইপিএল মরশুমে ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছ থেকে পাওয়া টাকা ছাড়াও ক্রিকেটাররাও মাঝে মধ্যেই অর্থ দিয়ে থাকেন ভাস্করনকে। সব মিলিয়ে এক মরশুমে ২৫ হাজার টাকার মতো রোজগার হয়ে যায় তাঁর।

এবার ক্রিকেটও বন্ধ। আইপিএল হয়নি। লকডাউনে নিজের পসরা সাজিয়ে বসার উপায়ও ছিল না। প্রবল আর্থিক অনটনে থাকা ভাস্করনের খবর সংবাদমাধ্যমে চোখে পড়া মাত্রই ইরফান পাঠান উদ্যোগ নেন তাঁর পাশে দাঁড়ানোর। সিএসকের অফিসিয়াল কবলারের ফোন নম্বর জোগাড় করে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন পাঠান। পাঠিয়ে দেন ২৫ হাজার টাকা, যা আইপিএলের এক মরশুম থেকে তাঁর রোজগারের সমান।

ইরফানের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান নাইট অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। আপ্লুত নেটিজেনরাও পাঠানকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বন্ধ করুন