বাংলা নিউজ > ময়দান > ISL 2020-21: ব্রিটিশ মনোবিদের পর্যবেক্ষণে লাল-হলুদ ফুটবলাররা

শুভব্রত মুখার্জি

এমনিতেই ফুটবল, ক্রিকেটের মতো খেলার ক্ষেত্রে প্রফেশনাল জগতে যথেষ্ট চাপের মধ্যে থাকেন খেলোয়াড়রা। সেই চাপ মাঝে মাঝেই মানসিকভাবেও চাপ সৃষ্টি করে। তার উপর এই করোনা আবহে দীর্ঘদিন, দীর্ঘ সময় বায়ো বাবলে একপ্রকার গৃহবন্দি হয়ে থাকা খেলোয়াড়দের কাছে মানসিক চাপের জায়গা তৈরি করছে তা বলাই বাহুল্য।

বন্দিদশায় ফুটবলারদের একঘেয়েমি কাটাতে ইতিমধ্যেই এসসি ইস্টবেঙ্গলের টিম হোটেলে তৈরি হয়েছে ‘খেলাঘর’। এবার ফাউলারের ছেলেদের মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য নেওয়া হবে ইংল্যান্ডের ক্রীড়া মনোবিদ নিকোলা ম্যাকলিয়গের।

ম্যাকলিয়গ সপ্তাহে দুই বা তিন দিন অনুশীলনের পরে ভিডিয়ো কলে ফুটবলারদের ক্লাস নেওয়া ইতিমধ্যেই শুরু করেছেন। প্রসঙ্গত লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত ক্রীড়া মনোবিজ্ঞানের স্নাতক নিকোলা। বলা যায় ফুটবলারদের মানসিক দিকের খেয়াল রাখতে ম্যাকলিয়গের মতো কাউকে সামনে আনার মূল উদ্যোক্তা রবি ফাউলার। আইএসএলে দেরিতে অন্তর্ভুক্তি হওয়ায় এমনিতেই ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তথা তাদের সমস্ত ফুটবলার সহ কর্মকর্তাদের প্রতি চাপ তো ছিলই। কারন অনুশীলন বা দল গোছানোর সময় ছিল বেশ কম। লাল-হলুদ কর্তারা মাঘোমা, পিলকিংটন ও ড্যানি ফক্সের মতো ইপিএলে খেলা ফুটবলারদের দলে ভিড়িয়েছেন।

গোয়াতে জৈব সুরক্ষা বলয়ে পাঁচ মাসের বন্দি জীবনে ফুটবলারদের মানসিক চাপ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। কিছুদিন আগেই সেকথা স্বীকার করেছেন স্বয়ং বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীও। এমন অবস্থায় কীভাবে এই চাপকে কাটানো যায় তা চিন্তা করেই ফাউলারের পরামর্শেই নিকোলাকে নিয়োগ করা হয়। জানা গিয়েছে নিকোলা ফুটবলারদের সঙ্গে রীতিমতো পারিবারিক বন্ধুর মতন মিশছেন, গল্প করছেন জানতে চাইছেন তাদের ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা। তবে এসব করলেও তিনি ফুটবলারদের সঙ্গে খেলা সংক্রান্ত কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনা ইচ্ছা করেই এড়িয়ে যাচ্ছেন। চেষ্টা করছেন যাতে ফুটবলাররা সবসময় মানসিকভাবে ফুরফুরে থাকে।

বন্ধ করুন