কলকাতা ময়দানের ইতিহাসে অন্যতম বড় যুগলবন্দির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে কিছু দিনের মধ্যেই।
কলকাতা ময়দানের ইতিহাসে অন্যতম বড় যুগলবন্দির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে কিছু দিনের মধ্যেই।

ISL-এ বড় চমক, সবুজ-মেরুনে মিশতে চলেছে এটিকে!

মোহনবাগানের সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছে দুই বারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন অ্যাটলেটিকো দি কলকাতা। কিছু দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারেন দুই ক্লাবের কর্মকর্তারা।

এবার শতাব্দীপ্রাচীন মোহনবাগানের সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছে দুই বারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন অ্যাটলেটিকো দি কলকাতা। কিছু দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারেন দুই ক্লাবের কর্মকর্তারা।

ময়দান সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সেই উদ্দেশে দুই ক্লাবের মধ্যে একটি মেমোর‌্যান্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (মউ) সম্পাদিত হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি দুই ক্লাবের ঐতিহাসিক মেলবন্ধনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

এই মুহূর্তে আইএসএল-এ শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে শামিল এটিকে। অন্য দিকে, পঞ্চম আই-লিগ শিরোপা অর্জন করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে মোহনবাগান।

বেশ কিছু দিন ধরেই কলকাতা ময়দানের শীর্ষস্থানীয় দুই ক্লাব মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে কোনও একটি ক্লাবকে আইএসএল-এ খেলানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এআইএফএফ-এর মার্কেটিং পার্টনার তথা আইএসএল-এর প্রধান উদ্যোক্তা সংস্থা ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (এফএসডিএল)।

প্রস্তাব পেলেও আইএসএল-এ এ পর্যন্ত খেলার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেনি দুই প্রধান ক্লাব। নারাজ হওয়ার পিছনে মূল কারণ হয়ে দেখা দেয় ফ্র্যাঞ্চাইসি ফি হিসেবে ১৫ কোটি টাকা এবং নিজস্ব নাম, লোগো, জার্সির মতো ঐতিহ্যশালী পরিচায়কগুলির স্বত্ব ছাড়ার মতো শর্তাবলী। এ ছাড়া, আইএসএল-এর শহরপিছু একটি দল নীতি মানতে হলে কলকাতা ছাড়ার শর্তও মানতে চায়নি দুই প্রধান।

জানা গিয়েছে, ময়দানের দুই প্রধানের সঙ্গে মেলবন্ধনের বিষয়ে কথা চলছিল এটিকে-এর। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের সমস্যা দেখা দেয় তাদের ‘কোয়েস’-এর সঙ্গে ২০১৮ সালে করা চুক্তি। ওই ছুক্তি অনুযায়ী, ক্লাবের নাম ফের ব্র্যান্ডিং করা অসম্ভব। লাল-হলুদের থেকে সাড়া না পেয়ে তাই মোহনবাগানের দিকেই ঝোঁকে এটিকে।

মোহনবাগান ও এটিকের যুগলবন্দিতে বিশেষ আগ্রহী ছিল এফএসডিএল-ও। বিশেষ করে ২০১৪ ও ২০১৬ মরশুমের তুলনায় এটিকের খেলায় মাঠে দর্শকসংখ্যা কমতে থাকায় উদ্বেগের ভাঁজ পড়ে আইএসএল উদ্যোক্তাদের কপালে। পরিসংখ্যান বলছে, প্রথম দুই মরশুমে এটিকে-এর ম্যাচে মাঠে দর্শক সমাগম হয়েছিল যথাক্রমে ৪৫,১৭১ এবং ৫০,৭০৭। কিন্তু পরের মরশুমে তুলনায় ছোট রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজিত হওয়ায় তা কমে এসে দাঁড়ায় মাত্র ১১,৭০৩ এ।

তবে এর পরের দুই মরশুমে সল্ট লেক স্টেডিয়ামে ম্যাচ হওয়া সত্ত্বেও এটিকে দর্শকদের সং্যা টেনেটুনে দাঁড়িয়েছে গড়ে ১২,৬৬৯ ও ১৮,৩১০।

বন্ধ করুন