বাংলা নিউজ > ময়দান > বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ অলিম্পিক মেডেলজয়ী লভলিনা
বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ লভলিনা বড়গোঁহাই (ছবি:ইনস্টাগ্রাম)

বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ অলিম্পিক মেডেলজয়ী লভলিনা

  • বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ লভলিনা বড়গোঁহাই। ২০১৮ সালেই দীর্ঘদিনের প্রেমিককে ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন লভলিনা। ২০ বছর বয়সেই নবনীত গোস্বামীর সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন অলিম্পিক্সের পদক জয়ী বক্সার। কিন্তু চার বছরেই সেই সম্পর্কে চিড় ধরল।

অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ জয়ের পর অন্যান্য পদকজয়ীদের মতো দেশে ফিরতেই কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা পেয়েছিলেন লভলিনা বড়গোঁহাই। কিন্তু লাগাতার এই সংবর্ধনা, পুরস্কার, সম্মান- জ্ঞাপন অনুষ্ঠানগুলিই তাঁর কেরিয়ারের উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সম্প্রতি এমন মনোভাবই ব্যক্ত করেছিলেন তারকা বক্সার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ভালো না করলেও লভলিনা বড়গোঁহাই কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ইতিমধ্যেই যোগ্যতা অর্জন করেছেন। আপাতত সেটারই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। চেষ্টা করছেন, সব ভুলে পুরোপুরি পারফরম্যান্সে মনোনিবেশ করার। তবে তারই মধ্যে জানা গেল, ব্যক্তিগত জীবনেও সমস্যায় রয়েছেন লভলিনা বড়গোঁহাই।

বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ লভলিনা বড়গোঁহাই। ২০১৮ সালেই দীর্ঘদিনের প্রেমিককে ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন লভলিনা। ২০ বছর বয়সেই নবনীত গোস্বামীর সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন অলিম্পিক্সের পদক জয়ী বক্সার। কিন্তু চার বছরেই সেই সম্পর্কে চিড় ধরল। টোকিও অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন লভলিনা বড়গোঁহাই। রাতারাতি লাইমলাইটে চলে এসেছিলেন অসমের বক্সার। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়নি। কিন্তু এবার জানা গেল, বিয়ের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছেন লভলিনা। যদিও ঠিক কী কারণে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন তিনি, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

টোকিও অলিম্পিক্সের পর সদ্যই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নেমেছিলেন লভলিনা। কিন্তু সেখানে সাফল্য পাননি তিনি। টুর্নামেন্টের শুরুর দিকেই ছিটকে যান। নিজের ব্যর্থতার জন্য যে তার মনসংযোগের অভাব ছিল সেটা মেনে নিয়েছিলেন লভলিনা। হঠাৎ পাওয়া সংবাদমাধ্যমের ফোকাস, ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট, সম্মান, অর্থ, প্রতিপত্তি যে অ্যাথলিটদের মনসংযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে সেটাই অকপটে বলে ছিলেন লভলিনা বড়গোঁহাই। সেটাই কি তবে ব্যক্তিগত জীবনেও প্রভাব ফেলেছে!

বন্ধ করুন