বাংলা নিউজ > ময়দান > WTC ফাইনালের ষষ্ঠ দিনে নিজের চাপ কাটাতে শৌচাগারে ঢুকে বসেছিলেন জেমিসন
মহম্মদ সামির সঙ্গে জেমিসন। ছবি: এএনআই
মহম্মদ সামির সঙ্গে জেমিসন। ছবি: এএনআই

WTC ফাইনালের ষষ্ঠ দিনে নিজের চাপ কাটাতে শৌচাগারে ঢুকে বসেছিলেন জেমিসন

  • দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে মারাত্মক চাপে পড়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড শিবির। আর সেই সময়ে কিউয়ি ড্রেসিংরুমের পরিস্থিতি কী হয়েছিল, বিস্তারিত জানিয়েছেন কাইল জেমিসন।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ৬ ফুট ৮ ইঞ্চির কাইল জেমিসনের দাপটের কাছেই কার্যত হার মানে ভারত। প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট এবং দ্বিতীয় ইনিংসে দুই উইকেট নেন জেমিসন। দুই ইনিংসেই ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে আউট করেছেন তিনি। ম্যাচের সেরাও হন জেমিসন। তবে ষষ্ঠ দিনে তিনি মারাত্মক চাপে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর চাপ এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, শৌচাগারে ঢুকে বসে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। এমনটা নিজেই জানিয়েছেন কাইল জেমিসন।

দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত মাত্র ১৩৯ রানের লক্ষ্য রেখেছিল নিউজিল্যান্ডের সামনে। ১৩৯ রান করলেই প্রথম বার অনুষ্ঠিত হওয়ার আইসিসিস-র বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল জেতার স্বাদ পাবে কিউয়ি ব্রিগেড। ঠিক এই পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নামলে ৪৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বসে নিউজিল্যন্ড। সেই সময় নাকি মারাত্মক চাপে পড়ে গিয়েছিল কিউয়ি ব্রিগেড। উত্তেজনা এতটাই চমরে পৌঁছেছিল, কিউয়ি শিবিরের হৃদস্পন্দন বেড়ে গিয়েছিল সে সময়ে।

সেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জেমসিন বলেছেন, ‘আমরা সবাই মিলে ড্রেসিংরুমের ভিতর বসে টিভিতে ম্যাচ দেখছিলাম। টিভিতে স্বাভাবিক ভাবেই মাঠের থেকে কিছুটা দেরীতে সম্প্রচারিত হয়। একটা সময়ে ভারতীয় সমর্থকেরা সব বলেই চিৎকার করে উঠছিল। আর ভিতরে আমরা চমকিয়ে উঠছিলাম। মনে হচ্ছিল, এই বুঝি উইকেট পড়ে গিয়েছে। পরে অবশ্য দেখি, ভাল রান বাঁচিয়েছে বা ভাল ডিফেন্স করেছে। সেই সময়টা ম্য়াচের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত ছিল।’ 

এর সঙ্গেই জেমিসন যোগ করেছেন, ‘সে সময়ে স্নায়ুর ওপর এতটা চাপ তৈরি হয়েছিল যে, সেই চাপ কাটাতে শৌচাগারে গিয়ে বসেছিলাম। কারণ ওখানে মাঠের কোনও শব্দ আসছিল না।’ তবে তিনি বলেছেন, রস টেলর এবং কেন উইলিয়ামসন যে ঠাণ্ডা মাথায় ম্যাচ বের করে আনবেন, সেটা নিয়েও নিশ্চিত ছিল পুরো টিম।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে অবশ্য করোনার জন্য বড় করে কোনও সেলিব্রেশন করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড শিবির। জেমিসন অবশ্য বলেছেন, ‘করোনার জন্য বাইরে গিয়ে সেলিব্রেশন করার উপায় ছিল না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আমরা বহুক্ষণ একসঙ্গে সাজঘরে কাটিয়েছিলাম। বেশি লাফালাফি না হলেও নিজেদের মধ্যে আনন্দ করেছি। আর সবাই মিলে আনন্দ করাটাই তো আসল বিষয়। সেটা আমরা করেওছি।’

বন্ধ করুন