বাংলা নিউজ > ময়দান > স্বাক্ষরতা ১০০%,কাণ্ডজ্ঞান ০ - কেরালায় নিজের নামে রাস্তায় নোংরা, ক্ষুব্ধ শ্রীজেশ
নোংরা রাস্তা (বাঁদিকে, সৌজন্য টুইটার @16Sreejesh) এবং পি আর শ্রীজেশ (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
নোংরা রাস্তা (বাঁদিকে, সৌজন্য টুইটার @16Sreejesh) এবং পি আর শ্রীজেশ (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

স্বাক্ষরতা ১০০%,কাণ্ডজ্ঞান ০ - কেরালায় নিজের নামে রাস্তায় নোংরা, ক্ষুব্ধ শ্রীজেশ

  • তাঁর হাতে রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। সেই রাস্তার পাশে ফেলা হয়েছে আবর্জনা।

তাঁর হাতে রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। সেই রাস্তার পাশে ফেলা হয়েছে আবর্জনা। তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ভারতীয় তারকা পি আর শ্রীজেশ। কড়া ভাষায় বললেন, ‘স্বাক্ষরতা ১০০ শতাংশ। কাণ্ডজ্ঞান শূন্য।’

গত সোমবার টুইটারে কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন ভারতীয় তারকা। তাতে দেখা গিয়েছে, রাস্তার ধারে আবর্জনার স্তূপ পড়ে আছে। সঙ্গে লেখেন, 'স্বাক্ষরতা ১০০ শতাংশ। কাণ্ডজ্ঞান শূন্য। এভাবেই আমার গ্রামের লোকেরা আমার নামের রাস্তাকে সাজিয়ে তুলেছেন। কুন্নাথুনাড়ু বা কিঝাক্কামবালম গ্রামের আধিকারিকরা বিষয়টি যেন দেখেন এবং একটা সিদ্ধান্ত নেন'। সেই টুইটের সঙ্গে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকেও ট্যাগ করেছেন ভারতীয় হকি দলের ‘দ্য ওয়াল।’ পুরো বিষয়ে তিনি যে কতটা ক্ষুব্ধ, তা ‘সাজিয়ে’ তোলা শব্দের ব্যবহার থেকেই স্পষ্ট হয়েছে।

২০১৫ সালে কেরালা সরকার কিঝাক্কামবালমের সেই রাস্তার নামকরণ শ্রীজেশের নামে করেছিল। রাস্তার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অলিম্পিয়ান শ্রীজেশ রোড’। যিনি ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিক্সে খেলেছিলেন। তারপর আরও দুটি অলিম্পিক্স খেলেছেন। রিও অলিম্পিক্স সাফল্য না মিললেও টোকিয়োয় ব্রোঞ্জ জিতেছে ভারতীয় পুরুষ হকি দল। ৪১ বছর অলিম্পিক্স হকিতে ভারতের পদক খরা কাটার অন্যতম কৃতিত্ব প্রাপ্য শ্রীজেশের। যিনি গোটা টুর্নামেন্টে অসংখ্য নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছিলেন। গোলের সামনে হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন প্রাচীর। এমনকী ব্রোঞ্জ পদক ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে তাঁর দুর্দান্ত সেভের কারণেই সমতা ফেরাতে পারেনি জার্মানি। সেই সময় ঘড়ির কাঁটায় বাকি ছিল ৬.৮ সেকেন্ড। সেই ম্যাচেই ন'টি গোল বাঁচিয়েছিলেন শ্রীজেশ। শেষ মুহূর্তে সেভের পরই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছিলেন ভারতীয় গোলরক্ষক। কিছুক্ষণ পর গোলপোস্টের মাথায় উঠে গিয়েছিলেন। 

পরে ইন্ডিয়া টু'ডে ওরকম গোলপোস্টের মাথায় বসে থাকার কারণ ফাঁস করেছিলেন শ্রীজেশ। বলেন, 'আমি সারা জীবন পোস্টের সঙ্গে থেকেছি।' সঙ্গে যোগ করেছিলেন, 'এটা আমার জায়গা। এখানেই আমার সারাজীবন কাটিয়েছি। আমি শুধু দেখাতে চাইছিলাম যে এখন আমিই এই পোস্টের মালিক। আমার আনন্দ করছিলাম, কারণ আমি এবং আমার পোস্ট হতাশা, দুঃখ একসঙ্গে শেয়ার করেছি। পোস্টও কিছুটা শ্রদ্ধার অধিকারী। '

বন্ধ করুন