বাংলা নিউজ > ময়দান > LPL 2021: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, সেই গলকে হারিয়েই টানা দ্বিতীয়বার এলপিএল চ্যাম্পিয়ন জাফনা
চ্যাম্পিয়ন জাফনা কিংস। ছবি- এলপিএল।
চ্যাম্পিয়ন জাফনা কিংস। ছবি- এলপিএল।

LPL 2021: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, সেই গলকে হারিয়েই টানা দ্বিতীয়বার এলপিএল চ্যাম্পিয়ন জাফনা

  • শেষ তিনটি ম্যাচে গ্ল্যাডিয়েটর্সের কাছে হারের পর খেতাবি লড়াইয়ে বাজিমাত হাসারাঙ্গাদের।

বদলা নেওয়া হলনা গল গ্ল্যাডিয়েটর্সের। বরং ইতিহাসের পুরনাবৃত্তির সঙ্গে সঙ্গে মধুর প্রতিশোধ নিল জাফনা কিংস। লঙ্কা প্রিমিয়র লিগের ফাইনালে গলকে হারিয়ে খেতাব ধরে রাখল গতবারের চ্যাম্পিয়ন জাফনা কিংস।

গতবার এলপিএলের উদ্বোধনী মরশুমের ফাইনালে গল গ্ল্যাডিয়েটর্সকে ৫৩ রানের ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল জাফনা। এবার সেই গলকেই ২৩ রানে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো লঙ্কা প্রিমিয়র লিগের খেতাব ঘরে তুলল তারা।

লঙ্কা প্রিমিয়র লিগই ছেলেদের প্রথম টি-২০ টুর্নামেন্ট, যেখানে প্রথম দু'টি মরশুমের ফাইনালে একই দু'টি দল মাঠে নামে। সেদিক থেকে দেখলে ফলাফলও হল একই। তাই বলা যায় যে গতবার ফাইনালে জাফনার কাছে হারের বদলা নেওয়া হল না গলের।

এবছর গ্যাডিয়েটর্সের কাছে প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারতে হয়েছিল জাফনাকে। লিগের দু'টি ম্যাচেও জাফনাকে পরাজিত করে গল। একমাত্র গ্ল্যাডিয়েটর্সের কাছেই টুর্নামেন্টের হার মানে কিংস, বাকি সব ম্যাচ জেতে তারা। তবে ফাইনালে বাজিমাত করে জাফনা। চলতি মরশুমে টানা তিনবার গলের কাছে হারার পর খেতাবি লড়াই জিতে হিসাব বুঝে নেয় কিংস। তাই এই জয় তাদের কাছে মধুর প্রতিশোধ হিসেবে বিবেচিত হবে নিশ্চিত।

ফাইনালে টস জিতে জাফনা প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা ৩ উইকেটের বিনিময়ে ২০১ রানের বিশাল ইনিংস গড়ে তোলে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে শতরান করা আবিষ্কা ফার্নান্ডো ফাইনালেও হাফ-সেঞ্চুরি করেন। ৮টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৪১ বলে ৬৩ রান করে আউট হন আবিষ্কা।

রহমানুল্লাহ গুরবাজ করেন ১৮ বলে ৩৫ রান। টম কোহলার-ক্যাডমোর ৪১ বলে ৫৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শোয়েব মালিক ১১ বলে ২৩ রানের কার্যকরী যোগদান রাখেন। ক্যাপ্টেন থিসারা পেরেরা ৯ বলে ১৭ রান করে নট-আউট থাকেন। মহম্মদ আমির, নুয়ান তুষারা ও সমিত প্যাটেল ১টি করে উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে গল ২০ ওভারে ৯ উইকেটের বিনিময়ে ১৭৮ রানে আটকে যায়। দনুষ্কা গুণতিলকে মাত্র ১৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করেন। কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-২০ লিগের ফাইনালে এটিই কোনও ব্যাটসম্যানের করা দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির রেকর্ড। শেষমেশ তিনি ২১ বলে ৫৪ রান করে আউট হন। এছাড়া কুশল মেন্ডিস ৩৯, সমিত প্যাটেল ২২, ভানুকা রাজাপক্ষে ১৪ ও মহম্মদ হাফিজ ১০ রান করেন।

হাসারাঙ্গা ও চতুরঙ্গ ডি'সিলভা ২টি করে উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট নেন থিকসানা, জয়ডেন সিলস ও লাকমল। ম্যাচের সেরা হয়েছেন আবিষ্কা। ৩১২ রান করে টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।

বন্ধ করুন