বাংলা নিউজ > ময়দান > সৌভাগ্যবশত প্রাণে বেঁচে ফিরেছে- গাড়ি দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে ফ্লিনটফের ছেলে কোরি

সৌভাগ্যবশত প্রাণে বেঁচে ফিরেছে- গাড়ি দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে ফ্লিনটফের ছেলে কোরি

গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ (ছবি-এএফপি)

সম্প্রতি তিনি এক ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। দুর্ঘটনাটি এতটাই ভয়াবহ ছিল তা যে তিনি যে প্রাণে বেঁচে ফিরবেন তা আশা করেননি তাঁর পরিবারের কোন সদস্য! এমন কথাই জানিয়েছেন ৪৫ বছর বয়সি তারকা অলরাউন্ডারের পুত্র কোরি ফ্লিনটফ।

শুভব্রত মুখার্জি: ইংল্যান্ড ক্রিকেটের অন্যতম তারকা প্রাক্তন অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ। সম্প্রতি তিনি এক ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। দুর্ঘটনাটি এতটাই ভয়াবহ ছিল তা যে তিনি যে প্রাণে বেঁচে ফিরবেন তা আশা করেননি তাঁর পরিবারের কোন সদস্য! এমন কথাই জানিয়েছেন ৪৫ বছর বয়সি তারকা অলরাউন্ডারের পুত্র। সংবাদ মাধ্যমের সামনে ভক্তদের আদরের 'ফ্রেডি'র দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে এমনটাই মন্তব্য করেছে তাঁর ছেলে কোরি ফ্লিনটফ। প্রখ্যাত সংবাদ মাধ্যম বিবিসির হয়ে একটি সিরিজের শুট করছিলেন অ্যান্ড্রু। সেখানেই ঘটে এই দুর্ঘটনা।

আরও পড়ুন… লুসাইল স্টেডিয়ামের আট তলা থেকে পড়ে মারা গেলেন নিরাপত্তা কর্মী

বিবিসির 'টপ গিয়ার' নামক শোতে অংশ নিয়েছিলেন ফ্লিনটফ। সেখানেই ঘটে যায় এই ভয়াবহ কান্ডটি! ঘটনার ভয়াবহতায় সকলেই হকচকিয়ে গিয়েছিলেন। ২০১০ সালে ক্রিকেটকে আলবিদা জানিয়েছিলেন ফ্লিনটফ। ২০১৯ সালে 'টপ গিয়ার' নামক শো'তে উপস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এই শো'র সেটে দুর্ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসে মেডিক্যাল দল। তারা সেখানেই প্রাথমিক চিকিৎসা করে ফ্লিনটফের। কিছুটা সুস্থ করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।

আরও পড়ুন… IND vs BAN: ল্যাজেগোবরে অবস্থা থেকে দলকে ম্যাচে ফিরিয়েছেন, শতরান মিস হলেও আফসোস নেই পূূজারার

মঙ্গলবারে ঘটেছে ঘটনাটি। ঘটনা ঘটার পর ফ্লিনটফকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর বিবিসির তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে ফ্লিনটফের যে চোট লেগেছে তাতে করে তাঁর জীবনের কোন ঝুঁকি নেই। ঘটনাটি ঘটেছে টপ গিয়ার শোয়ের টেস্ট ট্রাকে। সারের ডান্সফোর্ড পার্ক এরোড্রোমে ঘটেছে ঘটনাটি। ঘটনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ফ্লিনটফের ১৬ বছর বয়সি ছেলে কোরি ডেইলি মেইলকে জানিয়েছে, ‘আমরা সঠিকভাবে জানি না কি হয়েছে। তবে এটা বলব আমাদের এবং সর্বোপরি ওঁর সৌভাগ্য যেন ও এখনও বেঁচে রয়েছে। খুব বাজে একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে। অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয়টা। আমরা সকলেই হতবাক হয়ে গিয়েছি। আশা করব ও তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবে।’ উল্লেখ্য ফ্লিনটফের ক্রিকেট কেরিয়ারের সবথেকে বড় অবদান ২০০৫ সালের অ্যাসেজ। যে ঐতিহাসিক সিরিজ জিতেছিল ইংল্যান্ড। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। সেই কারণে সিরিজ সেরা ও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

বন্ধ করুন