বাংলা নিউজ > ময়দান > অলিম্পিক্সের ছাড়পত্র পেয়ে ইতিহাসে নাম লেখালেন ভারতের সাঁতারু মানা প্যাটেল
মানা প্যাটেল।
মানা প্যাটেল।

অলিম্পিক্সের ছাড়পত্র পেয়ে ইতিহাসে নাম লেখালেন ভারতের সাঁতারু মানা প্যাটেল

  • 'ইউনিভার্সালিটি কোটা'র মাধ্যমেই অলিম্পিক্সের ছাড়পত্র পেয়েছেন আহমেদাবাদের মহিলা সাঁতারু মানা প্যাটেল। সজন প্রকাশ এবং শ্রীহরি নটরাজের পর দেশের তৃতীয় সাঁতারু হিসেবে টোকিও-র টিকিট নিশ্চিত করলেন মানা।

ভারতের কোনও মহিলা সাঁতারু এর আগে অলিম্পিক্সের ছাড়পত্র জোগাড় করতে পারেননি। তবে এ বার ভারতের সেই আক্ষেপ মিটিয়ে দিলেন মানা প্যাটেল। টোকিও অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জন করে নতুন নজির গড়লেন মানা। নাম লেখালেন ইতিহাসে।

তবে সরাসরি তিনি যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। 'ইউনিভার্সালিটি কোটা'র মাধ্যমেই অলিম্পিক্সে যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়েছেন আহমেদাবাদের মহিলা সাঁতারু। সজন প্রকাশ এবং শ্রীহরি নটরাজের পর দেশের তৃতীয় সাঁতারু হিসেবে টোকিও-র টিকিট নিশ্চিত করলেন মানা।

ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক্স কমিটির নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দেশ থেকে 'ইউনিভার্সালিটি কোটা'য় একজন পুরুষ এবং একজন মহিলা প্রতিযোগীকে গেমসের ছাড়পত্র দেওয়া হয়ে থাকে। সেই কোটাতেই অলিম্পিক্স সিলেকশন বি টাইমের ভিত্তিতে ইতিহাস রচনা করার সুযোগ পেয়েছেন মানা। টোকিও গেমসে ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক ইভেন্টে ভারতের হয়ে তিনি প্রতিনিধিত্ব করবেন।

মানার জন্য উচ্ছ্বসিত দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তিনি আহমেদাবাদের সাঁতারুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইটে লিখেছেন, ‘ব্যাকস্ট্রোক সুইমার মানা প্যাটেল ভারতের প্রথম মহিলা সাঁতারু এবং সবার মধ্যে তৃতীয় সাঁতারু, যিনি অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জন করেছেন। ইউনিভার্সালিটি কোটায় ও অলিম্পিক্সের ছাড়পত্র পেয়েছে। ওকে আমার অসংখ্য শুভেচ্ছা।’

বেলগ্রেডে ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকে মানা সময় নিয়েছিলেন ১ মিনিট ০৩ সেকেন্ড। আর সেই সময়টাই টোকিও-তে কমিয়ে ১ মিনিট ০২ সেকেন্ড করাই তাঁর লক্ষ্য। ২০১৯ সালে চোট পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন ২১ বছরের ভারতীয় সাঁতারু। কিন্তু তিনি আবার লড়াইয়ে ফিরেছেন। এপ্রিলে উজবেকিস্তান ওপেন সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা পেয়েছিলেন মানা। ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক ইভেন্ট ১ মিনিট ০৪.৪৭ সেকেন্ডে শেষ করেছিলেন তিনি। অলিম্পিক্সেও মানার পদক পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী দেশের ক্রীড়ামহল।

বন্ধ করুন